Kali Puja 2026: রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের ভয়…! পুরোহিত ছাড়াই শুরু হয়েছিল আরাধনা, ধসপাড়া আদিকালী ইতিহাস চমকে দেবে
Last Updated:
Kali Puja 2026: একসময় হিংস্র বাঘের হাত থেকে বাঁচতে বটতলায় শুরু হয়েছিল পুজো! আজ সাগরদ্বীপের চার শতবর্ষ প্রাচীন ‘ধসপাড়া আদিকালী’ মন্দিরে পুজো দিতে ভিড় জমান দূরদূরান্তের মানুষ। জঙ্গল কেটে বসতি গড়ে ওঠার আগের এই পুজোর শুরু হয়।
সাগর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নবাব মল্লিক: মন্দিরের চাকচিক্য নেই খুব একটা, তবে মন্দিরের প্রাচীনত্ব ও জনশ্রুতি মন্দিরকে জনপ্রিয় করে রেখেছে এলাকায়। কথা হচ্ছে সাগরদ্বীপের আদি কালী মন্দিরকে নিয়ে। একসময় জঙ্গলের মধ্যে ছিল এই কালীমন্দির। পরে জঙ্গল হাসিল করে জনবসতি হলে এই মন্দির স্থাপিত হয়। চারশো বছর ধরে সেখানেই পূজিত হন মা কালী।
একটা সময় সাগরদ্বীপ ছিল জঙ্গলে মোড়া, রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের ছিল অবাধ রাজত্ব। জীবন বাজি রেখে কাঠ ও মধু সংগ্রহ করতে আসা সেই বিপদসঙ্কুল জঙ্গলের হিংস্র পশুদের হাত থেকে রক্ষা পেতেই কাঠুরেরা বটগাছের তলায় শুরু করেছিলেন মা কালীর আরাধনা। কালের নিয়মে সেই জঙ্গলঘেরা বটতলার পুজোই আজ সাগরদ্বীপের বিখ্যাত ‘ধসপাড়া আদিকালী মন্দির’-এ রূপান্তরিত হয়েছে।
অতীতে পুরোহিতহীন স্বহস্তে পুজোর প্রাচীন রীতি এবং পশুবলি প্রথা বন্ধ হয়ে গেলেও, সাত্ত্বিক উপায়ে চলা এই জাগ্রত মন্দিরের কৌলীন্য ও জৌলুস আজও অমলিন। প্রতি মঙ্গল ও শনিবার কয়েকশ পুণ্যার্থীর ভিড়ে মুখরিত হয় এই মহাপবিত্র তীর্থক্ষেত্র। এখন সেখানে নতুন করে উৎসবের আমেজে মাতোয়ারা সকলেই। মন্দিরটি বড় করে তৈরি করার পরিকল্পনা চলছে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। সাগরদ্বীপের প্রাচীনত্বের স্বাক্ষী এই মন্দির। এখানে পুজো দিলে অনেক সমস্যার সমাধান হয় বলে মানেন স্থানীয়রা। ফলে এই মন্দির মিথ তৈরি করেছে এলাকায়।
Post Comment