Jadavpur University: যাদবপুরে শ্লীলতাহানির অভিযোগে কড়া পদক্ষেপ, অভিযুক্তের ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধ! কী জানালেন উপাচার্য?
Last Updated:
Jadavpur University: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্লীলতাহানির গুরুতর অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য। এক শিক্ষাকর্মীর বিরুদ্ধে প্রায় ২০ মিনিট আটকে রেখে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলেছেন এক মহিলা।
কলকাতা: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ঘিরে এবার কড়া পদক্ষেপ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। অভিযুক্ত শিক্ষাকর্মীকে আপাতত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আসতে নিষেধ করা হয়েছে। পাশাপাশি গোটা ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ কমিটি বা আইসিসিকে। নিউজ এইট্টিন বাংলাকে এমনটাই জানিয়েছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য।
উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, “অভিযোগের ভিত্তিতে আইসিসিকে তদন্ত করতে বলা হয়েছে। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ হয়েছে তাকে আপাতত ক্যাম্পাসে আসতে নিষেধ করা হয়েছে। গোটা ঘটনাটি তদন্ত হচ্ছে।” অর্থাৎ অভিযোগ সামনে আসার পরই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
জানা গিয়েছে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষাকর্মীর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারিণীর দাবি, তাঁকে প্রায় ২০ মিনিট আটকে রেখে শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পরই পদক্ষেপ করা হয়েছে।
ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত শিক্ষাকর্মীকে ক্যাম্পাসে আসতে নিষেধ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে আইসিসিকে তদন্ত করতে বলা হয়েছে৷ অভিযোগকারিণীর বক্তব্যের পাশাপাশি গোটা ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষাকর্মী। তাঁর দাবি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। ফলে অভিযোগ এবং অভিযুক্তের পাল্টা দাবির মধ্যে প্রকৃত ঘটনা কী, তা তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের অভিযোগ সামনে আসায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিয়ে। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষাকর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে, গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে। আপাতত অভিযুক্ত শিক্ষাকর্মীর ক্যাম্পাসে আসার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এখন আইসিসির তদন্তে কী উঠে আসে এবং সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরবর্তী কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে। সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়

Post Comment