রাজ্যের কোলাঘাট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিধ্বংসী আগুন ! ঘটনাস্থলে একের পর এক দমকলের ইঞ্জিন

রাজ্যের কোলাঘাট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিধ্বংসী আগুন ! ঘটনাস্থলে একের পর এক দমকলের ইঞ্জিন

বিটন চক্রবর্তী, পূর্ব মেদিনীপুর:  কোলাঘাট থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্টে বিধ্বংসী আগুন। কী কারণে এখনও স্পষ্ট জানা যায়নি। তবে স্থানীয় সূত্রে খবর, বাজ পড়ে আগুন লেগেছে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে।ঘটনাস্থলে দমকলে তিনটি ইঞ্জিন।

আরও পড়ুন, জাহাঙ্গিরের স্ত্রীর বিরুদ্ধে এবার চাঞ্চল্যকর দাবি পুলিশের, ফলতা থানায় হামলাকাণ্ডে কাদের বিরুদ্ধে FIR ?

মূলত, পূর্ব মেদিনীপুরে এদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বর্ষণ শুরু হয়। এর মধ্যে কোলাঘাটেও চলে দুর্যোগ।  বাজ পড়ার তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, সেখান থেকেই আগুন ধরে যায় বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। কোলাঘাট থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্টের ৩ নং ইউনিটে একাংশে এই আগুন লাগার ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ঘটনার পরেই রাজ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। একে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, তাই বাড়তি সতর্কতা নিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতার সঙ্গে কাজ করে দমকলের কর্মীরা। তবে বজ্রপাত ও আগুন লাগার ঘটনায় প্রকৃত কতটা পরিমাণে ক্ষতি হয়েছে, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।

কোলাঘাট থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট  রাজ্যে অন্যতম একটি বড় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগম লিমিটেড এটি পরিচালনা করে। ১৯৮৪ থেকে ১৯৯৫ সালের মধ্যে দুটি পর্যায়ে তৈরি হয় এটি। বলার অপেক্ষা রাখে না, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো এমন একটি জরুরি পরিষেবায় আগুন ধরে যাওয়াটা তাই কতটা উদ্বেগের। তবে প্রকৃতই বাজ পড়ে নাকি ঠিক কী কারণে এই স্থানে আগুন লাগল, তা ক্রমশ প্রকাশ পাবে বলেই আশা করা যায়।

সম্প্রতি আলিপুরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা পরিষদ অফিসে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পুড়ে ছাই হয়ে যায়, একাধিক সরকারি দফতর।  কারণ খতিয়ে দেখতে, চার সদস্যের Special Investigation Team গঠন করে লালবাজার।ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন SIT-এর সদস্য ও ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা।সংগ্রহ করা হয় নমুনা।প্রত্য়ক্ষদর্শীদের দাবি,  সকালে ১০ তলা এই বহুতলের ৪ তলায় প্রথম আগুন লাগে।মুহূর্তের মধ্যে বিধ্বংসী আকার নেয় আগুন।ছড়িয়ে পড়ে ৫ তলাতেও।

প্রায় ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন যখন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনে দমকল বাহিনী, তখন আচমকা বিল্ডিংয়ের ৯  তলায় আগুন দেখতে পাওয়া যায়।যা মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে ওপরের তলায়। পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার অগ্নিকাণ্ডের সময়ে, বিল্ডিংয়ে সুইপার, ক্লিনিং এজেন্ট সহ মোট ৪ জন কর্মী ছিলেন।আগুন লাগায় তাঁরা ছাদে চলে যান এবং সেখানে আটকে পড়েন।পরে তাঁদেরকে উদ্ধার করা হয়।এই ৪ জনের ভূমিকা ঠিক কী ছিল? তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Post Comment

You May Have Missed