Suvendu Adhikari: ‘সব চোরেদের পাঠশালা, কালীঘাটের টালির চালা’, সই-জাল কাণ্ডে তৃণমূলকে চরম খোঁচা শুভেন্দুর, কঠোর ব্যবস্থা নেব, হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর
Last Updated:
সই জাল বিতর্কে তৃণমূলকে খোঁচা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর৷ এই কাণ্ডে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসাপরায়ণতার অভিযোগ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস৷ সেই অভিযোগ উড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানালেন তৃণমূলের ২ বিধায়ক অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়ে অভিযোগ জানান, তাঁদের সই জাল করা হয়েছে৷
কলকাতা: বিধানসভায় সই জাল করা বিতর্কে নাম না করেই তৃণমূলকে তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷ ‘আসলে সব চোরেদের পাঠশালা, কালীঘাটের টালির চালা’, সই কাণ্ডে তৃণমূলকে খোঁচা মুখ্যমন্ত্রীর৷ তৃণমূলের দুই বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতেই সই জাল কাণ্ডের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বিধানসভার অধ্যক্ষ, নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এমনটাই দাবি মুখ্যমন্ত্রীর৷
সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘তৃণমূলের দু’জন অভিযোগের ভিত্তিতে হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ করে স্পিকারের নির্দেশে। আমার অনুমোদনে ১৩ জন বিধায়ককে জিজ্ঞাসাবাদ করে সই বিশেষজ্ঞ নিয়ে। এদের মধ্যে ১ জন বিধায়ক এলাকায় না থাকার জন্য তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারিনি। এদের মধ্যে ৩ জন ভিডিও গ্রাফিতে বলে সই আমাদের নয়। বাহারুল ইসলাম বলে উনি কলকাতাতেও আসেনি। উনি ভাঙড়ে ছিলেন। এরা এত প্রতিষ্ঠিত চোর। তিন জন এমএলএ কনফেস করেছে। তারা কেন ফাঁসবেন? মালের দ্বায়িত্ব আরোহীর।’’
সই জাল কাণ্ডের তদন্তে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসাপরায়ণতার অভিযোগ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস৷ যদিও সেই অভিযোগ উড়িয়ে এ দিন মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন, তৃণমূলের বিধায়ক সন্দীপন সাহা এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়ে অভিযোগ জানান, তাঁদের সই জাল করা হয়েছে৷ সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসু৷
এ দিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘অমুকের বাড়ি তমুকের বাড়ি সিআইডি যাচ্ছে বলে আপনারা দেখাচ্ছেন৷ এতে বিজেপি অথবা সরকারের কোনও ভূমিকা নেই৷ গত ৯ মে আঞ্চলিক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক একটি চিঠি লেখেন বিধানসভার অধ্যক্ষকে৷ সেই চিঠিতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার কথা জানিয়ে চিঠি দেন৷ ১৮ মে বিধানসভার প্রধান সচিব আঞ্চলিক দলের সর্বভারতীয় সম্পাদককে দলীয় বৈঠকের মিনিটস জমা দেওয়ার জন্য চিঠি দেন৷ ২০ মে সেই চিঠির জবাব আসে৷ ২৭ মে দু’জন তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা অভিযোগ করেন যে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের জন্য ৬ মে তৃণমূলের দলীয় বৈঠকে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি৷ তাঁরা শুধুমাত্র বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য সই করেছিলেন৷ তাঁদের সই জাল করা হয়েছে৷ তৃণমূলেরই দুই বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতে অধ্যক্ষের নির্দেশে বিধানসভার সচিব হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ জানান৷ এর পর স্বরাষ্ট্রসচিবের নির্দেশে এবং আমার অনুমোদনে মামলার তদন্তভার হাতে নেয় সিআইডি৷’
Kolkata,West Bengal




Post Comment