দাম বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের, মুদ্রাস্ফীতির শঙ্কায় দাম কমছে সোনারও!

দাম বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের, মুদ্রাস্ফীতির শঙ্কায় দাম কমছে সোনারও!

নয়া দিল্লি: সপ্তাহের শেষে মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কার প্রভাব ফের দেখা গেল সোনার দামে। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের প্রভাবে শুক্রবার সোনা ও রুপোর দাম দিনের শুরুতেই পড়ে যায় বেশ খানিকটা। মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জে এই দুই ধাতুর দামই সকল সকল পড়ে যায় বেশ খানিকটা।             

৫ জুনের সোনার ফিউচার আগের দিন বন্ধ হয়েছিল ১ লক্ষ ৫১ হাজার ৭৬১ টাকায়। আর এই দাম সকল সকল ৫৯৪ টাকা কমে যায়। তারপর দিনের শুরুতে আরও খানিকটা কমে গিয়ে ১০ গ্রামের ফিউচারের সোনার দাম দাঁড়ায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার ৭৫০ টাকায়।             

অন্যদিকে, ৫ মে -এর রুপোর ফিউচারের দামও কমে যায় বেশ খানিকটা। এটি প্রায় ১ শতাংশ বা ২ হাজার ৩১৩ টাকা কমে গিয়ে কেজি প্রতি ২ লক্ষ ৩৯ হাজার ২০০ টাকাতে পৌঁছে যায়। এদিন সর্বোচ্চ ২ লক্ষ ৪১ হাজার টাকা পর্যন্ত উঠেছিল ৫ মে -এর রুপোর ফিউচারের দাম।             

আন্তর্জাতিক বাজারেও সোনা ও রুপোর মতো ধাতুর বিক্রির চাপ দেখা যায়। COMEX -এ সোনার দাম কমে যায় ১ শতাংশ। প্রতি আউন্সে সোনার দাম কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৬৮৪ ডলার। রুপোর দামও কমে যায় প্রায় ১ শতাংশ। এ দিন রুপোর দাম দাঁড়ায় ৭৪.৮১ ডলারে।             

কিন্তু সোনার দামে এমন পতনের কারণ কী? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমেরিকান ডলার শক্তিশালী হওয়ায় বন্ড ইল্ড বেড়েছে। এ ছাড়াও পশ্চিম এশিয়ার ভূ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে সোনা ও রুপোর উপর অনেকটা চাপ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি অপরিশোধিত তেলের দাম আবার ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছে। আর সেই সব কারণেই সোনা বা রুপোর মতো ধাতুর দামে একটা প্রভাব ফেলছে।             

এ ছাড়াও এদিন অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে প্রায় ২ শতাংশ। ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম লেনদেন হচ্ছিল প্রায় ১০০ ডলারের উপরে। শুক্রবার প্রাথমিক লেনদেনে শেয়ার বাজারএর দুই বেঞ্চমার্ক সূচক সেনসেক্স ও নিফটি ৫০ পড়ে যায় ১ শতাংশের কাছাকাছি।             

Post Comment

You May Have Missed