Koustav Bagchi: ‘ব্যারাকপুর অর্জুন সিং-এর নয়, আবার..,’ উত্তম দাসের বাড়িতে পৌঁছল মিষ্টির হাঁড়ি, যা বললেন কৌস্তভ বাগচি
Last Updated:
Koustav Bagchi: প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে টিটাগড়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে গুলি করে খুন করা হয় বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লকে। আর সেই খুনের মামলা নিয়েই সরব হয়েছেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক।
কলকাতা: সোমবার তাঁর বলা কথায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছিল বাংলার রাজনৈতিক মহলে৷ সাংবাদিক বৈঠকে কার্যত নিজের দলেরই মন্ত্রী অর্জুন সিং-কে বার্তা দিয়েছিলেন, কিছু ছবি প্রকাশ্যে উঠে আসছে, যা ঠিক ভাল দেখাচ্ছে না৷ তারপরেও অবশ্য ব্যারাকপুরের প্রাক্তন চেয়ারম্যান যে উত্তম দাস ও প্রশান্ত চৌধুরীকে নিয়ে তাঁর ক্ষোভ, তাঁদের বাড়িতে মিষ্টির হাঁড়ি পৌঁছে যাচ্ছে স্থানীয় বিজেপি নেতাদেরই হাত ধরে৷ তারপরে আজ এ নিয়ে কী বললেন কৌস্তভ বাগচি?
এদিন এ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি আবারও বলেন, এটা তার ব্যক্তিগত কথা নয়, তাঁর দলের সাধারণ কর্মকর্তাদের আবেগের কথা৷ তিনি বলেন, ‘‘আমাকে দলের তরফেও আশ্বস্ত করা হয়েছে যে এরকম কোনও যোগদান হবে না৷ কারণ, দলও এদের সম্পর্কে ওয়াকিবহাল৷ কারণ এঁরা মণীশ শুক্লা মামলায় আসামি৷ এই ছবিটা ভাল নয়৷’’
কৌস্তভ বাগচি বলেন, ‘‘অর্জুনবাবু আমাদের নেতা৷ প্রাজ্ঞ রাজনীতিক৷ কয়েকটা ছবি খারাপ লেগেছে, সেটা বলেছি৷ বাকি ওঁকে নিয়ে ক্ষোভের জায়গা নেই৷ আমি জনগণের প্রতি কমিটেড৷ আমি যখন ভোট প্রচারে গিয়েছি উত্তম দাস, প্রশান্ত চৌধুরীদের বিরুদ্ধে কথা বলেই ভোট পেয়েছি৷ জনগণ এঁদের পছন্দ করেনি বলেই ভোট দিয়েছে৷’’
আজ উত্তম দাসের বাড়িতে যান বিজেপির প্রতিনিধি দল। তাঁরা উত্তম দাসের সাথে সৌজন্য বিনিময় করেন। মিষ্টির হাঁড়ি তুলে দেন৷ কৌস্তভ বাগচিকে এ নিয়ে কথা বললে তিনি বলেন, ‘‘এটা পাগলামি৷ যাঁরা এটা করছেন, তাঁরা নিজেরাই বুঝতে পারছেন না, তাঁদের পাশের বাড়ির লোকই ছি ছি করবে৷ কুছ তো লোগ কহেঙ্গে। লোগো কা কাম হি কহেনা….৷ ব্যারাকপুর অর্জুন সিং-এর নয়, আবার কৌস্তুভ বাগচিরও নয়৷ ব্যারাকপুর মঙ্গল পাণ্ডে, সুরেন্দ্রনাথ, বিভূতি-ভূষণের।’’
বছর ছ’য়েক আগে উত্তর ২৪ পরগনার টিটাগড়ে এক বিজেপি নেতাকে গুলি করে খুনের মামলাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের মন্ত্রী অর্জুন সিংকে নিশানা করলেন পদ্ম শিবিরেরই বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী। আর এই বিষয় নিয়েই এবার রাজনৈতিক পারদ চড়ছে। ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভের আফসোস তাঁর দলের নেতার সঙ্গেই ছবি তুলেছেন নিহত বিজেপি নেতার হত্যাকারীরা।
আর তাঁদের দলে নেওয়া যাবে না বলে কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়ে দিলেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক। যদি প্রয়োজন হয় তিনি বিজেপির রাজ্য দফতরের সামনে গিয়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যা করবেন বলেও জানান কৌস্তভ। পরে অবশ্য কথা ফিরিয়ে নেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক৷

Post Comment