West Bengal 1st Phase Polling: SIR, বুথে বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েও বন্ধ হল না ছাপ্পা? শিলিগুড়ি, দুর্গাপুরে ভোট দিতে এসে হতবাক তিন ভোটার

West Bengal 1st Phase Polling: SIR, বুথে বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েও বন্ধ হল না ছাপ্পা? শিলিগুড়ি, দুর্গাপুরে ভোট দিতে এসে হতবাক তিন ভোটার

Last Updated:

ভোটারদের পরিচয় যাচাই করতে প্রত্যেকটি বুথে ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ের ব্যবস্থা করেছে নির্বাচন কমিশন৷ তার পরেও উঠল ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ৷

ভোট দিতে না পারা ভোটারের সঙ্গে শিলিগুড়ির বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর ঘোষ৷
ভোট দিতে না পারা ভোটারের সঙ্গে শিলিগুড়ির বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর ঘোষ৷

নির্বাচন কমিশনের দাবি ছিল, এসআইআর-এর পর ভুয়ো ভোটার, ছাপ্পা ভোট বন্ধ হবে৷ ছাপ্পা ভোট বন্ধ করতে বুথে ভোটারদের শনাক্ত করতে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা চালু করেছে কমিশন৷ বুথে ভোটারদের চিহ্নিত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিএলও-দের৷

এত কিছুর পরেও ছাপ্পা ভোট আটকানো গেল কি না, সেই প্রশ্ন উঠছেই৷ কারণ আজ প্রথম দফার ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার পর শিলিগুড়ি এবং দুর্গাপুরে তিন জন ভোটার ভোট দিতে এসে ফিরে গিয়েছেন৷ কারণ বুথে এসে তাঁরা জানতে পারেন, তাঁদের ভোট পড়ে গিয়েছে৷

এ দিন প্রথম এই ঘটনা সামনে আসে শিলিগুড়ির ২৩৫ নম্বর বুথে৷ প্রথম বার ভোট দিতে এসেছিলেন কাজল দাস নামে এক তরুণী৷ বাবার সঙ্গে ভোট দিতে এসে কাজল বুথে পৌঁছে জানতে পারেন, তাঁর ভোট অন্য কেউ দিয়ে দিয়েছে৷

এই ঘটনা যখন ঘটছে তখন ওই বুথ থেকেই বেরোচ্ছিলেন বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর ঘোষ৷ ওই ভোটারকে নিয়ে বুথে ঢোকেন তিনি৷ ভোট কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে তিনি জানতে পারেন, সম্ভবত কাজল দাসের ভোটার স্লিপ অন্য কারও হাতে পড়ার কারণেই সম্ভবত বিপত্তি ঘটেছে৷ এই ভুল নির্বাচন কমিশনের বলে অভিযোগ করেন বিজেপি প্রার্থী৷ ওই তরুণী যাতে নিজের ভোট দেওয়ার সুযোগ পান, তার জন্য ফোনে এসডিও-র সঙ্গে কথাও বলেন বিজেপি প্রার্থী৷

সকালে এই ঘটনার পর শিলিগুড়িরই ১ নম্বর ওয়ার্ডে ফের ভোট জালিয়াতির অভিযোগ ওঠে। রাকেশ সাহানি নামে এক ব্যক্তি ভোট দিতে গিয়ে জানতে পারেন, তাঁর ভোট পড়ে গিয়েছে। স্বভাবতই ভোট দিতে না পেরে হতাশ ওই ভোটার। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দেব। তাঁর প্রশ্ন, এত কড়াকড়ির পরও কেন এমনটা হল? ওই ভোটারকে ফের ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য দাবি জানান তৃণমূল প্রার্থী৷

অন্যদিকে পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরেও ভোট দিতে এসে ফিরে যান এক বৃদ্ধা৷ দুর্গাপুরের বেনাচিতি হাইস্কুলের ৮৬ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে৷ দুর্গাপুরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা গীতা অধিকারী বুথে পৌঁছলে তাঁকে জানানো হয়, তাঁর ভোট হয়ে গিয়েছে৷ এই ঘটনার খবর পেয়েই ওই বুথে পৌঁছন তৃণমূল প্রার্থী কবি দত্ত৷ ভোটারদের এই হয়রানির জন্য নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেন তিনি৷

সহ প্রতিবেদন- অর্পণ চক্রবর্তী

Post Comment

You May Have Missed