Profitable Agriculture Tips: কম খরচে বিপুল লাভ, পরিচর্যাও নামমাত্র! কীভাবে সোনা মুগডাল চাষে অঢেল আয়ের সুযোগ? জানুন

Profitable Agriculture Tips: কম খরচে বিপুল লাভ, পরিচর্যাও নামমাত্র! কীভাবে সোনা মুগডাল চাষে অঢেল আয়ের সুযোগ? জানুন

Last Updated:

Profitable Agriculture Tips: প্রথাগত চাষের বাইরে গিয়ে পূর্ব বর্ধমানের পালিটিয়া গ্রামের উদয়ন ঘোষ সোনা মুগডাল চাষে এক অনন্য নজির সৃষ্টি করেছেন। কম সেচ এবং রাসায়নিক সার ছাড়াই মাত্র দুই মাসে এই ডাল চাষ করে এলাকার অন্য কৃষকদের কাছে এখন তিনি এক বড় অনুপ্রেরণা।

+

সোনা মুগডাল চাষে লাভের নয়া দিশা দেখাচ্ছেন বর্ধমানের প্রবীণ চাষি

কেতুগ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, বনোয়ারীলাল চৌধুরী: পূর্ব বর্ধমান জেলার কেতুগ্রাম ব্লকের পালিটিয়া গ্রামের প্রবীণ চাষি উদয়ন ঘোষ আবারও নজর কাড়লেন তাঁর অভিনব কৃষি উদ্যোগের মাধ্যমে। প্রায় ৮০ বছর বয়সেও নতুন ধরনের চাষাবাদে আগ্রহ হারাননি তিনি। এর আগেও বিভিন্ন ফসলের সফল চাষ করে এলাকার চাষিদের অনুপ্রাণিত করেছেন। এবার তিনি পাঁচ বিঘা জমিতে সোনা মুগডাল চাষ করে লাভজনক চাষের নতুন দিশা দেখাচ্ছেন।

উদয়ন ঘোষ জানান, তাঁদের এলাকায় সাধারণত এই ধরনের চাষ খুব একটা হয় না। তাই কিছুটা ঝুঁকি নিয়েই তিনি এ বছর সোনা মুগডালের চাষ শুরু করেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল নতুন কিছু করার পাশাপাশি অন্য চাষিদেরও এই চাষে উৎসাহিত করা। বর্তমানে তাঁর ক্ষেতের ফলন দেখে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন এলাকার বহু চাষি।তিনি জানান, সোনা মুগডাল একটি স্বল্পমেয়াদি ফসল। সাধারণত ৬০ থেকে ৮০ দিনের মধ্যেই ফসল তোলার উপযোগী হয়ে যায়। আবহাওয়া অনুকূল থাকলে ফলন আরও ভাল হয়। বিশেষ করে কম বৃষ্টিপাত ও বেশি রোদ থাকলে গাছ তুলনামূলক ছোট থাকে এবং ফলন বৃদ্ধি পায়। অতিরিক্ত বৃষ্টিতে গাছ বড় হয়ে গেলে ফলন কিছুটা কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

আরও পড়ুন: বিধায়িকা হয়েই এবার সুন্দরবনের নদীবুকে মেগা যোগ শিবিরে রেখা পাত্র! ভাসমান বোটে করলেন আসন, পড়ুয়াদের দিলেন সুস্থ থাকার টিপস

চাষের পদ্ধতি সম্পর্কে উদয়নবাবু বলেন, জমি চাষ করে বীজ ছড়িয়ে দিলেই হয়। বিশেষ কোনও রাসায়নিক সার প্রয়োগের প্রয়োজন হয় না। সেচেরও তেমন দরকার পড়ে না। শুধুমাত্র প্রয়োজন হলে সামান্য জল দেওয়া যায়। তবে চলতি মরশুমে তাঁকে সেচ দিতে হয়নি। যদিও পোকামাকড়ের আক্রমণ রুখতে তিনবার স্প্রে করতে হয়েছে। খরচের হিসাবও অত্যন্ত কম। পাঁচ বিঘা জমিতে চাষ করতে তাঁর প্রয়োজন হয়েছে মাত্র ২৫ থেকে ২৬ কেজি বীজ। প্রতি কেজি বীজের দাম ছিল ১৮০ টাকা। এছাড়া ট্র্যাক্টর খরচ হয়েছে প্রায় ২ হাজার টাকা। ফলে অন্যান্য অনেক ফসলের তুলনায় উৎপাদন খরচ অনেকটাই কম। ফলনের দিক থেকেও তিনি আশাবাদী। ইতিমধ্যেই এক বিঘা জমি থেকে এক কুইন্টালেরও বেশি উৎপাদন পেয়েছেন বলে জানান তিনি। বর্তমানে বাজারে সোনা মুগডালের দাম প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে রয়েছে। ফলে উৎপাদন খরচ কম এবং বাজারদর ভাল হওয়ায় এই চাষ অত্যন্ত লাভজনক বলে মনে করছেন তিনি।

Previous post

PoK পাকিস্তানের অংশ? ভুল মানচিত্র দেখাল আমেরিকা, মোদি বিদেশে থাকাকালীন জল-নিরাপত্তাতেও উদ্বেগ

Next post

Ayushman Bharat Yojna: সকলে নয়, শুধুমাত্র ‘এঁরা’ই পাচ্ছেন জনকল্যাণ শিবিরে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ যোজনায় আবেদনের সুযোগ, আপনি পারবেন তো?

Post Comment

You May Have Missed