তুলনা করা হত লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে, সঙ্গীতশিল্পীর প্রয়াণে শোকস্তদ্ধ সুরের দুনিয়া!

তুলনা করা হত লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে, সঙ্গীতশিল্পীর প্রয়াণে শোকস্তদ্ধ সুরের দুনিয়া!

কলকাতা: প্রয়াত জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী, সুমন কল্যাণপুর (Suman Kalyanpur)। আকাশবাণী থেকেই প্রথম গানের হাতেখড়ি তাঁর, পেয়েছিলেন পদ্মভূষণ সম্মান। তাঁর কণ্ঠের সঙ্গে তুলনা করা হত, লতা মঙ্গেশকরের (Lata Mangeshkar)। ৮৯ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী। বয়সজনিত কারণেই প্রয়াণ ঘটেছে তাঁর, নিজের বাড়িতেই প্রয়াত হন তিনি। রবিবার লোখান্ডওয়ালায় তাঁর নিজের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। সঙ্গীতশিল্পীর প্রয়াণে শোকাহত সঙ্গীত দুনিয়া। 

ফিরে দেখা সুমন কল্যাণপুরের সুর সফর

পাঁচ থেকে সাতের দশকের মধ্যে, একের পর এক হিট গান দর্শকদের উপহার দিয়েছেন, সুমন কল্যাণপুর। ‘বাত এক রাত কি’, ‘দিল এক মন্দির’, ‘নূরজাহান’, ‘দিল হি তো হ্যায়’, ‘জাহান আরা’, ‘পাকিজ়া’-এর মতো সিনেমা মানুষের মনে যে দাগ কেটে গিয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম ছিল, সুমন কল্যাণপুরের গান। তবে শুধুমাত্র হিন্দি নয়, বাংলাতেও একাধিক হিট গান গেয়েছেন সুমন কল্যাণপুর। ‘মনে করো আমি নেই বসন্ত এসে গেছে’ হোত বা ‘আমার স্বপ্ন দেখার দু’টি নয়ন’-এর মতো গান অমলিন হয়ে রয়েছে, সুমন কল্যাণপুরের মিঠে গলার ছোঁয়াতেই। চিরকালের মতো থেমে গেল সেই কন্ঠস্বর। জনপ্রিয় গানের পাশাপাশি, ধ্রুপদী আর রাগাশ্রয়ী গানেও অবাধ বিচরণ ছিল, সুমন কল্যাণপুর। এই ধারার জন্য তিনি একাধিক সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। 

লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে তাঁর কন্ঠের তুলনা হয়েছে বারে বারে। তবে জীবনে কোনোদিন কাউকেই অনুকরণ করেননি সুমন কল্যাণপুর। নিজের মতো করেই গানের জগতে নিজের জায়গা করে নিতে চেয়েছিলেন তিনি। করে নিয়েওছিলেন। ২০২৩ সালে পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত হয়েছিলেন, সুমন কল্যাণপুর। ২০০৯ সালে লতা মঙ্গেশকর পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছিলেন সুমন কল্যাণপুর। বাংলা থেকে শুরু করে হিন্দি, জনপ্রিয় সিনেমার গান থেকে শুরু করে রাগাশ্রয়ী গান.. সমস্ত জায়গাতেই ছিল তাঁর অবাধ বিচরণ। থেমে গেল সেই সফর।

 

 

আরও পড়ুন: Arijit Singh: মুর্শিদাবাদ থেকে জয়ী, পূর্ণমন্ত্রী হলেন গৌরীশঙ্কর ঘোষ! বললেন, ‘অরিজিৎ সিংহ কথা দিয়েছেন…’

 



Post Comment

You May Have Missed