Suvendu Adhikari in Siliguri: প্রত্যেক মাসে উত্তরবঙ্গে যাবেন, উন্নয়নেও অগ্রাধিকার! শিলিগুড়িতে পৌঁছে জনগণের সরকার তৈরির কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

Suvendu Adhikari in Siliguri: প্রত্যেক মাসে উত্তরবঙ্গে যাবেন, উন্নয়নেও অগ্রাধিকার! শিলিগুড়িতে পৌঁছে জনগণের সরকার তৈরির কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

Last Updated:

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথমবার শিলিগুড়িতে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷ উত্তরকন্যায় প্রশাসনিক বৈঠকও করেন তিনি৷

বাগডোগরা বিমানবন্দরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷
বাগডোগরা বিমানবন্দরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷

প্রত্যেক মাসে তিনি উত্তরবঙ্গে যাবেন৷ মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার শিলিগুড়ি পৌঁছে এ কথা জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী৷ তিনি আরও জানিয়েছেন, উত্তরবঙ্গের মানুষের সব প্রত্যাশা পূরণ করবে রাজ্যের নতুন সরকার৷

এ দিন বাগডোগরা বিমানবন্দরে পৌঁছনোর পর প্রথমে শিলিগুড়ির জেলা বিজেপি কার্যালয়ে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷ রাস্তায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগও সারেন তিনি৷

এর পর শিলিগুড়ির জেলা পার্টি অফিসে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘উত্তরবঙ্গ হল বিজেপির ভদ্রাসন। তাই এই সরকারের উন্নয়নের কাজে উত্তরবঙ্গ অগ্রাধিকার পাবে৷ মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে যে কোনও পরামর্শ দেবেন জেলা নেতৃত্বকে। নীচে ফোন নম্বর দিয়ে দেবেন । আমি যথাযোগ্য ব্যবস্থা গ্রহণ করব। জেলা নেতৃত্বের কাছে পরামর্শ দেবেন, আমার কাছে পৌঁছে যাবে। আমার অ্যাপয়েন্টমেন্ট যদি কলকাতায় চান, তাহলে বিশেষ কারণ ছাড়া আমি প্রতি সোমবার এক ঘন্টা পার্টির কার্যালয়ে থাকব, দেখা করবেন।’

এ দিন শিলিগুড়িতে গিয়েও মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘রাজ্যে কোথাও কাটমানি, সিন্ডিকেট, মাফিয়ারাজ থাকবে না৷ বিভাজনের রাজনীতিও বন্ধ করা হবে৷ পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার জনগণের সরকার হবে বলেও জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী৷

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, সঙ্কল্পপত্রে বিজেপি যা যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, নতুন সরকার আগামী এক বছরের মধ্যেই তা পূরণ করার চেষ্টা করবে৷ শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ;আগামী এক বছরের মধ্যে মানুষের কাছে দেওয়া কথা আমরা পূরণ করব । সরকারের সঙ্গে দলের সমন্বয় রক্ষা হবে । দল আমাদের প্রতীক দিয়েছে, মানুষ নির্বাচিত করেছেন। কর্মীরা এখানে অনেক অত্যাচার সহ্য করেছেন, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের বহু প্রকল্প থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে৷ অপপ্রচার করেছে বিগত রাজ্য সরকার। পাহাড়ের জনগোষ্ঠীকে বিভক্ত করা হয়েছে প্রাক্তন সরকারের তরফে। আসুন এমন একটি স্বপ্নের সরকার তৈরি করি যে সরকার এবং বিজেপি মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করবে। শুধু দলের রঙের ব্যক্তির পরিবর্তন নয়, ব্যবস্থার পরিবর্তন হোক। যে ব্যবস্থার পরিবর্তনে তোলাবাজি কাটমানি থাকবে না। আমি কথা দিচ্ছি সরকারি কাজ, উন্নয়নের কাজের পাশাপাশি সংগঠনের জন্য আমার সময় বরাদ্দ থাকবে।’

Post Comment

You May Have Missed