আগেই ভরসা জুগিয়েছিলেন গম্ভীররা, ক্রাইস্টচার্চে ভারতকে জিতিয়ে সেই ভরসার মান রাখলেন তিলক বর্মা

ক্রাইস্টচার্চ: হায়দরাবাদের দুই তরুণ তুর্কির ব্যাটে ভর করে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ভারতের দুরন্ত জয়। দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে ক্রাইস্টচার্চে এক বল বাকি থাকতে চার উইকেটে নিউজ়িল্যান্ডকে (IND vs NZ) হারায় ভারত। দুই হায়দরাবাদি তিলক বর্মা (Tilak Varma) ও নীতীশ কুমার রেড্ডি ভারতের হয়ে সপ্তম উইকেটে আন্তর্জাতিক টি-২০-তে রেকর্ড ৬৯ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ভারতকে ম্যাচ জিততে সাহায্য করেন।  

১৮১ রান তাড়া করতে নেমে ৭০ রানে আধা দল ও ১১২ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে এক সময় কার্যত ধুঁকছিল টিম ইন্ডিয়া। এমনকী শেষ তিন ওভারেও প্রয়োজন ছিল ৪৬ রান। সেখান থেকেই ঝড় তোলেন তিলক বর্মা। তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দেন নীতীশ। ২৫ বলে অর্ধশতরান করে তিলক শেষমেশ ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন। অপরদিকে, ১৩ বলে ২৬ রান করেন নীতীশ। ম্যাচশেষে কথা বলার সময় তিলক জানান কীভাবে ম্যাচপূর্বে ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর এবং ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাক তাঁকে ভরসা জুগিয়েছিলেন।  

তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘পাঁচ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর আমি খালি ইনিংসের শেষ অবধি খেলার কথা ভাবছিলাম। আজকের ম্যাচের আগেই তো আমি গৌতম স্যর আপ সীতাংশু কোটাক স্যরের সঙ্গে কথা বলছিলাম। ওঁরা একটাই কথা বলেছিলেন যে ওঁদের আমার প্রতি আস্থা রয়েছে এবং গোটা দেশ আমায় ভরসা করে। আমি শেষ অবধি টিকে থাকলে দলকে ম্যাচ জেতাব। সে কথাটাই আমার মাথায় ঘোরাফেরা করছিল। তাই ম্যাচটা যতটা গভীরে সম্ভব টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলাম এবং তারপর তো সকলের ভরসার মর্যাদা দিই। সত্যি বলতে আমি নিজের জন্য বেশ গর্বিত।’

আজকের ম্যাচে ভারতীয় ব্যাটার মূলত কিউয়ি স্পিনাররাই বিপাকে ফেলছিলেন। মিচেল স্যান্টনারের চার উইকেটে ভারতীয় ইনিংস ছন্নছাড়া হয়ে যায়। সেই পরিস্থিতিতে তিলক কোন পরিকল্পনা নিয়ে স্পিনারদের বিরুদ্ধে খেলছিলেন? ‘যতদূর মনে পড়ছে আমরা স্পিনারদের বিরুদ্ধে চার বা পাঁচবার দুই রান করে নিই। ওই আট থেকে দশ রানটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ওই সময়টা বেশ বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে খেলেছি আমরা। আর পরে তো ফাস্ট বোলারদের বিরুদ্ধে ছয়, চার মারতেই পারতাম। এই বড় মাঠে বলে গতির প্রয়োজন ছিল। সেটারই অপেক্ষায় ছিলাম আমরা এবং তেমনভাবেই শেষটা দুরন্ত করি,’ দাবি তিলকের।

Post Comment

You May Have Missed