তৃণমূলের নাম-প্রতীক ও তহবিলের রাশ থাকবে কার হাতে ? আজ কমিশনের সঙ্গে ‘ঋতব্রত-তৃণমূল’-এর বৈঠক

তৃণমূলের নাম-প্রতীক ও তহবিলের রাশ থাকবে কার হাতে ? আজ কমিশনের সঙ্গে ‘ঋতব্রত-তৃণমূল’-এর বৈঠক

বিজেন্দ্র সিংহ, কলকাতা:  তৃণমূলের গৃহযুদ্ধ এবার দিল্লির নির্বাচন সদনে। আজ বেলা ১২টায় জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে ‘ঋতব্রত-তৃণমূল’-এর বৈঠক। তৃণমূলের নাম এবং প্রতীকের আসল দাবিদার কারা? টানাপোড়েনের মধ্যেই, আজ ‘ঋতব্রত-তৃণমূল’-কে সময় দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন, আগামী দিনে কি তৃণমূল দলটাই হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের? তৃণমূলের ‘ঘাসফুল’ প্রতীকও তাঁর হাত থেকে চলে যেতে পারে? তৃণমূলের তহবিলের রাশ কার হাতে থাকবে? কী বলবে নির্বাচন কমিশন? এবার তৃণমূলের ভাগ্য নির্ধারণ করবেন মুখ্য় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।

আরও পড়ুন, বিনামূল্যের সরকারি বাসে “অনেক মহিলাই টিকিট কাটতে চান..”, জানতে পেরে এবার কোন সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীর ?

একদিকে দলের নাম, দলের প্রতীক এবং অন্যদিকে দলের ফান্ড , যেটা ইতিমধ্য়েই তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ডেবিট ফ্রিজ করে দিয়েছে পুলিশ। সেই তহবিল কার হাতে থাকবে এবং দলের নাম ও প্রতীক কার হাতে যাবে ? কে পাবে মালিকানা, নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন। মূলত প্রথম ধাপ হচ্ছে, পার্টি কার ? যার পার্টি হবে, তারই অ্যাকাউন্ট হবে। শিবসেনার ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছিল, যখন নির্বাচন কমিশন ফাইনাল অর্ডার দিল, সেখানে প্রতীক প্রদানের পাশাপাশি অ্যাকাউন্টও দিয়ে দেওয়া দেওয়া হয়েছিল। এবং নতুন পার্টিতে সেক্রেটারি কে হবেন, ঠিক করা হয়েছিল।

অন্তবর্তী নির্দেশ কী হবে ? যদি দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব চলতে থাকে এবং নির্বাচন চলে আসে,  সেক্ষেত্রে কমিশন , পার্টির সিম্বল ফ্রিজ করে দেবে। দুই গোষ্ঠীকে আলাদা নাম দিয়ে দেবে। এবং পার্টি অ্যাকাউন্টও তখন ফ্রিজ হয়ে যাবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসা অবধি তখন অপেক্ষা করতে হবে তাঁদেরকে। সেক্ষেত্রে যেটা শিবসেনার ক্ষেত্রে হয়েছিল সেটাই হবে। সেবারও দুটো আলাদা পার্টি হয়ে গিয়েছিল। দুতরফেই আলাদা প্রতীক দেওয়া হয়েছিল। সেসময় লোকসভা নির্বাচন চলে আসায়, অন্তবর্তী নির্দেশ সেটাই ছিল। চূড়ান্ত নির্দেশ এখনও আসেনি।

অপর আরেকটি বিষয় পার্টির ফান্ড ইস্যু। যখন শিবসেনার মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়েছিল, সেখানে ৫০ কোটি থেকে বেশি সেখানে টাকা ছিল। উদ্ধব ঠাকরের কাছে ট্রেজারের ছিলেন, তিনি সই করে ওই অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করে দিয়েছিলেন। পরে যখন প্রতীক এবং দল একনাথ  শিন্ডে পেয়ে যান,  তিনি দাবি করেন, যেহেতু পার্টি তাঁর কাছে চলে এসেছে, টাকাটাও তার কাছে আসা উচিত। সেই দ্বন্দ্ব এখনও চলছে। তবে ওই অ্যাকাউন্ট তার কাছে চলে এসেছে। কিন্তু সেই টাকাটা তিনি ফেরৎ পাননি।

Previous post

অদিতি মুন্সির বিরুদ্ধে নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ, গ্রেফতারি এড়াতে গেলেন হাইকোর্টে

Next post

Petrol-Diesel Price To Fall ? ৭০ ডলারের কাছাকাছি নেমে এল অপরিশোধিত তেলের দাম, এবার কি সস্তা হবে পেট্রোল-ডিজেল ?

Post Comment

You May Have Missed