নিয়ম ভাঙলেন মমতা, দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা না করে সকাল থেকেই ভবানীপুরের রাস্তায়, শুভেন্দু বললেন…
কলকাতা: ভোটের দিন সকাল সকাল সচরাচর বেরিয়ে পড়েন না তিনি। সাধারণত দুপুর ২টোর পরই বেরোতে দেখা যায় তাঁকে। কিন্তু বুধবার দ্বিতীয় তথা শেষ দফায় ভোটগ্রহণের দিন বেনজির ছবি সামনে এল। সকাল সকাল ভবানীপুরের বিভিন্ন বুথ ঘুরে দেখতে দেখা গেল তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আর সেই নিয়ে তাঁকে কটাক্ষ ছুড়ে দিলেন ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। মমতা বিপুল ভোটে হারতে চলেছেন বলে দাবি করলেন তিনি। (Suvendu Adhikari)
এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর হাইভোল্টেজ কেন্দ্র। সেখানে ফের মুখোমুখি লড়াইয়ে মমতা এবং শুভেন্দু। তাই সকলেরই নজর ভবানীপুরের দিকে। এমতাবস্থায় সকালে চেতলা-সহ বিভিন্ন বুথে পৌঁছে যান মমতা। কথা বলেন ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে। ভোট কেমন হচ্ছে খবর নেন। অন্য দিকে, খিদিরপুরে হনুমান মন্দিরে পুজো দেন শুভেন্দু। পরে শিবমন্দিরেও পুজো দেন তিনি। (West Bengal BJP)
সকাল সকাল মমতা বেরিয়ে পড়েছেন জেনে কটাক্ষ ছুড়ে দেন শুভেন্দু। বলেন, “ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। কোনও লাভ হবে না। বিপুল ভোটে হারবে। সব হিন্দুরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসেছেন না! কপালে তিলক লাগিয়ে।”
একদিন আগে নকল সিলিকনের আঙুল কিনে ভোটে কারচুপির পরিকল্পনা চলছে বলে অভিযোগ তুলেছিলেন শুভেন্দু। এদিন তিনি জানান, দেবলীনা বিশ্বাস কিনেছিলেন প্রায় ৭৫০টি। সব ধরা পড়ে গিয়েছে। শুভেন্দুর কথায়, “আগে কোনো নির্বাচনে কলকাতায় এমন ভোট হয়নি।”
অন্য দিকে, এদিন নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মমতা। চেতলার বুথে গিয়ে তিনি বলেন, “আমরা আদালত অবমাননার নোটিস দিয়েছি। তা সত্ত্বেও কিছু অবজার্ভার এসেছে বাইরে থেকে। বিজেপি যা বলছে তাই করছে। চক্রবেড়িয়ায় গিয়ে দেখে এসো আমাদের সব পোস্টার খুলে দিয়েছে। এভাবে ভোট হয়? ভোট তো মানুষ দেবেন, পুলিশও নয়, সিকিওরিটিও নয়। আর কয়েকজনকে নতুন এনেছে। তারা যা ইচ্ছে করছে। এলাকায় সন্ত্রাস করছে।” নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানানোর কথা উঠলে ফিরহাদ হাকিম বললেন, “ধূর, কোনও লাভ হবে না। আমরা লড়ে নেব।”



Post Comment