পদত্যাগ করলেন আরও এক AI গবেষক, ভয়ঙ্কর কিছু ঘটতে চলেছে পৃথিবীতে?

নয়াদিল্লি: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI-এর বিরুদ্ধে ক্রমশ জোরাল হচ্ছে কণ্ঠস্বর। AI-এর উপর শুধুমাত্র লাগাম পরানোর দাবিই নয়, সম্পূর্ণ ভাবে AI-এর গতিরোধ করার দাবি উঠছে। AI-এর ভয়াবহত আঁচ করে সম্প্রতি Anthropic থেকে পদত্যাগ করেছেন জেকব কক্সন। এবার Google-এর DeepMind AGI সেফটি টিম থেকে সরে দাঁড়ালেন জশ এঙ্গেলস। তিনি জানিয়েছেন, ঝুঁকির মাত্রা অত্যধিক হয়ে গিয়েছে। তাই সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। (Artificial Intelligence Risks)

মাইক্রোব্লগিং সাইট X-এ Google-এর DeepMind AGI থেকে পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন জশ। জানিয়েছেন, তিন সপ্তাহ আগে পদত্যাগ করেছেন তিনি। বর্তমানে অলাভজনক সংস্থা METR-এ যোগ দিয়েছেন। AI-এর ঝুঁকি এবং সম্ভাব্য বিপদ ঠেকাতে কাজ করে ওই সংস্থা। জশ লেখেন, ‘GDM-এ নিডের কাজ উপভোগ করতাম আমি। Anthropic, OpenAI-এর অফারও ফিরিয়েছি দিয়েছিলাম। কিন্তু বিপদের আঁচ পেয়ে এই সিদ্ধান্ত নিলাম’। (AI Risks)

আরও পড়ুন: মহাকাশে যুদ্ধক্ষেত্র প্রস্তুত, মোতায়েন রয়েছে অস্ত্রশস্ত্র, শেষ পর্যন্ত মেনেই নিল আমেরিকা, এবার লড়াই হবে পৃথিবীর বাইরে?

মানুষের চেয়ে বেশি দক্ষ এবং বুদ্ধিমান AI বানানোর দৌড়ে নেমে মানবসভ্যতার জন্য বিপদ ডেকে আনা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন জশ। তাঁর কথায়, ‘আমাদের লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ার কথা ছিল AI-এর। কিন্তু যত সময় যাচ্ছে, ততই অসামঞ্জস্য চোখে পড়ছে। গত কয়েক সপ্তাহে এমন সব মডেলের কথা জানতে পেরেছি, যারা আমাদের ফাঁকি দিয়ে পরস্পরের সঙ্গে আঁতাত গড়েছে। সিস্টেম হ্যাক করেছে বিভিন্ন সংস্থার। নিজেদের কর্মকাণ্ডের চিহ্ন মুছে ফেলেছে নিজেরাই। সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে মানুষকে। আমার মনে হয়, আগামী পাঁচ বছরে AI-এর দরুণ ব্য়াপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। যথেষ্ট কারণ রয়েছে ভীত হওয়ার। ঝুঁকি এতটাই বেশি যে আমার মনে হয় বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সমস্যা এটাই’।

আরও পড়ুন: বিশুদ্ধ পানীয় জল সাংবিধানিক অধিকার নয়, বলল আমেরিকার আদালত

AI-কে নিয়ন্ত্রণ করার পক্ষে সওয়াল করেছেন জশও। তিনি জানিয়েছেন, অসামঞ্জস্যগুলি খতিয়ে দেখা দরকার। সঠিক পথে এগোচ্ছে কি না সবকিছু, মূল্যায়ন করে দেখতে হবে। AI সংস্থাগুলির জবাবদিহি করা উচিত, সমাজের সকলের সচেতন হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। ঘটনাচক্রে সম্প্রতি Anthropic থেকে পদত্যাগের সময় একই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন জেকব। তাঁর দাবি ছিল, চলতি দশকের শেষেই মানুষকে মেরে মেরে ফেলতে পারে AI. এর পর স্যাম অল্টম্যান থেকে ইলন মাস্ক, AI-এর গতিরোধ করার দাবি  সরব হয়েছেন একে একে অনেকেই।

Post Comment

You May Have Missed