পুরনো হত্যা মামলায় গ্রেফতার নবগ্রামের ব্লক তৃণমূল সভাপতি

পুরনো হত্যা মামলায় গ্রেফতার নবগ্রামের ব্লক তৃণমূল সভাপতি

নবগ্রাম : এক যুবককে খুনের অভিযোগে মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের ব্লক তৃণমূল সভাপতিকে গ্রেফতার করা হল। পুরনো খুনের মামলায় তৃণমূল নেতা মহম্মদ এনায়েতউল্লাহ্কে গ্রেফতার করা হয়েছে। ২০২৩-এ গুলি করে এক যুবককে খুনে অভিযুক্ত হন মহম্মদ এনায়েতউল্লাহ্। পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন ও খুনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছিল। কিন্তু, তিনি তৃণমূল নেতা হওয়ায় এতদিন পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেনি বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পালাবদলের পরেই গ্রেফতার নবগ্রামের ব্লক তৃণমূল সভাপতি।

এদিকে হুমকি থেকে তোলাবাজি। এরকম নানা অভিযোগে পশ্চিম বর্ধমানে গ্রেফতার হয়েছেন বুদবুদ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের উপপ্রধান। আবার হুগলির পাণ্ডুয়ার গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যকে। নারায়ণগড়ে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা।

কোথাও অত্যাচারের অভিযোগ, তো কোথায় তোলা না পেয়ে হুমকি। কোথাও আবার ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ। এরকম নানা অভিযোগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে গ্রেফতার হলেন তৃণমূলের একাধিক নেতা।

বুধবার গভীর রাতে পশ্চিম বর্ধমানের বুদবুদে, গ্রেফতার হন তৃণমূল নেতা রুদ্রপ্রসাদ কুণ্ডু ওরফে মনা। তিনি বুদবুদ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে বিরোধী দলগুলি। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ধৃত তৃণমূল নেতা। রুদ্রপ্রসাদ কুণ্ডু বলেন, “রাজনীতির শিকার। ক্লাবে ক্লাবে ঝামেলা, আমি বাড়িতে নেই ৩ তারিখ থেকে। আমাকে ফাঁসিয়ে দিল। আমি কোথাও তোলাবাজি করিনি, কেউ প্রমাণ দিতে পারবে না।”

অন্যদিকে, হুগলির পাণ্ডুয়ায় তোলা না দেওয়ায়, খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে, গ্রেফতার হয়েছেন আরেক তৃণমূল নেতা-সহ দুই জন। ধৃত কৃপাসিন্ধু ঘোষ হলেন বেলুন ধামাসিন গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য।

পুলিশ সূত্রে দাবি, ভায়রা গ্রামে মালবিকা মণ্ডল নামে একজন বাড়ি তৈরি করছিলেন। সেই সময় তাঁর কাছ থেকে কৃপাসিন্ধু ঘোষ ২ লক্ষ টাকা চান। তোলা আদায় না হওয়ায় মহিলার বাড়িতে চড়াও হয় তৃণমূল নেতার লোকজন। ভেঙে ফেলা হয় নির্মীয়মাণ বাড়ির একাংশ। প্রতিবাদ করতে গেলে খুনের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপরই পাণ্ডুয়া থানায় অভিযোগ জানান বাড়ির মালিক। এরপরই গ্রেফতার করা হয় তৃণমূল নেতা-সহ দু’জনকে। যদিও সংবাদমাধ্যমের সামনে কিছু বলতে চাননি অভিযোগকারিণী।

এদিকে, পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড়ে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে গ্রেফতার করল পুলিশ। তৃণমূলের শাসনকালে তোলাবাজি, হুমকি, বিজেপি নেতাদের মারধরের অভিযোগ ছিল রঞ্জিত বসু নামে ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে।

অন্য়দিকে, জলপাইগুড়িতে, বিজেপির বিজয় মিছিলে, পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ দাস ও তাঁর দলবল ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। সেই ঘটনায় তৃণমূল প্রার্থীর ছায়াসঙ্গী সাগর লাকড়া-সহ ৮জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

Previous post

পঞ্জাবকে হারিয়ে আইপিএল প্লে অফের দৌড় জমিয়ে দিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, সুবিধে হল কেকেআরের?

Next post

Good News For Post Office Account Holders: পোস্ট অফিসের অ্যাকাউন্ট হোল্ডারদের জন্য বড় সুখবর ! এবার বাড়িতে বসেই মিলবে নতুন পরিষেবা

Post Comment

You May Have Missed