তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা চন্দ্রিমার, দায়িত্ব পাওয়ার এক মাসের মধ্যেই ইস্তফা

তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা চন্দ্রিমার, দায়িত্ব পাওয়ার এক মাসের মধ্যেই ইস্তফা

অর্ণব মুখোপাধ্যায়, কৃষ্ণেন্দু অধিকারী, কলকাতা : এবার তৃণমূলের পদ ছাড়লেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রীর পদ ছাড়লেন চন্দ্রিমা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন চন্দ্রিমা। 

পদত্যাগের পর চন্দ্রিমা বলছেন, ‘অনেক বড় বড় নেতারা আছেন, তাঁরা নিশ্চয়ই দেখবেন। বিশ্বাসযোগ্যতা যখন প্রশ্নের মুখে পড়ে, তখন ফেরার প্রশ্ন নেই। আমি দলের রাজ্য সভানেত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছি। আমার কোনও অভিযোগ নেই, আমি নিজেকে অভিযুক্ত করছি।’ তৃণমূলে আছেন কিনা, স্পষ্ট করলেন না চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। ‘বিষয়টি বিচারাধীন, অনেক জটিলতা আছে’, মন্তব্য চন্দ্রিমার

‘কালীঘাট-তৃণমূল’-এ আরও ভাঙন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছাড়লেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যও। তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রীর পদ ছাড়লেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। দায়িত্ব পাওয়ার এক মাসের মধ্যেই ইস্তফা চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যর। তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন চন্দ্রিমা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। গত মাসের ৩ তারিখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভানেত্রীর দায়িত্ব দিয়েছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে। 

দেবরাজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য, মে মাসে ৫০ লক্ষ টাকার লেনদেন, এই মামলায় স্ক্যানারে ৩০ জনেরও বেশি জনপ্রতিনিধি 

দলের হয়ে বিভিন্ন ব্যাঙ্কের সই করার দায়িত্ব থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন চন্দ্রিমা। নির্বাচন কমিশনে দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাক্ষরকারীর পদ থেকেও ইস্তফা চন্দ্রিমার। পদত্যাগের কথা জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ চন্দ্রিমার চিঠিতে। তৃণমূল চেয়ারপার্সন নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ চন্দ্রিমার। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ‘ঋতব্রত তৃণমূলের’ বৈঠকে গিয়েছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের ছেলে। 

১৯ জুন, ২০২৬ – জাতীয় কর্ম সমিতির সদস্য পদ-সহ তৃণমূলের যাবতীয় পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। রেশন দুর্নীতিতে গ্রেফতার হয়ে প্রায় ১৪ মাস জেলে ছিলেন। জামিনে মুক্ত হয়েই ফের প্রার্থী হন বিধানসভা ভোটে। তবে এবার ভোটে পরাজিত হয়েছেন তিনি। তৃণমূলের সব পদ থেকে ইস্তফা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তৃণমূল নেত্রীকে চিঠি দিয়ে দলের পদ ছাড়ার কথা জানান জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তাঁর দল ছাড়ার সিদ্ধান্তের নেপথ্যে, শারীরিক অবস্থার অবনতিকে দায়ী করে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী লেখেন, ‘আমার ৩৫০-এর ওপর সুগার। কিডনিও খারাপ হয়ে গেছে। আমার সম্পূর্ণ বিশ্রামের প্রয়োজন এবং কোনওপ্রকার মানসিক ও শারীরিক চাপ নেওয়া সম্ভব নয়। এমতাবস্থায় দলের জাতীয় কর্ম সমিতির সদস্যপদের দায়িত্ব পালনে অব্যাহতি চেয়ে নিলাম।’ 

Post Comment

You May Have Missed