অনুমতি দেননি স্বরূপ বিশ্বাস, থামিয়ে দিতে হয়েছিল মিমির শ্যুটিং! জানালেন পরিচালক

অনুমতি দেননি স্বরূপ বিশ্বাস, থামিয়ে দিতে হয়েছিল মিমির শ্যুটিং! জানালেন পরিচালক

কলকাতা: মিমি চক্রবর্তীর (Mimi Chakraborty) শ্যুটিং পর্যন্ত থেমে গিয়েছিল, স্বরূপ বিশ্বাসের (Swarup Biswas)-এর অঙ্গুলি হেলনে! সদ্য মুক্তি পেয়েছে, মিমি চক্রবর্তীর নতুন সিরিজ, ‘ক্যুইন’ (Queens), আর সেই সিরিজের পরিচালনা করেছেন, নির্ঝর মিত্র। সিরিজের সাফল্যের পরে, সোশ্যাল মিডিয়ায় টুকরো টুকরো শ্যুটিংয়ের ঘটনা শেয়ার করে নিয়েছেন তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর সেখানেই তিনি জানিয়েছিলেন, একদিন ‘নাইট পারমিশন’ না পাওয়ার জন্য তাঁকে শ্যুটিং থামিয়ে দিতে হয়েছিল। পরিচালক জানিয়েছেন, শ্যুটিং আগেই মিটিয়ে ফেলতে বলা হয়েছিল তাঁকে কারণ, আগের দিন তিনি ২ ঘণ্টা বেশি শ্যুটিং করেছেন বলে নাকি অভিযোগ করেছেন অনেকেই। গোটা বিষয়টা সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরেছেন পরিচালক। 

স্বরূপ বিশ্বাসকে ফোন করেও মিলল না অনুমতি, বন্ধ করতে হল শ্যুটিং!

সোশ্যাল মিডিয়ায় নির্ঝর লিখেছেন, ‘দ্বিতীয় দিন। আরও কঠিন যুদ্ধ। কিন্তু সকাল থেকেই গোটা টিমের কো-অর্ডিনেশন ছিল দুর্দান্ত। ইশারায় ইশারায় কাজ হয়ে যাচ্ছিল। লাঞ্চ পর্যন্ত মনে হচ্ছিল আমরা ঠিক ছন্দটা পেয়ে গেছি। পরিকল্পনা ছিল আগের দিনের বাকি থাকা দৃশ্যগুলোও তুলে নেওয়ার। সন্ধ্যা ৮টা পর্যন্তও সেটাকে খুব একটা কঠিন দিন বলে মনে হচ্ছিল না। হঠাৎ প্রোডাকশন বেস থেকে খবর এল— ‘নাইট পারমিশন পাওয়া যায়নি।’

নির্ঝর আরও লিখেছেন, ‘সাধারণত রাত ১০টার পরে শ্যুটিং করতে হলে ফেডারেশন থেকে এই ‘নাইট পারমিশন’ নিতে হয়। আপনি শ্য়ুটিংয়ের সাত দিন আগেও যদি মেল করে আবেদন করেন, তবুও অনেক সময় সেই অনুমতি শুটিংয়ের দিন রাত ৮টার নাগাদ এসে পৌঁছয়। প্রোডাকশন ম্যানেজার একটু ভীত গলায় বলল, ‘তুমি একবার দাদাকে ফোন করে রিকোয়েস্ট করো।’ আমি শ্যুটিং থামিয়ে স্বরূপ বিশ্বাসকে ফোন করলাম। অনুরোধ করলাম। উনি জানালেন, নাইট পারমিশন দেওয়া সম্ভব নয়। অর্থাৎ, আমার যে ১৪ ঘণ্টার শুটিং পরিকল্পনা ছিল, যা সাধারণত রাত ১২টা নাগাদ শেষ হওয়ার কথা, সেটা সেদিন রাত ১০টার মধ্যেই গুটিয়ে ফেলতে হবে। কারণ উনি বললেন আমার নামে সব জায়গায় কমপ্লেন এসেছে যে আমি গতো কাল ২ ঘন্টা বেশি শুটিং করেছি।’

নির্ঝর আরও লিখেছেন, ‘যদিও সে দুই ঘন্টা র মৌখিক অনুমতি দাদার সেক্রেটারি আমাকে দিয়েছিলেন, তবুও। খুব রাগ হল, রাগে কাঁপতে কাঁপতে আমি আর কী-ই বা বলতে পারি। শুধু চিৎকার করে বললাম, ‘প্যাক আপ।’ কারণটা জেনে সবাই অবাক হয়েছিল। আমরা সবাই মনে মনে “হৌসলা বুলন্দ রহে” বলতে বলতে বাড়ি ফিরে আসলাম আর পরের দিনের প্রস্তুতি নিলাম। আশা করা যায় পরের শুটিং আর এরকম হবে না।’

 

আরও পড়ুন: Lionel Messi: ‘বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আশ্চর্যকে মাঠের মধ্যে টেনে নিয়ে তাঁর কোমর জড়িয়ে ছবি তোলা যায়?’ মেসি-ম্যাজিকের পরেই ঋদ্ধির খোঁচা

 

Previous post

Anit Thapa Resigns: ‘জিটিএ ফাইলস’ হুঁশিয়ারির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইস্তফা অনীত থাপার, পাহাড়ে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে

Next post

East Medinipur News: একসময় গ্রামীণ অর্থনীতির লাইফলাইন ছিল এই ক্যানাল, মজে গিয়েছিল কচুরিপানায়! ভোলবদল করতে বরাদ্দ মোটা টাকা

Post Comment

You May Have Missed