Agriculture News: আলুতে ক্ষতিতে নাজেহাল! হঠাৎ এই চাষে ঝুঁকেই লাভের মুখ দেখছেন বীরভূমের কৃষকেরা—জানেন কী সেই ফসল?
Last Updated:
আলু চাষে ক্ষতির মুখে পড়ে বীরভূমের কৃষকেরা এখন ভুট্টা চাষে ঝুঁকছেন এবং লাভের আশা দেখছেন। সঠিক পদ্ধতিতে চাষ করলে ভুট্টা এখন হয়ে উঠছে তাঁদের নতুন ভরসা।
বীরভূম, সৌভিক রায়: মাস কয়েক আগেই বড় ধাক্কা খেয়েছেন বীরভূম জেলার চাষিরা। বিশেষ করে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল আলু চাষের ক্ষেত্রে। আলু চাষে দেদার ফলন হওয়ার পরেও কার্যত সেই আলুর দাম না পাওয়ায় সমস্যার মধ্যে পড়েছিলেন চাষিরা। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সম্মুখীন হয়েছিলেন সেই মুহূর্তে চাষিরা হয়তো এখনও পর্যন্ত সেই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেননি সেই সমস্ত কৃষকেরা।
আর সেই কারণেই সেই সমস্ত কৃষকেরা বেছে নিচ্ছেন একদম অন্য ধরনের চাষ যে চাষ করে অন্ততপক্ষে ক্ষতির সম্মুখীন না হলেও কিছুটা হলেও লাভের মুখ দেখতে পারবেন। তবে, এবার আপনার মনে প্রশ্ন থাকতে পারে কী সেই চাষ! সেই চাষ হচ্ছে ভুট্টা চাষ। মূলত এই সময় ভুট্টা চাষ করে ব্যাপক লাভের মুখ দেখছেন বীরভূম জেলার চাষিরা।
সুনিষ্কাশিত বেলে-দোআঁশ বা দোআঁশ মাটিতে অক্টোবর থেকে জানুয়ারি মাসে আধুনিক জাতের এর পাশাপাশি মার্চ এপ্রিল মাসের মধ্যবর্তী সময়ে ছোট জাতের ভুট্টা চাষ করা হয়ে থাকে। বীজ প্রতি গর্তে ১টি করে, সারি থেকে সারি ৬০ সেমি এবং চারা থেকে চারা ২৫ সেমি দূরত্বে এবং ৩-৫ সেমি গভীরে বপন করতে হয়। এই ভুট্টা চাষ করার জন্য জমিতে যখন বীজ দেওয়া হয় তখন জমিতে স্বল্প পরিমাণ জল থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন। প্রত্যেক হেক্টর প্রতি ২০-২৫ কেজি বীজ প্রয়োজন। সারিতে গভীরতা ৩-৫ সেমি হওয়া উচিত।
তবে এবার প্রশ্ন কবে কবে ভুট্টা চাষ করা যেতে পারে। বছরের প্রায় সকল সময়েই ভুট্টা চাষ করা যায়। খারিফ, রবি, গ্রীষ্মকালীন ফসল হিসাবে বিভিন্ন জাতের ভুট্টা পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় চাষ হয়ে থাকে। খারিফ চাষের জন্য ১৫ জুন-১৫ জুলাই (আষাঢ়), রবি চাষের জন্য ১৫ অক্টোবর- ১৫ নভেম্বর ( কার্ত্তিক) এবং গ্রীষ্মে সেচের জলে চাষের জন্য ১৫ ফেব্রুয়ারী – ১৫ মার্চ (ফাল্গুন) মাসে ভুট্টা জমির অবস্থান ও আগের পরের ফসলের কথা ভেবে লাগানো হয়। এক বিঘা জমিতে আধুনিক হাইব্রিড জাতের ভুট্টা চাষ করে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা বা তার বেশি লাভ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
Birbhum,West Bengal



Post Comment