Nadia News: সীমান্তে শয়ে শয়ে মানুষের ভিড়! কিন্তু, নদিয়ার হোল্ডিং সেন্টারে কেন শুধুই একজন?
Last Updated:
নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগর পুলিশ-এর উদ্যোগে ভীমপুরে একটি অস্থায়ী হোল্ডিং সেন্টার চালু করা হয়েছে। ভীমপুর থানার অন্তর্গত ভীমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি কক্ষে বর্তমানে এই সেন্টারটি পরিচালিত হচ্ছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত সেখানে একজন বাংলাদেশি নাগরিককে রাখা হয়েছে।
সূত্রের খবর, ভবিষ্যতে ভীমপুর এলাকার একটি কমিউনিটি হলকে স্থায়ী হোল্ডিং সেন্টারে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো এখনও সম্পূর্ণ তৈরি না হওয়ায় আপাতত ভীমপুর গ্রাম পঞ্চায়েত ভবনের নিচতলার একটি দুই শয্যাবিশিষ্ট ঘরকে সিসিটিভি নজরদারির আওতায় এনে অস্থায়ী হোল্ডিং সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
ভীমপুর, নদিয়া, মৈনাক দেবনাথ: নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার উদ্যোগে ভীমপুরে তৈরি করা হয়েছে একটি অস্থায়ী হোল্ডিং সেন্টার। কৃষ্ণনগর-১ নম্বর ব্লকের ভীমপুর থানার অন্তর্গত ভীমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি ঘরে বর্তমানে এই হোল্ডিং সেন্টার চালু রয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত সেখানে একজন বাংলাদেশি নাগরিককে রাখা হয়েছে। জানা গেছে, ভীমপুর এলাকায় একটি কমিউনিটি হলকে স্থায়ী হোল্ডিং সেন্টার হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে সেই পরিকাঠামো এখনও পুরোপুরি প্রস্তুত না হওয়ায় ভীমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভবনের নিচতলায় দুটি বেড বিশিষ্ট একটি ঘরকে সিসিটিভি নজরদারির আওতায় এনে অস্থায়ী হোল্ডিং সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে সেখানে থাকা ব্যক্তির নাম আনামুল হক। তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন যে তাঁর বাড়ি বাংলাদেশে। ওই ব্যক্তির দাবি, কোনও এক ঝড়ের সময় দিনাজপুর সীমান্ত এলাকা দিয়ে অজান্তেই তিনি ভারতে প্রবেশ করেন। এরপর প্রায় এক মাস ধরে বিভিন্ন রেলস্টেশন ও অন্যান্য জায়গায় ঘুরে বেড়ানোর পর প্রশাসনের নজরে আসেন তিনি। যদিও প্রশাসন সূত্রে জানা যায় পুলিশ ও বিএসএফের তত্ত্বাবধানে ওই ব্যক্তিকে বাংলাদেশে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ভীমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পূজা দাস মণ্ডল জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি ঘর চাওয়া হলে তারা তা ব্যবহারের জন্য দিয়েছেন। বর্তমানে সেখানে একজন বাংলাদেশি নাগরিককে রাখা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে তাঁর বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা সম্পূর্ণ প্রশাসনের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে বলে তিনি জানান।
অন্যদিকে, ভীমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান বাপ্পাদিত্য বিশ্বাস বলেন, আপাতত পঞ্চায়েত ভবনের নিচতলায় একটি ঘর প্রশাসনকে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এলাকার কমিউনিটি হল সংস্কার করে প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে সরকারের এই উদ্যোগকে তাঁরা স্বাগত জানাচ্ছেন এবং প্রশাসনের পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন।
প্রসঙ্গত, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় হোল্ডিং সেন্টার এবং সীমান্ত এলাকায় একাধিক বাংলাদেশি নাগরিকের সন্ধান মিললেও নদিয়ার গেদে ও ভীমপুর অঞ্চলে সেই সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গেদে সীমান্ত দিয়ে বর্তমানে মূলত ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রেল যোগাযোগই বেশি সক্রিয়। পায়ে হেঁটে সীমান্ত পারাপারের ঘটনা আগের তুলনায় অনেকটাই কমে গিয়েছে। ফলে এই এলাকায় বাংলাদেশি নাগরিকদের আনাগোনাও তুলনামূলকভাবে সীমিত। সেই কারণেই ভীমপুরের হোল্ডিং সেন্টারে বর্তমানে মাত্র একজন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।
Nadia,West Bengal




Post Comment