জোড়াফুল প্রতীক পেলেই, NCPI সাংসদদের দলে ফেরার অনুরোধ করবেন বলে জানালেন মদন, পাল্টা দেবজিৎ
কলকাতা: পুরসভার ভোটে বিজেপি কি NCPI-এর সঙ্গে জোট করবে? এনিয়ে জল্পনার আবহে বিদ্রোহী সাংসদদের কাছে টানার চেষ্টা করছে ‘ঋতব্রত-তৃণমূল’। জোড়াফুল প্রতীক তারা পেলেই, NCPI সাংসদদের দলে ফেরার অনুরোধ করবেন বলে জানালেন মদন মিত্র।
তৃণমূলের দুই শিবিরের দড়ি টানাটানি ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর চরমে
উপনির্বাচনের আগে প্রতীক নিয়ে তৃণমূলের দুই শিবিরের দড়ি টানাটানি ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর চরমে উঠেছে। এরই মধ্যে পুরসভার ভোট ঘিরেও নানা জল্পনা চলছে। একদিকে তৃণমূলের বিদ্রোহীরা দাবি করছে, বিজেপির সঙ্গে জোট করে লড়বে তারা। NCPI যতই হাত বাড়াচ্ছে, ততই পিছিয়ে যাচ্ছে বিজেপি। বারবার আর্জি-অনুরোধ সত্ত্বেও একলা লড়ার দাবিতে বিজেপি অনড়। এই আবহে NCPI সাংসদদের ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা দিলেন ঋতব্রত তৃণমূলের বিধায়ক মদন মিত্র।
” আমরা যদি পেয়ে যাই, তাহলে প্রথম আমার আবেদন হবে, যারা NCPI-তে গেছে, সেই সাংসদদের..”
‘ঋতব্রত-তৃণমূল’ বিধায়ক মদন মিত্র বলেন,আমার বিশ্বাস জোড়াফুল নিশান ঘাসের উপর জোড়াফুল, এটা তৃণমূলের পক্ষে, ঋতব্রতর নেতৃত্বে যে তৃণমূল চলছে অর্থাৎ আমরা, আমরাই পেতে চলেছি। আমরা যদি পেয়ে যাই, তাহলে প্রথম আমার আবেদন হবে, যারা NCPI-তে গেছে, সেই সাংসদদের বলা, এসো এসো আমার ঘরে এসো। সামনের পুরসভায় বিজেপি একা লড়বে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একা লড়বেন না আমরা একা লড়ব, এটা সিদ্ধান্ত হয়ে যাবে। ৬০ জন বিধায়ক আর ২০ জন সাংসদ নিয়ে দলটা আমার ধারণা তৃতীয়, চতুর্থর মধ্যেই চলে যাবে, যদি দ্বিতীয় কোনও কারণে না হয়।
“এ ওদের নিজেদের ব্যাপার বুঝতে পারছেন তো, গড়াপেটার খেলা”
(‘কালীঘাট-তৃণমূল’) সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এ ওদের নিজেদের ব্যাপার বুঝতে পারছেন তো। গড়াপেটার খেলা। শুভেন্দু অধিকারীর একটা ডান হাত, আরেকটা বাম হাত। দুটোই রয়েছে ওদের। শুভেন্দুকে খুব শীঘ্র যখন চেঞ্জ করবে, ওটা শুভেন্দুও জানে। তাই শুভেন্দুও এই ৬০টাকে নিয়ে রেখেছে ওর সঙ্গে।যদিও এসবে আমল দিতে নারাজ বিজেপি।রাজ্য বিজেপি প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, এসব ঋত, ঘৃত, কে কী করছে আমাদের দরকার নেই।’শেষ পর্যন্ত কে কার সঙ্গে থাকে, সেদিকেই নজর সকলের।
Ritabrata Banerjee : “Mamata Banerjee দাঁড়ালে আমরা প্রার্থী প্রত্যাহার করব”, বললেন ঋতব্রত
Post Comment