‘গত ৫ বছর বিরোধীদের বলতে দেওয়া হয়নি, আর গত দেড় মাসে…’, নওশাদের নিশানার সামনে কে, আড়ালেই বা কে?

‘গত ৫ বছর বিরোধীদের বলতে দেওয়া হয়নি, আর গত দেড় মাসে…’, নওশাদের নিশানার সামনে কে, আড়ালেই বা কে?

Last Updated:

Naushad Siddiqui: ‘আগে হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু হয়নি…’, ওম বিড়লার বিধায়কদের কর্মশালা নিয়ে বললেন নওশাদ, তৃণমূল-বিজেপি দুই শাসকদলকেই ঘুরিয়ে কটাক্ষ

বিধায়কদের কর্মশালা নিয়ে কী বললেন নওশাদ
বিধায়কদের কর্মশালা নিয়ে কী বললেন নওশাদ

কলকাতা: বিধানসভার ভিতরে একজন বিধায়কের আইনি অধিকার কতটা? কোন কোন বিষয় বিধায়কদের মত নিতে সরকার বাধ্য? দলত্যাগ করলে সংসদীয় রীতিতে কি শাস্তি হতে পারে? বিধানসভার অভ্যন্তরে একজন অধ্যক্ষের ভূমিকা কি? পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিধায়কদের সেই পাঠ দিতেই লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার নেতৃত্বে রাজ্যে হাজির সাতজন ভিন্ন রাজ্যের থেকে আসা অধ্যক্ষরা।

আজ, শুক্রবার বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিধায়কদের দু’দিনের কর্মশালা উপলক্ষে যেন চাঁদের মেলা। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে কনভেনশন সেন্টারে দুদিনের কর্মশালাতে হাজির হয়েছিলেন শাসক বিরোধী দুই শিবিদের বিধায়করা। হাজির ছিলেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিও। কী বললেন কর্মশালায় এসে?

আইএসএফ বিধায়ক বলেন, “এই ধরনের কার্যক্রম আগে হয়নি আগে হওয়ার কথা ছিল কিন্তু হয়নি। তবে এই ধরনের কার্যক্রম হওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। গত পাঁচ বছর সেই অর্থে বিরোধী দলকে বলতে দেওয়া হয়নি। গত দেড় মাসে নতুন সরকার গঠনের পরেও একই ভাবেই দেখা গিয়েছে বিরোধীদলের কোনও প্রতিনিধি বলতে শুরু করলে শাসকদলের বিধায়করা চিৎকার চেঁচামেচি করেন। কিন্তু আমরা জনপ্রতিনিধি। সাধারণ মানুষের কথা বলতে দেওয়া উচিত শাসকবিরোধী সকলকে বিধানসভার ভিতরে কথা বলতে দেওয়া উচিত।”

এদিন বিধায়কদের কর্মশালার সূচনা করে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা বলেন, “এই মাটি বন্দেমাতরমের রচয়িতা, রামমোহন, রবীন্দ্রনাথ, নেতাজি, শ্যামাপ্রসাদের মাটি। জনগণের ভোটে আপনারা এসেছেন। মানুষের সমস্যার সমাধান করা আপনাদের দায়িত্ব। ১৮১ জন বিধায়ক এখানে নতুন। সংসদীয় মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখতে হবে। বিধায়কের ভূমিকা কী হওয়া উচিত, তা বুঝতে হবে। এই রাজ্যের নীতি, আইন, মানুষের চাহিদা মেটানো আপনাদের কাজ। আমরা কেন্দ্রে জনকল্যানকে গুরুত্ব দিই। আলোচনা হোক। সমাধান করুন। আপনাদের বিধানসভার গুরুত্ব বুঝতে হবে। পুরোনো বিতর্ক ও আইন নিয়ে পড়াশোনা করতে হবে। এখানকার বিধানসভার অনেক ইতিহাস। রাজ্য বিধানসভা মানুষের জীবনকে উন্নত করার কাজ করে। যত বেশি আলোচনা, চর্চা, ততই সমাধান করবেন ভাল ভাবে। সব সময় শেখার অভ্যাস রাখুন। নতুন কিছু করার আগ্রহ রাখুন। ডিজিটালের সময় এটা। সব দেখুন, জানুন। ডিজিটাল সংসদের ডিবেট গুলো দেখুন।। যত বেশি সময় বিধানসভায় বসবেন, শুনবেন, তথ্য জানবেন তত বেশি অভিজ্ঞতা হবে। নতুনদের আরও বেশি সময় দিতে হবে। এই মাটি সবসময় ঐতিহ্যের।। এই মাটির আধ্যাত্মিক চেতনা, মনীষীদের বিচারধারা, শিক্ষা এই গরিমাকে অক্ষুন্ন করতে হবে। ভারত বাংলার দিকে তাকিয়ে।”

প্রসঙ্গত, আজ শুক্রবার, প্রথম দিন কনভেনশন সেন্টারে মূলত আইনের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখানো হয়। সূত্রের খবর, শনিবার বিধানসভার অধিবেশন কক্ষেই চলবে বাকি ক্লাস। সাম্প্রতিককালে বিধায়কদের নিয়ে এই ধরনের ক্লাস নিঃসন্দেহে নজিরবিহীন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিধানসভার অভ্যন্তরে বিধায়করা এর কতটা বাস্তবায়িত করতে পারবে সেটা অবশ্য ভবিষ্যতই বলবে।

বাংলা খবর/ খবর/কলকাতা/

‘গত ৫ বছর বিরোধীদের বলতে দেওয়া হয়নি, আর গত দেড় মাসে…’, নওশাদের নিশানার সামনে কে, আড়ালেই বা কে?

Post Comment

You May Have Missed