‘অভিষেক এবং ওঁর পিসি খেই হারিয়ে ফেলেছেন’, আক্রমণ শানালেন তাপস…

কলকাতা : জন্মদিনের আগের রাতে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের বাড়ির সামনে তৈরি হল ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। পুলিশের সঙ্গে চলল তীব্র বাদানুবাদ। আর এই ঘটনার রেশ কাটার আগেই আজ দুপুরে ফের উত্তেজনা তৈরি হল মমতা-তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদের বাড়ির সামনে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি নিয়ে এবার তীব্র আক্রমণ শানালেন রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়। তিনি বললেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও ওঁর পিসি খেই হারিয়ে ফেলেছেন। কী করতে হবে, কী বলতে হবে, কখন বলতে হবে…এগুলো সমস্ত খেই হারিয়ে ফেলেছেন। যা পারছেন তাই বলছেন। যা মুখে আসছে তাই বলছেন এবং যে ধরনের কথা বা ভাষা তাঁরা ব্যবহার করছেন, সেটা কিন্তু একজন রাজনৈতিক কর্মী…তার পরে তাঁরা পদাধিকারী…সাংসদ, কেউ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ইত্যাদি প্রভৃতি…এগুলো বাংলার বুকে কখনো কেউ শোনেননি।” 

বর্তমান পরিস্থিত…

এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। গতকাল রাতের ঘটনার পর, যেহেতু ১৩ অক্টোবর থেকে ১৬৩ ধারা জারির নির্দেশ ছিল, সেই নির্দেশ লাগু করার জন্য পুলিশ উপস্থিত হয়। এদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা সাংসদের বাড়ির সামনে ফুটপাতে কেক নিয়ে আসেন। কেক কাটার প্রস্তুতি চলছিল। বেশকিছু অনুগামী সেখানে ভিড় জমিয়েছিলেন। কিন্তু, যেহেতু ১৬৩ ধারা লাগু করা হয়েছে তাই পুলিশ তাঁদের জানান এখানে কেক কাটা যাবে না। তারা বলে, কেক কাটতে হলে তাঁরা যেন বাড়ির ভিতরে গিয়ে কেক কাটেন। এই পরিস্থিতি অভিষেকের নামে স্লোগান দিতে শুরু করেন তাঁর অনুগামীরা।

বিস্ফারক অভিযোগ অভিষেকের…

অভিষেক বলেন, “রাত দেড়টা-২টোর সময় বিজেপির একদল মাতাল-গুন্ডা-উন্মাদ ২০-২৫ জন মিলে এসে আমার অফিসে হামলা করে। আমি দুপুরে আমার ফেসবুক এবং এক্স হ্যান্ডেলে একটা পোস্ট করি। যে, দুদিন ধরে আমার বাড়ির সামনে-পিছনে, এন্ট্রি পয়েন্ট-এক্সিট পয়েন্ট রেইকি করা হচ্ছে। যে বাইকে করে যে যুবক এসেছিলেন, তাঁর বাইকের নীচে পুলিশ লেখা রয়েছে। বাইকের নম্বর প্লেট রয়েছে। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, কলকাতা পুলিশ, লোকসভার অধ্যক্ষ সবাইকে ট্যাগ করে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করি। আমার ফেসবুকেও পোস্ট করি আজ দুপুরে। ১০-১২ ঘণ্টা কাটতে না কাটতে আমার বাড়িতে রাত দেড়টা-২টোর সময় আক্রমণ হয়।  এটা নতুন নয়। আমার ক্যামাক স্ট্রিট দফতরেও সকাল ৪টে-সাড়ে ৪টের সময়…যেদিন আমি কলকাতায় ছিলাম না, সেদিন তাণ্ডবলীলা চালিয়ে পুরো অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। একটা ফ্লোর প্রায় গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমার আমতলা কার্যালয় ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আজ পরিকল্পিতভাবে এরা হত্যা করার জন্য…এমনকী রিভলভার নিয়ে…আমাদের এক সহকর্মী আছেন তাপস বলে…তাঁর বুড়ো আঙুলের পাশে টিস্যু থেঁতলে গেছে। আমি স্টিচিং করার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছি। ডাক্তার বলেছেন, স্টিচিং করে সারানো যাবে না। প্লাস্টির সার্জারি করতে হবে।”

Previous post

Agnimitra Reaction: ‘আপনার জন্মদিন, আপনি নিজের বাড়িতে করুন’, অভিষেকের বিরুদ্ধে অহেতুক উত্তেজনা সৃষ্টির অভিযোগ অগ্নিমিত্রার

Next post

SSY Calculation: পোস্ট অফিসের সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনায় মাসে ৮০০০ টাকা করে রাখলে ২১ বছর পর কত রিটার্ন পাবেন ?

Post Comment

You May Have Missed