Income Tax: ITR-1, ITR-2 নাকি ITR-4? ২০২৬-২৭ অ্যাসেসমেন্ট ইয়ারে কোন ফর্ম আপনি জমা করবেন?

Income Tax: ITR-1, ITR-2 নাকি ITR-4? ২০২৬-২৭ অ্যাসেসমেন্ট ইয়ারে কোন ফর্ম আপনি জমা করবেন?

চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট সুরেশ সুরানা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, করদাতাদের নিজেদের আর্থিক অবস্থার ভিত্তিতে সতর্কভাবে উপযুক্ত ফর্ম বেছে নেওয়া উচিত। কোন ফর্ম প্রযোজ্য হবে, তা নির্ভর করে আয়ের ধরন ও উৎস, শেয়ার বা সম্পত্তি বিক্রির মূলধনী লাভ, ব্যবসা বা পেশাগত আয়, বিদেশি সম্পত্তি, আবাসিক অবস্থান এবং নির্ধারিত টার্নওভার সীমার উপর।

তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র পেশার ভিত্তিতে ITR ফর্ম নির্ধারণ হয় না। বরং আর্থিক বছরে করদাতার আয়ের গঠন ও জটিলতার উপর নির্ভর করে সঠিক ফর্ম নির্বাচন করতে হয়। শুরুতেই সঠিক ফর্ম বেছে নিলে রিটার্ন দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ হয়, নোটিস পাওয়ার ঝুঁকি কমে এবং অপ্রয়োজনীয় জটিলতাও এড়ানো যায়।

বর্তমানে ITR-1 বা ‘সহজ’ ফর্ম মূলত কম ও সরল আয়ের ব্যক্তিগত করদাতাদের জন্য প্রযোজ্য। অন্য দিকে মূলধনী লাভ, ব্যবসা বা পেশাগত আয় কিংবা presumptive taxation-এর আওতায় আয় থাকলে ITR-2, ITR-3 অথবা ITR-4 ফর্ম প্রযোজ্য হয়।

সুরানা আরও বলেন, “সঠিক ITR ফর্ম নির্বাচন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভুল ফর্মে রিটার্ন জমা দিলে তা অবৈধ হয়ে যেতে পারে। তা সত্ত্বেও বেতনভুক কর্মী, শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারী, ফ্রিল্যান্সার, পেশাজীবী এবং প্রথম বার রিটার্ন জমা দেওয়া করদাতাদের মধ্যে এখনও ফর্ম নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে।”

২০২৬-২৭ অ্যাসেসমেন্ট ইয়ারের (২০২৫-২৬ আর্থিক বছর) আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য ই-ফাইলিং পোর্টালে ITR-1, ITR-2 এবং ITR-4 ফর্মের অনলাইন সুবিধা ও এক্সেল-ভিত্তিক অফলাইন ইউটিলিটি চালু করল আয়কর দফতর। ফলে যোগ্য করদাতারা এখন থেকেই আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া শুরু করতে পারবেন।

কর বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক ITR ফর্ম নির্বাচন করাই রিটার্ন জমা দেওয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। ভুল ফর্ম বেছে নিলে রিটার্ন অবৈধ বলে গণ্য হতে পারে।

চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট সুরেশ সুরানা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, করদাতাদের নিজেদের আর্থিক অবস্থার ভিত্তিতে সতর্কভাবে উপযুক্ত ফর্ম বেছে নেওয়া উচিত। কোন ফর্ম প্রযোজ্য হবে, তা নির্ভর করে আয়ের ধরন ও উৎস, শেয়ার বা সম্পত্তি বিক্রির মূলধনী লাভ, ব্যবসা বা পেশাগত আয়, বিদেশি সম্পত্তি, আবাসিক অবস্থান এবং নির্ধারিত টার্নওভার সীমার উপর।

তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র পেশার ভিত্তিতে ITR ফর্ম নির্ধারণ হয় না। বরং আর্থিক বছরে করদাতার আয়ের গঠন ও জটিলতার উপর নির্ভর করে সঠিক ফর্ম নির্বাচন করতে হয়। শুরুতেই সঠিক ফর্ম বেছে নিলে রিটার্ন দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ হয়, নোটিস পাওয়ার ঝুঁকি কমে এবং অপ্রয়োজনীয় জটিলতাও এড়ানো যায়।

বর্তমানে ITR-1 বা ‘সহজ’ ফর্ম মূলত কম ও সরল আয়ের ব্যক্তিগত করদাতাদের জন্য প্রযোজ্য। অন্য দিকে মূলধনী লাভ, ব্যবসা বা পেশাগত আয় কিংবা presumptive taxation-এর আওতায় আয় থাকলে ITR-2, ITR-3 অথবা ITR-4 ফর্ম প্রযোজ্য হয়।

সুরানা আরও বলেন, “সঠিক ITR ফর্ম নির্বাচন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভুল ফর্মে রিটার্ন জমা দিলে তা অবৈধ হয়ে যেতে পারে। তা সত্ত্বেও বেতনভুক কর্মী, শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারী, ফ্রিল্যান্সার, পেশাজীবী এবং প্রথম বার রিটার্ন জমা দেওয়া করদাতাদের মধ্যে এখনও ফর্ম নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে।”

Previous post

পরিচালক অনীক দত্তর রহস্যমৃত্যু, ছাদ থেকে পড়ে গিয়েছিলেন, শোকের ছায়া টলিউডে

Next post

Mango: মালদহে ফলছে দেশী-বিদেশি ১২০ জাতের আম! প্রতি পিস বিকোচ্ছে ১০০০ টাকাতেও, বিমানের ‘ম্যাজিক’-এ প্রচুর লক্ষ্মীলাভ

Post Comment

You May Have Missed