বর্তমান পরিস্থিতিতে
কলকাতা: বর্তমানে ডলারের তুলনায় বেশ খানিকটা কমে গিয়েছে টাকার দাম। আর সেই পরিস্থিতিতে ভারতের বাজার থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে যাচ্ছে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। এই পরিস্থিতিতে অনেক বিনিয়োগকারীই ভয় পেয়ে যাচ্ছেন। কেউ তাঁর মিউচুয়াল ফান্ডের বিনিয়োগ বিক্রি করে দিচ্ছেন। আবার কেউ ব্যাঙ্কে থাকা বা ফিক্সড ডিপোজিটে থাকা টাকা তুলে নিচ্ছেন। এবার সেই মানুষদের জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন অর্থনীতিবিদ অনির্বাণ দত্ত।
আরও পড়ুন: ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা জমিয়ে ফেললেই কি কেল্লাফতে? মাসে কত লক্ষ টাকার উপার্জন সম্ভব সেখান থেকে?
তিনি প্রথমেই মানুষকে প্যানিক করতে বারণ করছেন। কারণ, তাঁর কথায় প্যানিক করলেই অযাচিত ভাবে বিজয়ের বিপদ ডেকে নিয়ে আসা হবে। তিনি বলছেন, “সাধারণভাবে মানুষকে বলব প্যানিক না হতে। অনেকেই হয়তো অনেকের পরামর্শে তার মিউচুয়াল ফান্ড করাটা বন্ধ করে দেবেন। কেউ হয়তো এসআইপি করা বন্ধ করে দেবেন। আবার কেউ বা ব্যাঙ্ক ফিক্সড ডিপোজিট থেকে টাকা তুলতে নেবেন। বা কেউ ভুল করে অন্য কারও পরমর্শে অন্য জায়গাতে টাকা বিনিয়োগ করে ফেলবেন। কেউ কেউ হয়তো ভুল করে চিট ফান্ডেও বিনিয়োগ করে ফেলতে পারেন। মানুষকে আমি বলব প্যানিক না করতে।”
অর্থনীতিবিদ অনির্বাণ দত্ত বলছেন, মানুষ যেন কোনও হঠকারী সিদ্ধান্ত না নেন। তিনি বলেন, “মানুষ যেন এমন কোনও হঠকারী সিদ্ধান্ত না নেন। তাঁর যে সঞ্চিত অর্থ, কষ্টার্জিত অর্থ যেখানে আছে সেখানে থাকুক। সেটা ব্যাঙ্ক হোক হোক, ফিক্সড ডিপোজিট হোক। কেউ যদি মিউচুয়াল ফান্ডে রেখে থাকেন, সেটাও রাখতে পারেন। এখনই প্যানিক হওয়ার কিছু নেই। সরকারের এখন একটা অ্যাডিকোয়েট কন্ট্রোল মেকানিজম কাজ করছে।”
আরও পড়ুন: আয়কর রিটার্ন দাখিল করলেই দায় শেষ নয়, এই ধরনের খরচের কারণে আপনার কাছে আসতে পারে আয়কর নোটিশ?
এ ছাড়াও অর্থনীতিবিদ বলছেন, সাধারণ মানুষের কষ্টের অর্থ যেখানে আছে সেখানেই থাক। তাঁর কথায়, “আমাদের দেশ আর্থিকভাবে অনেক শৃঙ্খলাবদ্ধ। আমাদের দেশের আর্থিক নিয়মকানুন বিভিন্ন রেগুলেটরি সংস্থা ম্যানেক করছে। বর্তমান অবস্থা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছেন তাঁরা। এখনই প্যানিক করার কিছু নেই। আপনার কষ্টের অর্থ যেখানে আছে, সেখানেই থাকুক। আপনি অযাচিত ভাবে আপনার বিপদ ডেকে আনবেন না।”
EPF : অপরিবর্তিত EPF-র সুদর, চলতি মাসেই টাকা ঢুকবে গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে



Post Comment