Asit Mazumdar on Rachana Banerjee: ‘মেক আপ ছাড়া ফেস ভ্যালুটা দেখান, রাম-শ্যাম-যদু-মধু দাঁড়ালেও হুগলিতে জিতত!’ রচনাকে পাল্টা দিলেন অসিত

Asit Mazumdar on Rachana Banerjee: ‘মেক আপ ছাড়া ফেস ভ্যালুটা দেখান, রাম-শ্যাম-যদু-মধু দাঁড়ালেও হুগলিতে জিতত!’ রচনাকে পাল্টা দিলেন অসিত

Last Updated:

রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ করে অসিত বলেন, ‘আম, জাম৷ বেলপাতা নিয়ে উনি হুগলির প্রার্থী হোক এক হাজার ভোট পাবেন না।’

রচনাকে তীব্র আক্রমণ অসিতের৷
রচনাকে তীব্র আক্রমণ অসিতের৷

সোমনাথ ঘোষ, চুঁচুড়া: তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আক্রমণের জবাব দিতে গিয়ে হগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, তাঁর পরিচিত এবং জনপ্রিয়তাকে ব্যবহার করেছে তৃণমূল৷ এবার হুগলির সাংসদকে পাল্টা দিলেন চুঁচুড়ার প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার৷ এনসিপিআই দলে যোগ দেওয়া রচনাকে অসিতের কটাক্ষ, মেক আপ ছাড়া নিজের ফেস ভ্যালুর প্রমাণ দিন রচনা৷

শুধু তাই নয়, রচনাকে কটাক্ষ করে অসিত মজুমদারের আরও দাবি, হুগলিতে তৃণমূলের প্রতীক এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ সামনে রেখে রাম-শ্যাম-যদু-মধুকে দাঁড় করালেও লোকসভা নির্বাচনে জিতে যেত৷ তৃণমূলের প্রতীক ছেড়ে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে ফের ভোটে লড়ার জন্যও রচনাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সভাপতি অসিত৷

রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে অসিত বলেন, ‘মেকআপ ছাড়া ওনার ফেস ভ্যালুটা একবার দেখান না, ওনার কত ফেস ভ্যালু। না সেজে সকালবেলা নিজের ফেসটা দেখাবেন মানুষকে। তাহলেই কী ফেস ভ্যালু বোঝা যাবে।’

বিধানসভা নির্বাচনের আগেও রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে চুঁচুড়ার তৎকালীন বিধায়ক অসিত মজুমদারের সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছিল৷ সেই সময় কোনওক্রমে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছিল তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব৷ আসরে নেমেছিলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এবার রচনার সঙ্গে তৃণমূলের দূরত্ব বাড়তেই হুগলির সাংসদকে বেলাগাম আক্রমণ করলেন অসিত৷

অসিত বলেন, ‘উনি এতদিন কিছুই বুঝতে পারেননি৷ দিল্লির জল খেয়ে মোদিকে চিনে ফেলেছেন৷ দিদি নাম্বার ওয়ান হাতছাড়া হয়েছে, তাই কান্নায় ভেঙে পড়ে নাটকবাজি করছেন। রচনা বলে নয়, হুগলি লোকসভা থেকে রাম, শ্যাম, যদু, মধু যেই দাঁড়াতো তৃণমূলের প্রতীক ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নিয়ে, সেই জিততো।’

হুগলির সাংসদের বিরুদ্ধে দলবাজির অভিযোগও তুলেছেন অসিত মজুমদার৷ তাঁর অভিযোগ, ‘এই চুঁচুড়ায় কোনও গ্রুপবাজি ছিল না। রচনা এসে গ্রুপ বাজি করে তৃণমূল কংগ্রেসকে ধ্বংস করেছেন। উনি চলে যাওয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাপমোচন হয়েছে। হুগলির সাংসদকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নখের যোগ্য নন। সৎ সাহস থাকলে সংসদ তহবিলের টাকার তদন্ত করা হোক। আগে সাংসদ তহবিলের কাজের খতিয়ান দিক উনি। ন্যাকা ন্যাকা কথা বলে দিদি নাম্বার ওয়ান চলে গিয়েছে বলে কেঁদে লাভ নেই। ওঁর পাপের জন্যই দিদি নাম্বার ওয়ান থেকে ওনাকে তাড়িয়েছে।’

Post Comment

You May Have Missed