Profitable Farming: কাঠা প্রতি খরচ মাত্র দু’হাজার টাকা, আয় ছ’গুণ! এই চাষ করে ভাগ্য বদলাচ্ছেন কৃষকরা, জানুন ‘গোপন’ ফর্মুলা

Last Updated:

Profitable Farming: কাঠা প্রতি মাত্র দু’হাজার টাকা খরচে আয় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা! বর্ষা বাদে সারা বছর টমেটো চাষ করে বাম্পার লক্ষ্মীলাভ পাঁশকুড়ার কৃষকদের।ওড়িশা, বিহার, ঝাড়খণ্ডেও পাড়ি দিচ্ছে উৎপাদিত টমেটো। ফলে বাড়তি লাভ হচ্ছে কৃষকদের।

+

টমেটো চাষ করে বাড়তি লাভের মুখ দেখছেন কৃষকরা

সৈকত শী, পাঁশকুড়া: অন্যান্য সবজির চাষ ছেড়ে পাঁশকুড়ার টমাটো চাষের ওপর নির্ভরশীল হচ্ছেন কৃষকেরা। কারণ এই টমেটো অন্যান্য সবজি থেকে বেশ লাভ জনক। পাঁশকুড়ার এরাপুর, শিরোমণিচক সহ বিভিন্ন এলাকায় বিঘার পর বিঘা জমিতে উচ্চ ফলনশীল টমেটো চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন কৃষকেরা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অর্থনীতি নির্ভর করে চাষবাসের ওপর। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় পাঁশকুড়ায় ধান চাষের পাশাপাশি সারা বছর ধরে ফুল চাষ ও সবজি চাষ হয়। শীতের সময় মূলত শীতকালীন সবজি চাষ করেন কৃষকরা। টমেটো মূলত শীতকালীন সবজি। কিন্তু পাঁশকুড়ার কৃষকরা বর্ষাকাল বাদ দিয়েই সারা বছর চাষ করে লাভবান হচ্ছেন।

ওই এলাকার কৃষকদের কথায়, কাঠা পিছু টমেটো চাষের খরচ দেড় থেকে দু হাজার টাকা। উৎপাদিত টমেটো বিক্রি করে কাঠা পিছু উঠে আসে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। যা অন্যান্য সবজি চাষের ক্ষেত্রে পাওয়া যায় না। মালচিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষ হচ্ছে না। পুরনো পদ্ধতিতেই জমিতে মাটি তৈরি করার পর, দেওয়া হয় সামান্য সার। তারপর প্রায় তিন ফুট অন্তর মাদা করে লাগানো হয় টমেটো চারা। প্রতি কাঠায় ৩০০ থেকে ৩৫০ টি চারা লাগানো হয়। কার্তিক মাস থেকে শুরু করে আষাঢ় মাস পর্যন্ত টমেটো চাষ চলে। এই গ্রামগুলির প্রধান আর্থিক চাষবাস হল টমেটো। এই চাষ তাঁদের সফলতায় এনে দিয়েছে। এনে দিয়েছে দৈনন্দিন জীবনের আর্থিক সাচ্ছন্দ্য!

আরও পড়ুন: ধনতেরাসে সোনা-রুপো ছাড়া আর কী কী কিনবেন? পঞ্জিকা অনুযায়ী শুভ সময় কখন? জানুন

টমেটো চাষ করে সফলতা পাওয়া কৃষক কৃষ্ণপ্রসাদ মাইতি বলেন, “আমাদের এলাকায় বিঘার পর বিঘা জমিতে টমেটো চাষ হচ্ছে। আর এই টমেটো যাচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার বাজারের পাশাপাশি পাশাপাশি ওড়িশা ঝাড়খণ্ড বিহার সহ বিভিন্ন রাজ্যে। বছরের বর্ষাকাল বাদেই সারা বছরই টমেটো চাষ হচ্ছে। আর তাতে লাভ হচ্ছে অন্যান্য চাষের তুলনায় অনেক বেশি।” এলাকার আরও এক কৃষক বিশ্বজিৎ প্রামানিক বলেন, টমেটো পাওয়া যায় জৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত। এলাকায় মূলত সোনা ৩৮, নন্দী ও লক্ষী প্রজাতির টমেটো চাষ হচ্ছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের আর্থিক উন্নতি এই টমেটো চাষ ঘিরেই।”

আরও পড়ুন: পুরনো জামাকাপড় দিয়ে হচ্ছে দেদার ইনকাম, কোন কাজে লাগছে? জানুন ভাগ্য বদলের ‘গোপন’ ব্যবসা

কৃষকেরা চাষের জমিতেই টমেটো বিক্রি করতে পারছেন। ফলে তাদের বাজারে নিয়ে যাওয়ার সমস্যা অনেকটাই লাঘব হচ্ছে। টমেটো চাষের সঙ্গে যুক্ত কৃষকেরা জানিয়েছেন অন্যান্য চাষের তুলনায় টমাটো একটু পরিশ্রম বেশি। কিন্তু অন্যান্য চাষের তুলনায় এই চাষে লাভের অংকটাও ভালো। বিভিন্ন ধরনের চাষবাস পাঁশকুড়ার অর্থনৈতিক ভারসাম্যকে বজায় রেখেছে। কৃষকেরা চিরাচরিত চাষবাস ছেড়ে আধুনিক চাষবাসে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। শাকসবজি ফুল চাষ পাঁশকুড়ার আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছে। এবার সেই পাঁশকুড়ায় টমেটো চাষ নতুন করে পথ দেখাচ্ছে কৃষকদের। পাঁশকুড়ায় এই টমাটো চাষের কদর বাড়ছে।

Previous post

‘এগুলো এদের কাছে নস্যি, ডেলি রোজগার, ওদের মাথার এক ঘণ্টার রোজগার’, মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় কে ?

Next post

১২৫ দিনের কাজে গতি না এলে BDO-দের বদলি! ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, বড় ইঙ্গিত নবান্নে

Post Comment

You May Have Missed