‘রাজ্যের বাজেটে পরিকাঠামো নির্মাণে কত টাকা বরাদ্দ তার উল্লেখ নেই…’, মন্তব্য ঋতব্রতর
Last Updated:
২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের জন্য মোট ৪ লক্ষ ৩৮ হাজার ৭৭৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বাজেটে। এর মধ্যে কৃষিতে ৮,৫৬৫.৮৪ কোটি টাকা, কৃষি বিপণনে ৩৬৮.৯৯ কোটি টাকা, প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে ১,৪০৪.৪২ কোটি টাকা, অনগ্রসর শ্রেণি উন্নয়নে ২,৫৪৪.৪৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সুন্দরবন বিষয়ক কাজের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১,২৮০.০৭ কোটি টাকা। উত্তরবঙ্গ উন্নয়নে বরাদ্দ হয়েছে ১,৮২১.৫২ কোটি টাকা। সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও মাদ্রাসা শিক্ষায় বরাদ্দ হয়েছে ২,১৬৫.৪২ কোটি টাকা। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়নে ৫১,৮৩৬.৫৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। শিল্প বাণিজ্য এবং শিল্পোদ্যোগে বরাদ্দ হয়েছে ৩,২৬৬.৫৯ কোটি টাকা।
আবীর ঘোষাল, কলকাতা: বাজেট ঘোষণার পর বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, ‘‘বাজেট পেশ হয়েছে। রাজ্যের বাজেটে পরিকাঠামো নির্মাণে ফিগার নেই। পরিকাঠামো উন্নয়ন না হলে মানুষের হাতে টাকা পৌঁছবে না। টাকা পেলে ক্রয় ক্ষমতা বাড়বে। রাজ্য পরিকাঠামোর উন্নয়নের কথা বলেছে। কিন্তু কত হবে তার বরাদ্দ সেটা উল্লিখিত নেই। শিল্পে রাজ্যের হাতে কন্ট্রোল দরকার। না হলে সমস্যা হবে। মদের দোকানের ক্ষেত্রে যা হল সেটাকে সাধুবাদ জানিয়ে। চা বাগানের জমি ব্যবহার কমানোকে সাধুবাদ জানাচ্ছি। কিন্তু পরিকাঠামো উন্নয়ন খুব জরুরি। ডিএ নিয়ে ওয়েলকাম মুভ। আমরা বিরোধী দলে আছি বলে সব বিরোধীতা করব এমন নয়। তবে পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে আমাদের প্রশ্ন আছে। এয়ারপোর্ট নির্মাণ ১০ কোটি টাকায় হয় না। আমরা এটা বাজেট বক্তৃতায় বলব।’’
ঋতব্রতর পাশাপাশি এদিনের বাজেট নিয়ে আখরুজ্জামানের মন্তব্য, ‘‘সব কা সাথ, সব কা বিকাশ হল না। মাইনরিটি বাজেট কমানো মানে বিমাতৃসুলভ আচরণ। একটা সম্প্রদায়কে টার্গেট করা হচ্ছে বলে মনে করি।’’
সোমবার বিধানসভায় তাঁর বাজেট বক্তৃতায় সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০ শতাংশ মহার্ঘভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এটি কার্যকর হবে বলে জানান তিনি। এত দিন সরকারি কর্মীরা ১৮ শতাংশ হারে ডিএ পেতেন। নতুন ঘোষণা কার্যকর হলে বর্ধিত হারে সব মিলিয়ে ৩৮ শতাংশ ডিএ পাবেন রাজ্যের সরকারি কর্মীরা। এই ঘোষণার ফলে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ডিএ-র ফারাক রইল ২২ শতাংশ। রাজ্যে এক লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে। নতুন নিয়োগের ৩৩ শতাংশ পদ মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এই এক লক্ষ শূন্যপদের মধ্যে ২০ হাজার পুলিশ বিভাগে, ৫০ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করা হবে। এ ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি অফিসের শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে। যেখানে প্রযোজ্য, সেখানে ১০ শতাংশ অগ্নিবীরদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। সরকারি পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমায় ৫ বছর ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত আগেই ঘোষণা হয়েছিল। এই সুবিধা পরবর্তী ২ বছরের জন্য বহাল থাকবে বলে জানালেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত।
Kolkata,West Bengal




Post Comment