কেউ গেলেন মাছের বাজারে, দেখলেন ফুটবল ম্যাচ! কেউ ক্লাবে জমালেন আড্ডা! প্রার্থীদের সারাদিন
- ব্রাত্য বসু ভোট মিটতেই বাজার, জানালেন মাছ খাননি অনেকদিন।
- ফিরহাদ হাকিম পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে ব্যস্ত।
- প্রার্থীরা ভোটের ফল প্রকাশের আগে নিজেদের মতো সময় কাটাচ্ছেন।
কলকাতা: কেউ ব্য়স্ত বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায়, কেউ মগ্ন ভোটের হিসেব নিকেশে! ভোটের ফল প্রকাশের ৪৮ ঘণ্টা আগে এমনই মুডে বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা। কোন কোন তারকা প্রার্থী কী কী করছেন? খোঁজ নিল এবিপি আনন্দ (ABP Ananda)।
মাছের বাজারে ব্রাত্য
ভোট মিটতেই, মাছের বাজারে হাজির ব্রাত্য বসু। এবিপি আনন্দকে (ABP Ananda) বললেন, ‘একটা বোয়াল মাছ নিলাম। অনেকদিন ভোটের চক্করে মাছ খাওয়া হয়নি। এবার তো বাজার করতেই হবে।’ ভোট আর কাউন্টিংয়ের মাঝের কয়েকটা দিন, কীভাবে কাটাচ্ছেন ব্রাত্য বসু। তৃণমূল নেতা বলছেন, ‘মূলত ঘুমিয়েই সময় কাটছে। আর পার্টি থেকে যে যে মিটিংগুলো করতে বলছে, করছি। পরশুদিন ইস্টবেঙ্গল আর ওড়িশার ম্যাচটা দেখলাম। কয়েকটা লেখালেখি ও চলছে। তবে টেনশন খুব একটা কাজ করছে না।’
পাড়ার ক্লাবে আড্ডায় মজে ফিরহাদ
নিজের কেন্দ্রের পাশাপাশি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্রেও প্রচারের গুরুদায়িত্ব সামলেছেন ফিরহাদ হাকিম। বাড়িতে থাকার কার্যত সময়ই ছিল না। তবে ভোট মিটতেই, ফিরহাদ একেবারে ফ্যামিলি ম্যান। চাপমুক্ত থাকতে, পরিবারের সঙ্গে গল্প করেই সময় কাটাচ্ছেন। ফিরহাদ হাকিম বললেন, ‘দেড় মাস ধরে পাড়ায় বসে আড্ডা মারা হয়নি। এখন একটু পাড়ায় বসছি, আড্ডা মারছি। ছোটবেলার বন্ধুদের সঙ্গে বসে পাড়ায় আড্ডা মারার অভ্যাস রয়েছে। গতকাল স্ট্রং রুম দেখতে গিয়েছিলাম। আজ সকাল থেকে ক্লাবেই রয়েছি। পাড়ার বন্ধুদের সঙ্গে সঙ্গে বাইরের লোকেরাও আসছেন। অনেক গল্প হচ্ছে। ক্লাবে আসাটা আমার শখ। যেখানেই থাকি না কেন, ক্লাবে এসে সময় কাটাতে ভালবাসি। কয়েকটা দিন ৯টায় ঘুম থেকে উঠছি। চান করে জলখাবার খাচ্ছি। দুপুরে বাড়িতে ভাত খাচ্ছি। কোনও কাজ নেই, একটু বোর হচ্ছি। তবে আমার কোনও টেনশন নেই। ৫ বছর ধরে নিষ্ঠা করে মানুষের কাজ করেছি। পাশে থেকেছি। মানুষের যা যা সমস্যা, সমাধানের চেষ্টা করেছি সবসময়। আমি কখনও মানুষের কাছে ভোট চাইনি। চিরকাল বলে এসেছি, আমার থেকে কাজের ছেলে, ভাল প্রার্থী যদি পান, নিশ্চয়ই তাকে ভোট দিন। আমাকেও বলে দেবেন, আমি ও তাকে ভোট দেব। কিন্তু যদি না পান, আমি রয়েছি তো। পরিবারের সঙ্গে গতকাল সাউথ সিটি মলে ঘুরে এলাম। ছোটরা পেন, পেন্সিল, বই কিনতে চাইছিল… কিনে আনলাম।’



Post Comment