Food safety: দিঘা, মন্দারমণিতে ভেজাল খাবারের দিন এবার অতীত, ‘অ্যাকশন মোডে’ জেলাশাসক! বাসি-পচা দিলেই ব্যবসায়ীদের কপালে দুঃখ

Food safety: দিঘা, মন্দারমণিতে ভেজাল খাবারের দিন এবার অতীত, ‘অ্যাকশন মোডে’ জেলাশাসক! বাসি-পচা দিলেই ব্যবসায়ীদের কপালে দুঃখ

Last Updated:

East Medinipur Food safety: পূর্ব মেদিনীপুরে খাবারে ভেজাল ও ক্ষতিকর উপাদান ব্যবহারের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল জেলা প্রশাসন। জেলাশাসক স্পষ্ট জানিয়েছেন, খাবারের গুণগত মান নিয়ে অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশেষ করে পর্যটনকেন্দ্রিক এলাকাগুলিতে নজরদারি আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

+

খাবারে ভেজাল নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা শাসকের

তমলুক, সৈকত শী: খাবারে ভেজাল, ক্ষতিকর রং কিংবা নকল ওষুধ, জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে কোনও রকম আপস নয়। নিমতৌড়িতে জেলা প্রশাসনিক ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন থেকে এমনই কড়া বার্তা দিলেন পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রেস্টুরেন্ট থেকে শুরু করে ছোট বড় সমস্ত খাবারের দোকানে ভেজাল বা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর উপাদান মেশানোর অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সরাসরি এফআইআর দায়ের করা হবে। পরিস্থিতি অনুযায়ী ‘খুনের’-এর মত কঠোর ধারাও প্রয়োগ করা হতে পারে।

জেলাশাসকের এই মন্তব্য ঘিরে জেলাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিশেষ করে পর্যটননির্ভর এলাকা দিঘা, মন্দারমনি, শংকরপুর কিংবা তাজপুরে দীর্ঘদিন ধরেই খাবারের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। অভিযোগ, একাধিক হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও রাস্তার ধারের খাবারের দোকানে নিয়ম না মেনে খাবার তৈরি করা হচ্ছে। কোথাও অতিরিক্ত কৃত্রিম রং, কোথাও নিম্নমানের তেল, আবার কোথাও কাপড়ে ব্যবহৃত রং পর্যন্ত খাবারে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। প্রশাসনের মতে, এই ধরনের খাবার নিয়মিত খেলে সাধারণ মানুষের শরীরে মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে।

আরও পড়ুন: নড়াচড়া করলেই খুলি উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, কালনায় নতুন দোকানে দুঃসাহসিক লুঠপাট! সিসিটিভিতে বন্দি হাড়হিম করা দৃশ্য

এই পরিস্থিতিতে সম্প্রতি ফুড সেফটি দফতর, স্বাস্থ্য দফতর এবং প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকে বসেন জেলাশাসক। বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, জেলার সমস্ত খাবারের দোকান ও রেস্টুরেন্টকে দ্রুত বৈধ রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনতে হবে। যেসব দোকানের এখনও কোনও লাইসেন্স বা রেজিস্ট্রেশন নেই সেগুলি ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে অবৈধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি বা বিক্রি করা দোকানগুলিতে বিশেষ অভিযান চালানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সাংবাদিক সম্মেলনে জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার বলেন, “খাবারে রং সহ বিভিন্ন ক্ষতিকারক জিনিস মেশানো হয়। এর ফলে মানুষের শরীর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একইভাবে ডুপ্লিকেট ওষুধ বিক্রিও বরদাস্ত করা হবে না। কেউ যদি এই ধরনের কাজ করেন, তাহলে এফআইআর হবে। প্রয়োজনে মার্ডার চার্জও লাগান হবে। সবাইকে জেলে পাঠানো হবে।” এর পরেই তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রথমে সবাইকে ভালবেসে সতর্ক করছি। এখনই সচেতন হয়ে যান। নিয়ম মেনে ব্যবসা করুন। না হলে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।” প্রশাসনের এই কড়া অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যকর্মীরা। তাঁদের মতে, পর্যটন জেলায় খাবারের গুণগত মান বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/

Food safety: দিঘা, মন্দারমণিতে ভেজাল খাবারের দিন এবার অতীত, ‘অ্যাকশন মোডে’ জেলাশাসক! বাসি-পচা দিলেই ব্যবসায়ীদের কপালে দুঃখ

Previous post

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে নাম ‘ট্রান্সফার’ হয়েছে তো…? এইভাবে ‘স্ট্যাটাস’ চেক করুন, দেখে নিন ১০ স্টেপ

Next post

‘মর্মান্তিক, হৃদয়বিদারক, যন্ত্রণার খবর, বিস্ময় লাগছে এটা মানতে এবং শুনতে’

Post Comment

You May Have Missed