TMC CPIM: তৃণমূল ভবনে উড়ল লাল পতাকা! চুঁচুড়ায় অবাক দৃশ্য, দাঁড়িয়ে থেকে সিপিএম নেতাদের চাবি দিলেন প্রাক্তন বিধায়ক
Last Updated:
প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার গত ১৫ বছর ধরে এই অফিসটি দলের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করেছেন৷
সোমনাথ ঘোষ, চুঁচুড়া: ছিল সিটু অফিস, ২০১১ সালে পরিবর্তনের পর সেই অফিসই হয়েছিল তৃণমূল ভবন। হুগলির চুঁচুড়ার খাদিনামোড়ের সেই তৃণমূল ভবন সিটু নেতৃত্বের হাতে ফিরিয়ে দিলেন প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার। তার পর তৃণমূল ভবনেই উড়ল লাল পতাকা৷
২০১১ সালে বাম সরকারের পতন তৃণমূল সরকার গঠনের পর খাদিনামোড়ে জিটি রোডের পাশে সিপিআইএম-এর শ্রমিক সংগঠন সিআইটিইউ- এর অফিসটি দখল করে নিয়েছিল তৃণমূল।
জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব এই অফিসে মিটিং করত। এসআইআর পর্বে তৈরি হয়েছিল তৃণমূলের ওয়ার রুম। জেলা তৃণমূলের রাজনৈতিক কার্যকলাপ চলত এই অফিস থেকেই।
২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে হুগলিতে বিজেপি জেতার পর খাদিনামোড়ের অফিসটি দখল হয়েছিল। তবে পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় সেটি পুনরুদ্ধার করে তৃণমূল।
এবারের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর ব্যান্ডেল লিচুবাগানে দখল করে রাখা অফিস ফিরিয়ে দিয়েছে তৃণমূল। আজ খাদিনামোড়ের অফিসটি সিটু নেতৃত্বের হাতে তুলে দেন প্রাক্তন বিধায়ক। যাদের অফিস তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হল বলে জানান প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অসিত।
সিপিআইএম নেতৃত্ব জানান, ‘বহুবছর ধরে এই অফিস আমাদের ছিল। বাম সরকার পরিবর্তনের পর সেই অফিস তৃণমূল দখল করে। সেই অফিস ফিরে পাওয়া আমাদের অধিকার।’
সিটু নেতা গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘তৃণমূল বলেছিল বদলা নয় বদল চাই। অথচ আমাদের অফিস দখল হয়েছিল। সেদিন আমরা রুখতে পারিনি। আজকের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অসিত মজুমদার বুঝেছেন অফিসটি ফিরিয়ে দিতে হবে।’
অসিত মজুমদার বলেন, ‘আমি অন্য ধরনের মানুষ। সব দলই থাকবে সবারই তো অধিকার আছে। আমিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দল করব। ২০২৯-এ আবার নির্বাচন আছে, পুরসভা ভোটও আছে।’
চুঁচুড়ার বিজেপি বিধায়ক সুবীর নাগ বলেন, ‘কার কখন বোধোদয় হবে বোঝা যায় না। ওই অফিসকে বিধায়ক নিজের কার্যালয় বলে দাবি করতেন। আমরা কোনওরকম দখলদারিতে বিশ্বাসী নই। যাদের যা, তাদের তা ফিরিয়ে দিলে সেটা দৃষ্টান্ত হয়।’
Kolkata,West Bengal




Post Comment