Suvendu Adhikari: পাহাড়ে সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরছেন বিমল গুরুং? এলেন শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকে, দেখা গেল রোশন গিরিকেও
Last Updated:
Suvendu Adhikari: শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘পীযুষ গোয়েল বলেছেন গাইডলাইন ফলো করলে ৩০০ কোটি টাকা পাবে। ৯০ টি বাড়ির জন্য ৩ লক্ষ বাড়ি তৈরী করার জন্য অনুমোদন দিলাম। GTA-র নিয়ে আরও কিছু অভিযোগ আছে।’’
কলকাতা: তবে কি পাহাড়ের রাজনীতিতে ফিরছেন বিমল গুরুং? শুক্রবার পাহাড়ের উন্নয়ন সংক্রান্ত বৈঠকে এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কিছুটা দূরেই বসে থাকতে দেখা গেল তাঁকে৷ উপস্থিত ছিলেন রোশন গিরিও৷ এদিন রাজু বিস্তা সহ পাহাড়ের পাহাড়ের তিন বিধায়কের সঙ্গে বৈঠক করেন শুভেন্দু৷ বৈঠকে ছিলেন বিমল গুরুং, রোশন গিরিও৷
সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘দার্জিলিং, কালিম্পঙ, কার্শিয়াং নিয়ে মিটিং ছিল। রাজু বিস্তা, তিন জন বিধায়ক এসেছেন, এনডিএ শরিক বিমল গুরুং, রোশন গিরিকেও ডেকেছিলাম। পাহাড়ে মাধ্যস্ততাকারী নিয়োগ হয়েছে৷ সেটা নিয়ে বলছি না৷ আলোচনা চলছে।’’
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে পাহাড়ের তিন বিধানসভা কেন্দ্রেই ফুটেছে পদ্ম৷ পাশাপাশি, গোটা উত্তরবঙ্গ সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে শক্ত গেরুয়া ঘাঁটি হিসাবেই পরিচিত ছিল৷ এবারের নির্বাচনে এমনকি, মাদারিহাট বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেখা গিয়েছিল লক্ষণ লিম্বুকে৷ যিনি গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার নেতা বিমল গুরুং-এর খাস লোক হিসাবে পরিচিত৷ বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর নাম ঘোষণা হওয়ার আগে বিমল গুরুং বীরপাড়ায় এসে বলে গিয়েছিলেন, গোর্খা প্রার্থী লড়বেন মাদারিহাট কেন্দ্রে।
পাহাড়ের পাশাপাশি গোটা রাজ্যজুড়ে গেরুয়া ঝড় ওঠায় তবে কি আবারও পাহাড়ের সক্রিয় রাজনীতিতে দেখা যাবে বিমল গুরুঙকে? তৈরি হচ্ছে জল্পনা৷
এদিন পাহাড়ের মানুষ যাতে সমস্ত পরিষেবা পান সে প্রসঙ্গে নেওয়া কিছু উদ্যোগ সম্পর্কে জানান শুভেন্দু৷ বলেন, ‘‘আমরা চাই পাহাড়ের মানুষ তাদের যে নাগরিক পরিষেবা সেটা তারা পাক। GTA এর জন্য ১৮০ কোটি বরাদ্দ হয়েছিল। তারা utiliation দেয়নি। এই অর্থবর্ষে ১৭০ কোটি টাকা দেওয়ার কথা বলা আছে। কিন্তু প্ল্যান না দেওয়ার জন্য হয়নি। GTA-র প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিকে বলেছি দ্রুত জন প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে পাঠাতে।’’
উত্তরবঙ্গের চা বাগান উন্নয়ন প্রসঙ্গেও কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী৷ জানান, ‘‘ উত্তর বঙ্গে ২৫ টি চা বাগান বন্ধ আছে। প্রধানমন্ত্রী ১ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ দিয়েছিল। কিন্তু তারা কমিটি করেনি বলে আগের সরকার টাকা দেয়নি। টি বোর্ড-এর ডেপুটি চেয়ারম্যান সি মুরগান কে ডেকেছিলাম তাকে আসাম এ ভিসিট করতে বলেছিলাম।’’




Post Comment