শুধু পুরোনোতে নয়, নতুন কর ব্যবস্থাতেও রয়েছে কর ছাড়ের সুবিধা; কোন কোন ক্ষেত্রে তা কার্যকর জানুন

শুধু পুরোনোতে নয়, নতুন কর ব্যবস্থাতেও রয়েছে কর ছাড়ের সুবিধা; কোন কোন ক্ষেত্রে তা কার্যকর জানুন

কলকাতা: নতুন কর ব্যবস্থা বা New Tax Regime চালু হওয়ার পর থেকে অধিকাংশ করদাতাই এই ব্যবস্থাকে বেছে নিচ্ছেন। এর পিছনে রয়েছে করের পরিমাণ কমে যাওয়া। যদিও নতুন কর ব্যবস্থায় কিন্তু পুরোনো ব্যবস্থার মতো অধিকাংশ ছাড় ও ডিডাকশনের সুবিধা তুলে দেওয়া হয়েছে, তবুও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে এখনও কর ছাড়ের সুযোগ রয়েছে। এই সুবিধাগুলি সম্পর্কে জানা থাকলে করদাতারা তাঁদের মোট করের বোঝা বেশ কিছুটা কমাতে পারেন।

আরও পড়ুন: একলাফে ৬ হাজারের বেশি বাড়লো রুপোর দাম, তাল মিলিয়ে বাড়ছে সোনাও

বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, নতুন কর ব্যবস্থায় ৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর কোনও কর দিতে হয় না। পাশাপাশি রিবেটের সুবিধার কারণে বছরে ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় কার্যত করমুক্ত। বেতনভোগীদের ক্ষেত্রে আবার নতুন করে যুক্ত হয় স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশনের সুবিধাও। এর ফলে, ১২ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত উপার্জনে কোনও কর দিতে হয় না।

নতুন কর ব্যবস্থার আরেকটি বড় সুবিধা হল তুলনামূলক কম করহার। উপার্জনের যে স্ল্যাব রয়েছে, প্রতিটা স্ল্যাবে করের হার পুরোনো কর ব্যবস্থার করের হারের তুলনায় অনেকটা কম। ফলে,করদাতার অত প্রদেয় করের পরিমাণ অনেকটা কম হয়।

আরও পড়ুন: বাচ্চাদের ঢুকিয়ে রাখা হত ওয়াশিং মেশিনের মধ্যে, বন্ধ করা হত বাথরুমে; বেঙ্গালুরুর ডে কেয়ারে নির্যাতনের অভিযোগ

এছাড়া আয়কর আইনের ২৪(বি) ধারায় ভাড়া দেওয়া বাড়ির জন্য নেওয়া হোম লোনের সুদের উপর কর ছাড় দাবি করা যায়। একইভাবে, ৮০CCD(2) ধারার অধীনে নিয়োগকর্তা কর্মীর ন্যাশনাল পেনশন সিস্টেম (NPS)-এ যে অর্থ জমা করেন, তার উপরও নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত কর ছাড় পাওয়া যায়। এই সুবিধা কর্মীর বেতনের সর্বোচ্চ ১৪ শতাংশ পর্যন্ত প্রযোজ্য হতে পারে।

অন্যদিকে, অগ্নিপথ প্রকল্পের আওতায় অগ্নিবীর কর্পস ফান্ডে জমা হওয়া অর্থের উপর ৮০CCH ধারায় ১০০ শতাংশ কর ছাড়ের সুবিধা রয়েছে। শুধু অগ্নিবীরের নিজস্ব অবদান নয়, কেন্দ্রীয় সরকারের অবদানও সম্পূর্ণ করছাড়ের আওতায় পড়ে।

তবে নতুন কর ব্যবস্থায় ৮০সি-র মতো জনপ্রিয় বিনিয়োগভিত্তিক অধিকাংশ ছাড়ের সুবিধা নেই। তাই কোন কর ব্যবস্থা বেছে নিলে বেশি লাভ হবে, তা নির্ভর করবে ব্যক্তির আয়, বিনিয়োগের ধরন এবং আর্থিক পরিকল্পনার উপর। রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে হিসাব করে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং প্রয়োজনে কর বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

Previous post

SIP vs PPF: বছরে ৯০,০০০ টাকা কোথায় রাখলে ১৫ বছরে বেশি রিটার্ন পাবেন ? রইল হিসেব

Next post

Kolkata Police Durga Puja 2026: দুর্গাপুজোয় নিরাপত্তায় কোনও খামতি নয়, সব থানাকে প্রস্তুতি শুরু করার নির্দেশ পুলিশ কমিশনারের

Post Comment

You May Have Missed