Inspiring Story: পিতৃহীন হওয়ার শোক ভুলে সমাজসেবা! ক্যানসার জয়ীদের ১ ফুট চুল দান করে অনুপ্রেরণা জোগালেন মেদিনীপুরের রাখি

Inspiring Story: পিতৃহীন হওয়ার শোক ভুলে সমাজসেবা! ক্যানসার জয়ীদের ১ ফুট চুল দান করে অনুপ্রেরণা জোগালেন মেদিনীপুরের রাখি

Last Updated:

Inspiring Story: সোশ্যাল মিডিয়ার একটি ভিডিও বদলে দিয়েছিল পশ্চিম মেদিনীপুরের তরুণী রাখি মহাপাত্রের চিন্তাভাবনা। কেমোথেরাপির ব্যথায় চুল হারিয়ে ফেলা ক্যানসার রোগীদের পাশে দাঁড়াতে নিজের প্রিয় এক ফুট লম্বা চুল কেটে দান করলেন তিনি।

ক্যানসার আক্রান্ত রোগীদের উইগ তৈরির জন্য নিজের এক ফুট লম্বা চুল কেটে দান করলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের মেকআপ আর্টিস্ট রাখি মহাপাত্র
ক্যানসার আক্রান্ত রোগীদের উইগ তৈরির জন্য নিজের এক ফুট লম্বা চুল কেটে দান করলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের মেকআপ আর্টিস্ট রাখি মহাপাত্র

দাঁতন, পশ্চিম মেদিনীপুর, রঞ্জন চন্দ: কোমর পর্যন্ত দীর্ঘ চুল প্রত্যেক মেয়ের কাছেই অত্যন্ত শখের। যত্ন করে বড় করে তোলা সেই চুল কাটতে অধিকাংশেরই মন চায় না। কিন্তু অন্যের মুখে হাসি ফোটাতে সেই শখকেই বিসর্জন দিলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতনের রাখি মহাপাত্র। ক্যানসার আক্রান্ত রোগীদের জন্য নিজের এক ফুট লম্বা চুল দান করে নজির গড়লেন এই তরুণী। সমাজের অন্যান্য তরুণীদের কাছে এক অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন। প্রত্যন্ত গ্রামে থেকেও এমন এক সাহসী সিদ্ধান্ত সবার মুখে মুখে ফিরছে।

দাঁতনের বড়বাঘড়া এলাকার বাসিন্দা রাখি পেশায় একজন মেকআপ আর্টিস্ট। দাঁতনের ভট্টর কলেজ থেকে ইতিহাসে স্নাতক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজের পছন্দের জগতেই কাজ করছেন তিনি। মেকআপ শিল্পী হওয়ার কারণে নিজের চুলের যত্নও নিতেন নিয়ম মেনে। কিন্তু তার মনের কোণে ছিল এক সুপ্ত ইচ্ছে—ক্যানসার আক্রান্তদের জন্য কিছু করার। বছর তিনেক আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক মেকআপ আর্টিস্টের একটি ভিডিও দেখেন তিনি। সেখান থেকেই জানতে পারেন, ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের কেমোথেরাপির ফলে চুল ঝরে যায়। সেই রোগীদের পাশে দাঁড়াতে নিজের চুল দান করা সম্ভব। ব্যস, এরপর থেকেই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়ে ওঠেন রাখি। তবে নিজের থেকেই সিদ্ধান্ত নেন ক্যানসার আক্রান্তদের উদ্দেশ্যে চুল দান করবেন।

আরও পড়ুন: অনুব্রতের গড়ে গভীর রাতে চাঞ্চল্য! বোলপুরের সরকারি অফিসে বিধ্বংসী আগুন, ফাইল নিয়ে চিন্তা

সম্প্রতি একটি বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে নিজের শখের প্রায় এক ফুট চুল কেটে তিনি দান করেছেন। রাখির পরিবারে মা ও দাদা রয়েছেন। দিন কয়েক আগেই পিতৃহীন হয়েছেন তিনি। ব্যক্তিগত জীবনে এমন শোকের ছায়া নেমে আসা সত্ত্বেও মানবতার খাতিরে রাখির এই সিদ্ধান্ত প্রশংসা কুড়াচ্ছে এলাকার মানুষের। এ বিষয়ে রাখি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরেই ইচ্ছে ছিল ক্যানসার আক্রান্তদের জন্য কিছু করার। ভিডিওটি দেখার পর তিন বছর ধরে ভেবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যাদের চুল লম্বা, তারা যদি নিজেদের সৌখিনতা কিছুটা সরিয়ে রেখে এই উদ্যোগ নেন, তবে ক্যানসার জয়ীদের মুখে কিছুটা হলেও হাসি ফোটান সম্ভব।”

Previous post

‘মন্ত্রী বলেই বাংলার কোচ হওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়েছি’, পেস-গুরু ডিন্ডা শোনালেন পরিকল্পনার কথা

Next post

অবরুদ্ধ পাক-অধিকৃত কাশ্মীর, খাবার-ওষুধও ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না? PoK-তে যথেচ্ছাচার পাকিস্তানের

Post Comment

You May Have Missed