সেইফার্টের ঝোড়ো ৯৩, ফের অর্ধশতরান ফিলিপসের, শেষ ম্য়াচেও হার ভারতের
হ্যামিল্টন: সিরিজের শুরুটা জয় দিয়ে হয়েছিল। শেষটা হার দিয়ে শেষ করতে হল ভারতীয় ক্রিকেট দলকে (India Cricket Team)। পাঁচ ম্য়াচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ দুটো ম্য়াচে জয় ছিনিয়ে নিল কিউয়িরা। হ্যামিল্টনে পঞ্চম টি-টোয়েন্টি ম্য়াচে ১৯২ রান তাড়া করতে নেমে ৭ উইকেটে জয় ছিনিয়ে নিল মিচেল স্য়ান্টনারের দল। আবার অর্ধশতরান হাঁকালেন গ্লেন ফিলিপস। টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে গড়লেন একটি বিশ্বরেকর্ডও। গোটা সিরিজে সেভাবে ছাপ ফেলতে না পারলেও শেষ ম্য়াচে ঝোড়ো অর্ধশতরানের ইনিংস খেললেন টিম সেইফার্ট।
১৯২ রানের লক্ষ্যমাত্রা ছিল কিউয়িদের সামনে। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলবেন কিউয়ি ওপেনার জুটি, এটাই স্বাভাবিক ছিল। প্রথম ওভারে ভুবির বলে মাত্র ৬ রান বোর্ডে তুলতে পারলেন অ্য়ালেন ও সেইফার্ট। কিন্তু দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খেতে হল কিউয়ি শিবিরকে। অর্শদীপ সিংহ নিজে ফিরিয়ে দেন অ্য়ালেন। ড্যারেল মিচেল ১৬ বলে ২৯ রানের ইনিংস খেলে প্যাভিলিয়ন ফেরেন। নিজের ইনিংসে চারটি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন তিনি। মিচেল ফিরে গেলে ফিলিপসের সঙ্গে জুটি বাঁধেন কেকেআর তারকা।
দু’জনে মিলেই ভারতের থেকে ম্য়াচের রাশ কেড়ে নেন পুরোপুরি। এদিন ভারতের ফিল্ডিংও একেবারেই ভাল ছিল না। নমন ধীর সহজ ক্যাচ মিস করেন সেইফার্টের। যে সুযোগ দারুণভাবে কাজে লাগিয়ে কিউয়ি ওপেনার ৫০ বলে ৯৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। নিজের ইনিংসে সেইফার্ট হাঁকিয়েছিলেন ১১টি বাউন্ডারি ও ৫টি ছক্কা। ৩৮ বলে ৬৫ রান করে অপরাজিত থাকেন ফিলিপস
গ্লেন ফিলিপস এই সিরিজে ৫ ম্যাচে ৩৪৬ রান করেছেন। কোনও দ্বিপাক্ষিক টি-টোয়েন্টি সিরিজে সর্বাধিক রান করা কোনও ব্যাটারের তালিকায় এই মুহূর্তে শীর্ষে রয়েছেন এই কিউয়ি ব্য়াটার। পাঁচটি ম্য়াচের মধ্য়ে চারটি ম্য়াচেই অর্ধশতরানের ইনিংস খেলেছেন ফিলিপস।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে ভারতের ২ ওপেনার অভিষেক ও স্যামসন ব্যর্থ হন। দলকে টেনেছিলেন শ্রেয়স ও ঈশান। শ্রেয়সের চলতি সিরিজে সেভাবে ব্যাটে রান দেখা যায়নি। এই ম্য়াচটিকেই পাখির চোখ করেছিলেন তিনি। ঈশান কিষাণ চোট সারিয়ে ফিরে এসে ফের নিজের স্বভাবমতই খেললেন। ৩২ বলে ৬১ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন ঈশান। নিজের ইনিংসে পাঁচটি বাউন্ডারি ও পাঁচটি ছক্কা হাঁকান তিনি। অন্য়দিকে, ২৩ বলে ৫০ রানের ইনিংস খেলেন ভারত অধিনায়ক। শ্রেয়স নিজের ইনিংসে ৩টি বাউন্ডারি ও ৪টি ছক্কা হাঁকান। তাঁদের জন্যই মূলত দলের স্কোর ১৯১ এ পৌঁছেছিল।
Post Comment