Noel Tata: TATA গোষ্ঠীর মাথা থেকে নোয়েল টাটাকে সরানোর আবেদন, হাইকোর্টে পিটিশন

নয়াদিল্লি: TATA গোষ্ঠীর মাথা থেকে নোয়েল টাটাকে সরাতে পিটিশন জমা পড়ল বম্বে হাইকোর্টে। রিট পিটিশন জমা পড়েছে আদালতে, যাতে বলা হয়েছে, TATA Trusts-এর চেয়ারম্যান পদ থেকে, TATA Sons-এর ডিরেক্টর পদ থেকে সরানো হোক নোয়েলকে। বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ এবং ন্যাশনাল স্টকএক্সচেঞ্জে যাতে নথিভুক্ত করা যায় TATA Sons-কে, সেই মতো নির্দেশ দেওয়া হোক রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে। শেয়ার বাজারে যদি নথিভুক্তিকরণে যদি বাধা সৃষ্টি করেন নোয়েল এবং ট্রাস্টসের অন্য কেউ, তাঁদেরও সরানো হোক পদ থেকে। (TATA Group Crisis)

TATA Trusts-এর মাথায় রয়েছেন নোয়েল। TATA Sons-এর সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশীদারিত্বও তাদের নিয়ন্ত্রণেই। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে রতন টাটার মৃত্যুর পর ওই দায়িত্ব গ্রহণ করেন নোয়েল। TATA Sons-এ ট্রাস্টসের অংশীদারিত্ব ৬৬ শতাংশ। তাঁকে সরাতে আদালেত আবেদন রিট পিটিশন দাখিল করেছেন রোহিণী আমিন এবং এল রামানাথন। বিবাদী পক্ষ হিসেবে পিটিশনে নাম রয়েছে TATA Sons, এন চন্দ্রশেখরন, সৌরভ আগরওয়াল, হরীশ মানওয়ানি, অনিতা এম জর্জ, বেণু শ্রীনিবাসন, দারিয়াস খাম্বাটা, ভাস্কর ভাট, অনিতা এম জর্জ, সিদ্ধার্থ শর্মা এবং নোয়েলের। নাম রয়েছে TATA Trusts, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং SEBI-র, রেজিস্ট্রার অফ কোম্পানিজ়, এমনকি ন্যাশনাল কোম্পানি ল ট্রাইব্যুনালেরও। (Noel Tata)

আরও পড়ুন: বকেয়া DA নিয়ে মামলা, ‘সরকারি কর্মচারীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ হওয়া দরকার’, বললেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি

আদালতের ওয়েবসাইটে মামলাটির উল্লেখ পাওয়া গিয়েছে। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ আগামী ২ ডিসেম্বর সেটির শুনানি করতে পারে। পিটিশনের প্রতিলিপি পৌঁছে গিয়েছে সব পক্ষের কাছে। 

ওই আবেদনে বলা হয়েছে, TATA Sons একটি ‘কোর ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি’। ১ লক্ষ কোটি টাকার বেশি সম্পদ থাকা সংস্থাগুলিকের ক্ষেত্রে বাজারে নথিভুক্তিকরণ বাধ্যতামূলক। হিসেব বলছে, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত TATA Sons-এর মোট সম্পদের পরিমাণ ২ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি। অথচ এখনও পর্যন্ত হাজারে নাম নথিভুক্ত করেনি ওই সংস্থা। কারণ টাটা গোষ্ঠী অধীনস্থ ওই হোল্ডিং সংস্থার নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখতে চান নোয়েল। তালিভুক্তির শর্ত পূরণ না করতে পারলে, বোর্ডের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার কথাও বলা হয়েছে আবেদনে। 

আরও পড়ুন: SIR ট্রাইব্যুনাল থেকে পদত্যাগ করলেন আরও এক অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, এবার সরে দাঁড়ালেন বিশ্বজিৎ বসু

রিট পিটিশনে বলা হয়েছে, TATA Trusts সম্মিলিত বাবে সংস্থার ৬৭ শতাংশেরও বেশি অংশের মালিক। TATA Sons-এর সম্পদের প্রকৃত সুবিধাভোগী সাধারণ মানুষ। অথচ তাঁদের কোনও প্রত্যক্ষ শেয়ারহোল্ডার নেই। সংস্থার ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তোলার উপায় নেই তাঁদের। মালিকানা নির্ভর কাঠামোর উপর দাঁড়িয়ে, বৃহত্তর  স্বার্থে জবাবদিহিতার প্রয়োজন রয়েছে এক্ষেত্রে। TATA Sons এবং TATA Trusts-এর সম্পর্ক বুঝতে হলেও ‘কর্পোরেট পর্দা’ সরিয়ে ফেলা উচিত। সংস্থা তালিভুক্ত হলে অনেক বেশি স্বচ্ছতা আসবে, জবাবদিহিতার রাস্তা প্রশস্ত হবে। TATA Trusts এবং অন্য শেয়ারহোল্ডারদের সম্পদের আসল মূল্যও চলে আসবে সকলের সামনে। পিটিশনে TATA Sons-এর বাজারমূল্য ৩০ লক্ষ কোটি বলে দেখানো হয়েছে। বাজারে নথিভুক্ত হলে, IPO এলে জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহার করা যায়, এমন সম্পদ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে উল্লেখযোগ্য ভাবে।

Previous post

আমেরিকায় গ্রেফতার লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের ১ সদস্য, রোহিত শেট্টির বাড়ির বাইরে গুলি চলার পিছনে ছি

Next post

‘ফিটনেস প্রমাণ করার জন্য আর কী চাও?’, শামির অবসরের পরেই একরাশ হতাশা ও ক্ষোভ উগরে দিলেন শাস্ত্রী

Post Comment

You May Have Missed