কলকাতা পুরসভায় ফের ঘর ভাঙছে তৃণমূলের? আজই পদত্যাগ করতে পারেন দুই আধিকারিক

কলকাতা পুরসভায় ফের ঘর ভাঙছে তৃণমূলের? আজই পদত্যাগ করতে পারেন দুই আধিকারিক

কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই টালমাটাল অবস্থা। কলকাতা পুরসভাতেও ফের কি ঘর ভাঙছে তৃণমূলের? এই মুহূর্তে জল্পনা তুঙ্গে। কারণ এক বরো চেয়ারম্যান এবং এক পদাধিকারী কলকাতা পুরসভা থেকে ইস্তফা দিতে পারেন বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। আজই তাঁরা ইস্তফা দিতে চলেছেন বলে জানা যাচ্ছে। কলকাতা পুরসভায় গিয়ে মেয়র ফিরহাদ হাকিমের হাতে পদত্যাগের চিঠি তুলে দিতে পারেন। (TMC Councilors Resignation from KMC)

কলকাতা পুরসভার এক বরো চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে। কলকাতা পুরসভার অ্যাকাউন্টস কমিটির সদস্য সংখ্যা ৮। ওই কমিটির চেয়ারপার্সন মধুচ্ছন্দা দেব। তিনিই একমাত্র বিরোধী। বাদ বাকি সাত জনই তৃণমূলের। ওই সাত জনের মধ্যে এক জন ইস্তফা দিতে পারেন বলে খবর। এর আগে, বরো ৯-এর চেয়ারপার্সন দেবলীনা বিশ্বাস পদত্যাগ করেছিলেন। আজ বিকেলের দিকে এই দু’জন পদত্যাগ করতে পারেন বলে সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। (TMC News)

আরও পড়ুন: SIR-এ নাম বাদ যাওয়া মানেই কি নাগরিকত্ব বাতিল? বড় রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট

কয়েক দিন আগে ইস্তফা দিয়েছিলেন দেবলীনা। তিনি আর বরো চেয়ারপার্সনের ঘরে যাচ্ছেন না। চাবিও হ্যান্ডওভার করে দিয়েছেন। আর সেই আবহেই আরও দু’জনের পদত্যাগের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আজ বিকেলেই কলকাতা পুরসভায় পৌঁছবেন তাঁরা। মেয়র ফিরহাদ না থাকলে, পুর কমিশনারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন। 

আরও পড়ুন: প্রয়াত জনপ্রিয় অভিনেতা, কাজ করেছেন শাহরুখ খানের সঙ্গে, অসুস্থতা জানতে দেননি কাউকে

পদত্যাগ করার সময় একাধিক কারণ তুলে ধরেছিলেন দেবলীনা। তাঁর দাবি ছিল, অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের বিভিন্ন সম্পত্তিতে নোটিস যায়। সেই নিয়ে দলের তরফে চাপ দেওয়া হচ্ছিল তাঁকে। তাই সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। কিন্তু আজ যে দু’জন পদত্যাগ করবেন, তাঁদের পদত্যাগের কারণ এখনও জানা যায়নি। পদত্যাগ করে তাঁরা সংবাদমাধ্য়মে মুখ খুলতে পারেন। তবে যে ভাবে পর পর তৃণমূলের লোকজন পদত্যাগ করতে শুরু করেছেন, তাতে কলকাতা পুরসভার ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। 

শুধু কলকাতা পুরসভাতেই নয়, জেলায় জেলায় তৃণমূলের কাউন্সিলররা পদ ছাড়তে শুরু করেছেন। দলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুখ খুলতেও শুরু করেছেন অনেকে। কাঁথি পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুপ্রকাশ গিরিও দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। দলের ভরাডুবির জন্য ভোটকুশলী সংস্থা I-PAC-কে কাঠগড়ায় তুলেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, “বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে বলে ১৫ দিন চেয়ারম্যান থাকতে পেরেছি। তৃণমূল ক্ষমতায় এলে ১৫ দিনও পদে থাকতে পারতাম না। আমরা I-PAC আতঙ্কে ভুগতাম। I-PAC কেন পালিয়ে গেল? I-PAC কে সামনে রেখে পর্যালোচনা করা হোক।” এমনকি শুভেন্দু অধিকারীও I-PAC-এর জন্যই তৃণমূল ছেড়েছিলেন বলে দাবি করেছেন সুপ্রকাশ।

Post Comment

You May Have Missed