আমার জায়গায় রাইট আমার, আপনি বোর্ড খুলেছেন, আমি ব্যানার লাগিয়েছি, আবার খুললে… : অভিষেক

কলকাতা : অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস লেখা বিল বোর্ড খুলে দিয়েছে পুরসভা। সেই জায়গায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ও জোড়া ফুলের প্রতীক দেওয়া ব্যানার ঝুলিয়ে দিয়েছেন তৃণমূলকর্মীরা। অভিষেকের অফিসের বিল বোর্ড ভাঙা নিয়ে ক্যামাক স্ট্রিটে ধুন্ধুমারকাণ্ডে ১২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকেলের ঘটনার পর থেকে ক্যামাক স্ট্রিটের অভিষেকের অফিসের সামনে চলছে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বিক্ষোভও। 

‘এরা ভুলে গেছে এদের মাইনে সাধারণ মানুষের করের টাকায় হয়’, পুলিশকে নিশানা অভিষেকের, আর কী বললেন? 

এই ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, ‘একদল পুলিশের অফিসার, প্রায় ৫০-১০০ জন অফিসার, কেএমসি- র কিছু প্রতিনিধিকে নিয়ে, তারা একটা কাগজ নিয়ে, আমার দলের যে কার্যালয়, পার্টির নামে অফিস, পার্টির নামে ভাড়া, অফিশিয়াল এগ্রিমেন্ট, কনট্র্যাক্ট – সব তাঁদের দেখানো হয়েছে। একটা নোটিস নিয়ে এসেছে, সেই নোটিসে কোনও ছবি নেই, কোনও মেমো নম্বর নেই, কোনও সিগনেচার নেই, এমনকী কোনও স্ট্যাম্প তো দূরের কথা, কেএমসি- র লেটার হেড পর্যন্ত, একটা লোগো পর্যন্ত নেই। একটা সাদা কাগজ নিয়ে, একটা মেমো বার করে, আমাদের দেখাতে এসেছিল… ওখানে একটা ছবি লাগিয়ে। কিন্তু ছবিটার… ওখানে কোনও ছবি ছিল না। যদি কাউকে কোনওরকম কিছু ডেমোলিশন করতে হয়, প্রথম তাকে নোটিস দিতে হয়। একদল পুলিশ গায়ের জোরে… আমরা যখন তাঁদেরকে বলি আপনি নোটিস দিন, নোটিস কোথায়, তাঁরা কোনও নোটিস দিতে পারেনি। আমার পার্টি অফিসে কার্যত আমাকে ৬ তলা থেকে উঠতে দেয়নি। গায়ের জোরে তারা মহিলাদের মেরে, ধাক্কা দিয়ে, বয়স্ক যারা ছিল তাদের বুকের উপর দিয়ে কার্যত হেঁটে গিয়ে একদম ছাদে উঠে… এক হাজার পুলিশের প্রতিনিধি কী করতে এসেছে, তৃণমূলের বোর্ড খুলতে। তৃণমূলের বোর্ড খোলা হচ্ছে তাদের লক্ষ্য। আপনি কী করে তৃণমূলকে শেষ করবেন? আপনি বোর্ড খুলেছেন, আমি ব্যানার লাগিয়েছি। আপনি আবার খুলবেন, আমি আবার লাগাবো। কাল খুলবেন, আবার কাল এসে লাগাবো। পরশু খুলবেন, আবার পরশু এসে লাগাবো। আমার জায়গায় রাইট আমার।’ 

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে পুলিশ-পুরসভা, তুলকালাম পরিস্থিতি 

বৃহস্পতিবার বিকেলে অভিষেকের বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে পৌঁছে যান কলকাতা পুরসভার কর্মীরা এবং তাঁদের সঙ্গে ছিলেন পুলিশের লোকেরাও। প্রথমে তাঁদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। তারপর অফিসের ভিতরেও বাধা দেওয়া হয় তাঁদের। তবে শেষ পর্যন্ত বিল্ডিংয়ের ছাদে উঠে বিল বোর্ড ভেঙে দেন পুরসভার কর্মীরা। 

Previous post

৩৮% DA, সপ্তম পে কমিশন নিয়ে বড় ঘোষণা! পুলিশের ৫০০ টাকা বোনাস বৃদ্ধি, পুজোর মাসে কল্পতরু, কী কী প্রতিশ্রুতি শুভেন্দুর?

Next post

Nepal Flash Flood: নেপালের হড়পা বানের সেতু ধসে নিখোঁজ বাঙালি সুপারভাইজার! কী পরিস্থিতি? উৎকণ্ঠায় পরিবার, খবরের আশায় প্রহর গুনছে সবাই

Post Comment

You May Have Missed