Calcutta High Court: ১৪৪ থেকে কোন ফর্মুলায় আসন বেড়ে ২০৯? ‘ডিলিমিটেশন’-এর জল এবার গড়াল ডিভিশন বেঞ্চে

Last Updated:

Kolkata High Court: ‘ডিলিমিটেশন’ জল গড়াল ডিভিশন বেঞ্চে৷ পুজো অবকাশে জরুরি মামলার অনুমতি দিল না ডিভিশন বেঞ্চ। পুজোর ছুটির পর মামলার শুনানি সম্ভাবনা।

কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা
কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা

কলকাতা: কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড ‘ডিলিমিটেশন’ জল গড়াল ডিভিশন বেঞ্চে। একক বেঞ্চের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে এবার হল মামলা। পুজো অবকাশে জরুরি মামলার অনুমতি দিল না ডিভিশন বেঞ্চ। পুজোর ছুটির পর মামলার শুনানি সম্ভাবনা।

বিচারপতি অরিন্দম মুখার্জির ডিভিশন বেঞ্চের মন্তব্য, ‘‘যেহেতু একক বেঞ্চে মামলাটি গৃহীত হয়েছে তাই নির্বাচন ঘোষণা হলে প্রতিমুহূর্তে আপনাদের আদালতের কাছে আসার সুযোগ রয়েছে। তাই এই মুহূর্তে আদালত মনে করছে না যে এই মামলার পূজা অবকাশকালীন বেঞ্চে জরুরি ভিত্তিতে দায়েরের প্রয়োজন রয়েছে।’’

অন্তরবর্তিকালীন নির্দেশের আবেদন করে ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আবেদনকারী দীপু দাসের আইনজীবী শামিম আহমেদ। আবেদনকারীর দাবি, ‘‘আমরা আশঙ্কা করছি ইতিমধ্যে যদি নির্বাচন ঘোষণা হয়ে যায় তাহলে আমাদের এই আবেদনের কোন গুরুত্ব থাকবে না।’’

কী নিয়ে মামলা?

কলকাতা পুরসভার ১৪৪ আসন থেকে বেড়ে হয়েছে ২০৯৷ কী ভাবে করা হয়েছে এই আসন পুনর্বিন্যাস? ডিলিমিটেশনের ভিত্তিই বা কী? প্রশ্ন তুলে মামলা দায়ের করেছেন জনৈক ব্যক্তি৷

এই মামলায় যে আবেদন করা হয়েছে, সেখানে মূলত বলা হয়েছে, এই যে কলকাতার বিভিন্ন ওয়ার্ডের পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে, এই পুনর্বিন্যাস কোনও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অবলম্বন করে করা হয়নি। কার্যত মর্জিমাফিক বা খামখেয়ালিভাবে এই পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। এটাই এই মামলার মূল বক্তব্য।

এছাড়াও মামলাকারীর বক্তব্য হল, এতদিন পর্যন্ত কলকাতা পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ড ছিল, এই ওয়ার্ডগুলিতে পরিষেবার ক্ষেত্রে কোথাও কোনও খামতি ছিল না। হঠাৎ করে ৬৫টি ওয়ার্ড বাড়ানোর যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফ থেকে, সেই সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক এবং অবৈজ্ঞানিক বলে তাঁরা মনে করছেন। তাঁদের বক্তব্য, এই যে পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে, তার ফলে এই কলকাতা পুরসভার যে বাসিন্দারা রয়েছেন তাঁরা আদৌও কোনও বাড়তি সুবিধা পাবেন না।

Post Comment

You May Have Missed