রোগী ভর্তি না করে ফেলে রাখার অভিযোগ, নাম জড়ায় দুর্নীতিতেও! কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের সুপারকে বদলি, বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ
Last Updated:
কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের সুপারের পদ থেকে সরানো হল ডক্টর অঞ্জন অধিকারীকে এবং নতুন সুপার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন ডঃ শান্তনু সেন। কর্তব্যে গাফিলতি, প্রশাসনিক অদক্ষতা ও করোনা কালে টসিলিজ্যুমাব অপব্যবহারের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কলকাতাঃ কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের সুপারের পদ থেকে সরানো হল ডক্টর অঞ্জন অধিকারীকে। তাঁকে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজে ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের নতুন সুপার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে জেনারেল সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডঃ শান্তনু সেনকে।
সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, ডক্টর অঞ্জন অধিকারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কর্তব্যে গাফিলতি, প্রশাসনিক অদক্ষতা-সহ একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে রাজ্যপালের নির্দেশে এই তদন্ত শুরু করা হচ্ছে বলে খবর।
ডক্টর অঞ্জন অধিকারীর বিরুদ্ধে রোগী ভর্তি না করে ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছিল। পাশাপাশি করোনা কালে বহুমূল্যের টসিলিজ্যুমাব ইনজেকশনের অপব্যবহার এবং দুর্নীতির অভিযোগও সামনে আসে। এই সমস্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতেই প্রশাসনিক স্তরে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
অন্যদিকে, নতুন সুপার হিসেবে দায়িত্ব নিতে চলেছেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের জেনারেল সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডঃ শান্তনু সেন। প্রশাসনিক কাজে গতি আনতে এবং হাসপাতালের পরিষেবা আরও উন্নত করতে এই রদবদল করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বাংলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় দীর্ঘদিনের ‘রেফার’ সংস্কৃতিতে লাগাম টানতে এবং রোগীদের ভোগান্তি কমাতে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পরই কড়া অবস্থান নেন শুভেন্দু অধিকারী। ১৫ মে,২০২৬ এই বিষয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে স্বাস্থ্য দফতরের শীর্ষ কর্তাদের পাশাপাশি কলকাতার ১২টি মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ও সুপারদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট নির্দেশ দেন, সামান্য সুযোগ-সুবিধা থাকলেও কোনও রোগীকে ফেরানো যাবে না। মুখ্যমন্ত্রী সতর্ক করে দেন যে, এক ফোনে বা প্রভাব খাটিয়ে বেড দখল করার সংস্কৃতি আর চলবে না। অগ্রাধিকার পাবেন তাঁরাই, যাঁদের চিকিৎসা পাওয়া সেই মুহূর্তে সবথেকে জরুরি।
Kolkata,West Bengal




Post Comment