বন্ধ থাকবে চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভার, মেট্রোর কাজ শেষ করার জন্য কোনদিন কখন বন্ধ থাকবে গুরুত্বপূর্ণ এই

বন্ধ থাকবে চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভার, মেট্রোর কাজ শেষ করার জন্য কোনদিন কখন বন্ধ থাকবে গুরুত্বপূর্ণ এই

কলকাতা : নিউ গড়িয়া – এয়ারপোর্ট মেট্রো করিডোরের কাজ শেষ করার জন্য মেট্রো ভায়াডাক্টের পি৩২৫ থেকে পিপি৩২৬ স্প্যানের অংশবিশেষ চালুর উদ্দেশ্যে চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভার ২৬-০৬-২০২৬ তারিখ রাত ৮টা থেকে ২৯-০৬-২০২৬ তারিখ সকাল ৮টা পর্যন্ত এবং পুনরায় সুকান্ত নগরের নিকটবর্তী বিশ্ব বাংলা সরণিতে পিপি৩২৬ থেকে পিপি৩২৭ স্প্যানের কাজের জন্য ০৩-০৭-২০২৬ তারিখ রাত ৮টা থেকে ০৬-০৭-২০২৬ তারিখ সকাল ৮টা পর্যন্ত একটানা বন্ধ থাকবে। 

পুলিশের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে, চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভার যে দিনগুলিতে বন্ধ থাকবে সেই সময় এই ফ্লাইওভার ব্যবহারকারী উত্তরমুখী সব ধরনের যানবাহনকে বেলেঘাটা মেন রোড ও ইএম বাইপাস সংযোগস্থল থেকে ব্রডওয়ের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। 

তারাতলায় হুড়মুড়িয়ে ভাঙল নির্মীয়মান গোডাউন, কীভাবে হল এমন দুর্ঘটনা? গাফিলতি কার? কী বলছেন নির্মাণ বিশেষজ্ঞরা

চিংড়িঘাটার পরে মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনে আরও একটি জট খুলে গেল। পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের কাছে ভিআইপি রোডের হলদিরাম এলাকায় কাজ করার অনুমতি পেল মেট্রো। এবার দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদী মেট্রো কর্তৃপক্ষ। চিংড়িঘাটায় মেট্রোর যে কাজ প্রায় ২ বছর ধরে আটকে ছিল, রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার পর, তা মিটেছে মাত্র ১২০ ঘণ্টায়। এবার সেই অরেঞ্জ লাইনের আরও একটি জট খুলল। 

তারাতলার গোডাউন নিয়ে হাজারও অভিযোগ, ‘মাটি পরীক্ষা হয়নি’, গোডাউন বিপর্যয়ের পিছনে কার গাফিলতি?

চিংড়িঘাটায় মেট্রোর যে কাজ প্রায় ২ বছর ধরে আটকে ছিল, রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার পর, তা মিটেছে মাত্র ১২০ ঘণ্টায়। এবার সেই অরেঞ্জ লাইনের আরও একটি জট খুলল। চিংড়িঘাটার পর VIP রোডের হলদিরাম চত্বরে কাজ করার অনুমতি পেল মেট্রো। অভিযোগ, ২ বছর আগে এই কাজের জন্য অনুমতি চাওয়া হলেও তৎকালীন রাজ্য সরকার অনমতি দেয়নি। বিজেপি সরকার আসার পরেই এই কাজের অনুমতি মিলল। রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড একটি একমুখী রাস্তা তৈরি করছে। প্রায় ১৭৫ মিটার দীর্ঘ এবং ৯ মিটার চওড়া এই রাস্তা VIP রোডকে চিনার পার্কের সঙ্গে যুক্ত করবে। মেট্রো কর্তৃপক্ষের আশা, আগামী মাসের মধ্যেই রাস্তা ব্যবহারের উপযোগী হয়ে যাবে। দীর্ঘদিন ধরে হলদিরাম উড়ালপুল সংলগ্ন এলাকায় অরেঞ্জ লাইনের শেষ দুটি পিলার নির্মাণে সমস্যা তৈরি হয়েছিল। ওই অংশে যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত না করলে, কাজ এগোনো সম্ভব হচ্ছিল না। 

Post Comment

You May Have Missed