অভাবের সংসারে ভরসা ছিলেন মিঠু, চোরবাগানে মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী

সৌমিত্র রায়। অরিত্রিক ভট্টাচার্য, কলকাতা: চোরবাগানের ঘটনায়, রাতারাতি সব শেষ। মাথায় যেন বাজ ভেঙে পড়েছে বহু পরিবারের। নিহত ২ পরিবারের সঙ্গে শুক্রবার দেখা করতে বাগমারি ও শ্য়ামপুকুরে গেলেন মুখ্য়মন্ত্রী। ২ পরিবারকেই সব রকমের সাহায্য়ের আশ্বাস দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। 

আরও পড়ুন ,“চোরবাগান কেসে ভয় পেয়েছে, কেন তমোঘ্ন ঘোষ গ্রেফতার হচ্ছে না ?”, প্রশ্ন কুণালের, পাল্টা সজল

শনিবার চোরবাগানে ঠাকুর দেখতে গিয়ে মর্মান্তিকভাবে প্রাণ চলে গেছে ১৯ জনের।এক মুহুর্তে অন্ধকার নেমে এসেছে বহু পরিবারে।সেই পরিবারগুলোর পাশে থাকার বার্তা দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।শুক্রবার, চোরবাগানে মৃত শুভম সোনকারের বাগমারির বাড়িতে এলেন শুভেন্দু অধিকারী। আর্থিক সাহায্য়ের পাশাপাশি নিহতের ভাইকে পুরসভায় চাকরির প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, পরিবারের পাশে দাঁড়ানো কর্তব্য়। সেটাই আমাদের উদ্দেশ্য় ছিল। সেইজন্য় আমরা এসেছিলাম। আমরা আমাদের সহযোগিতা করেছি। আমি নিজে কিছুটা দায়িত্ব নিয়েছি। সরকারি সহযোগিতার বাইরেও অনেকগুলো সামাজিক সংগঠন, রাজনৈতিক সংগঠনও পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে। এরপর মুখ্য়মন্ত্রী আসেন শ্য়ামপুকুরে মৃত মিঠু মণ্ডলের বাড়িতে। সেদিন চোরবাগান সর্বজনীনে ছেলের সঙ্গে ঠাকুর দেখতে গেছিলেন তিনি। তারপর সব শেষ।

চোরবাগানকাণ্ডে আরও একজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। গিরিশ পার্ক থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে পুজো কমিটির সদস্য কুশল মজুমদার ওরফে বাবু মজুমদারকে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করা হল। শুক্রবার গ্রেফতারির আগে নিজের হাতে লেখা একটি বয়ান সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন ধৃত বাবু মজুমদার। সেখানে তিনি লেখেন, দুর্ঘটনার সময় পুজো কমিটির এক সদস্য খবর দেন যে, মণ্ডপের পিছনের অংশ ভেঙে পড়েছে। তখন পুলিশ মাইকে ঘোষণা করতে বলে। সেই সময় গিয়ে দেখি, ঘোষণার দায়িত্বে যিনি ছিলেন তিনি সেখানে নেই। পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও মাইকে ঘোষণা করি। আমি বলি, আপনারা মূল মণ্ডপে প্রবেশ করবেন না। মূল মণ্ডপের অবস্থা খুব খারাপ। এত দর্শক একসঙ্গে ঢুকলে মণ্ডপের ভিত আলগা হয়ে ভেঙে যেতে পারে।   
 

মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছে। কিছু কিছু সমস্য়া আছে। পরিবার আর্থিকভাবে দুর্বল। চায়ের দোকান রয়েছে। ওঁনার (মিঠু মণ্ডল) ছেলের কিছু ব্য়বস্থা করব।  মৃত্য়ুর তো কোনও ক্ষতিপূরণ হয় না কিন্তু সরকারের কিছু দায়িত্ব থাকে।’অভাব অনটনের সংসার।অভাবের সেই সংসারে একমাত্র ভরসা ছিলেন মিঠু মণ্ডল।

Previous post

হঠাৎ দেখা…বিসর্জনের শোভাযাত্রায় আটকে পড়া অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে পথ করে দিলেন কুণাল, করলেন বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়ও

Next post

জেলমুক্তির পরই পুলিশের নোটিস, দিল্লির মন্দির মার্গ থানায় হাজিরা দিলেন ৩ CJP নেতা

Post Comment

You May Have Missed