বন্দরের জমি দখলমুক্ত করতে অভিযান ! আয় বাড়াতে জবরদখল মুক্তি চাইছে বন্দর কর্তৃপক্ষ
Last Updated:
কোথাও জমি দখল করে ঝুপড়ি। কোথাও কর্মীদের জন্য তৈরি কোয়ার্টারও জবরদখল। অভিযোগ, গত ১৫ বছরে এভাবেই বেহাত হয়েছে কলকাতা বন্দরের জমি। পালাবদলের পর কড়া বন্দর কর্তৃপক্ষ। জমি উদ্ধারে এখন গতি এসেছে।
আবির ঘোষাল, কলকাতা: তারাতলার ঘটনার পরে কড়া বন্দর কর্তৃপক্ষ। জবরদখলকারী হটাতে পুরোদস্তুর ময়দানে বন্দর কর্তৃপক্ষ। রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় পুরোদস্তুর নিজেদের জমি ফেরাতে চায় তারা। প্রয়োজনে অবৈধ স্ট্রাকচার ভেঙে ফেলা হবে।
কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় জল ও স্থল মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার একর সম্পত্তি রয়েছে বন্দরের। কলকাতা বন্দরের ১৭০.৪ একর জমি জবরদখলকারীদের কব্জায়।
শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর সূত্রে খবর, ‘শুল্ক আবদ্ধ এলাকা’য় ৪২১ একর জমি ব্যবহৃত হচ্ছে। তার বাইরের এলাকায় রয়েছে ৪,১২২ একর জমি। আর ১৭০.৪ একর জমি জবরদখল হয়ে রয়েছে। গত পাঁচ বছরে ২,৯৯৪ কোটি ৫৪ লক্ষ টাকা আয় করেছেন কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষ। গুদাম ব্যবস্থার উন্নতি, জাহাজ মেরামতি পরিষেবা এবং নদীর তীর সৌন্দর্যায়নের মাধ্যমে কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষের আয় হচ্ছে। কিন্তু আয় বাড়াতে গেলে জবরদখল সরাতে হবে।
কলকাতা বন্দরের জমি থেকে যদি জবরদখল হটানো সম্ভব হয়, তা হলে জমি তথা সম্পত্তিকে (এস্টেট) কাজে লাগিয়ে বন্দর বছরে এক হাজার কোটি টাকা আয় করতে পারবে।
প্রথম লক্ষ্য কোয়ার্টার থেকে জবরদখল সরানো। হাওড়া ও কলকাতার প্রধান অংশে গঙ্গার পাড় দখলমুক্ত করা।
তৃণমূল জমানায় কলকাতা বন্দরের জমি জবরদখলের অভিযোগ। কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় জল ও স্থল মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার একর সম্পত্তি রয়েছে বন্দরের। যার মধ্যে চিহ্নিত প্রায় ১৭৫ একর জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। কলকাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরের ৭০৬টি অংশ এখনও পর্যন্ত বেদখল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এমনই বিস্ফোরক তথ্য উঠে এসেছে জাহাজ মন্ত্রকের রিপোর্টে। তাতে বলা হয়েছে, অবৈধ নির্মাণ তৈরি হয়েছে। অবৈধভাবে পার্টি অফিস তৈরির অভিযোগ উঠেছে।
Kolkata,West Bengal
Jul 04, 2026 12:21 PM IST




Post Comment