‘ED, CBI, STF, CID, কলকাতা পুলিশ সবাইকে লাগাও…’, BJP-কে আক্রমণে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
কলকাতা: ‘যব তক ম্যায় মরা নেই, তব তক ম্যায় হারা নেহি…’, TMCP প্রতিষ্ঠা দিবসের মঞ্চ থেকে এইভাবে বিজেপিকে (BJP) নিশানা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। গর্জে উঠে অভিষেক মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) পাশাপাশি দেশের প্রধানমন্ত্রীকেও আক্রমণ করেন। পশ্চিমবঙ্গে যে সকল মহিলারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার না পাওয়া নিয়ে অভিযোগ জানাচ্ছেন, তাঁদের হয়েও কথা বলতে শোনা যায় অভিষেককে।
ক্যাথিড্রাল রোডে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস ও রাখী বন্ধন উৎসব উদ্যাপনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “যতদিন না আমার মৃতদেহ দেখবেন, আর মৃতদেহের উপর জোড়াফুলের পতাকা দেখবেন, কোনও কথা বিশ্বাস করবেন না। আমার ১০ গুণ জেদ। যব তক ম্যায় মরা নেই, তব তক ম্যায় হারা নেহি। লড়াই তো হবে, কত ধানে কত চাল বোঝাব। তোমার ইডি, তোমার সিবিআই, তোমার কলকাতা পুলিশ, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ, এসটিএফ, সিআইডি সবাইকে লাগাও, যত ক্ষমতা আছে প্রয়োগ কর, তাও জয় বাংলা, জয় হিন্দ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ বেরবে। মাথা নত হবে না।”
২৭ আগস্ট অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্য়ামাক স্ট্রিটের TMC অফিসের বিলবোর্ড, সাইনবোর্ড খোলা হয় বিজেপির পক্ষ থেকে। এই প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, “আমার এত দাম জানতাম না। আমায় গালাগালি করার জন্য ২২ হাজার কোটি মাফ…। গতকাল অবৈধভাবে আমাদের পার্টি অফিসের বিলবোর্ড, সাইনবোর্ড খুলতে এসেছিল। গোটা কলকাতা পুলিশকে লাগিয়ে দিয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের একটা সাইনবোর্ড খুলবে বলে।”
ঋতব্রত-তৃণমূলকে আক্রমণ করে অভিষেক বলেন, “আমি বিজেপির বন্ধুদের বলব, অত্যাচার ততটাই করুন, যতটা সহ্য করার ক্ষমতা রাখবেন। কুণাল ঘোষ বলছিলেন, অভিষেক ও দলনেত্রীর কাছে আবেদন, বেইমানগুলোকে আর ফেরত নেবেন না। আমি বুক ঠুকে বলে যাচ্ছি, একজন বেইমানকেও দলে ফেরত নেওয়া হবে না। নেত্রী যা ঠিক করবেন, শিরোধার্য। কিন্তু যারা তৃণমূলের খেয়ে, পরে তৃণমূলের কর্মীদের এইসময় হাত ছেড়ে নিজেদের পিঠ বাঁচাতে বিসি গ্রুপে, আমি বালিশ-চাটা বলি না, আমি বলি বিসি, বিসি গ্রুপে নাম লিখিয়েছেন আর বিজেপির হাতে তামাক খাচ্ছেন, তাদের কিন্তু আগামীদিনে কোনও ছাড় তৃণমূল কংগ্রেস দেবে না।”
পশ্চিমবঙ্গে ডবল ইঞ্জিন সরকারকে আক্রমণ করে অভিষেক বলেন, “আমাদের সরকার ২০২৬ সালে বাজেট পরিবেশন করার এক মাসের মধ্যে ৮০ লক্ষ যুবক-যুবতীকে ১৫০০ টাকা করে যুবসাথী ভাতা দিয়েছিল। আজ ১ কোটি মহিলাকে বাদ দিয়েছে, প্রায় ৭৫ লক্ষ যুবককে বাদ দিয়ে দিয়েছে। আমরা বাংলার মানুষকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কী চাই? ডবল ইঞ্জিন? না সিঙ্গল ইঞ্জিন? মোদিজির গ্যারান্টি না দিদির ওয়ারেন্টি? বাংলার মানুষ সেই সময় বলেছিল, দিদির ওয়ারেন্টি। যে সকল ব্যক্তিরা লোভে বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন, ক্ষমতায় এলে ৩০০০ টাকা পাব, আজ তারা দেখছেন তো সমাজ মাধ্যমের ভিডিয়োগুলো? ছোটবেলায় মা-ঠাকুমারা বলত, লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু।”
Agnimitra Paul | ‘দেখেই রেগে গেছিলাম, ভেবেচিন্তে কথা বলিনি’, পার্ক স্ট্রিটের ঘটনায় অগ্নিমিত্রা
Post Comment