একটি দলের ধারেকাছে আসতে পারবে না কেউ! আজকের Exit Poll যে তথ্য দিচ্ছে তা চমকে দেওয়ার মতোই!

একটি দলের ধারেকাছে আসতে পারবে না কেউ! আজকের Exit Poll যে তথ্য দিচ্ছে তা চমকে দেওয়ার মতোই!

কলকাতা: একের পর এক Exit Poll চমকপ্রদ তথ্য দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গবাসীকে। আগামী ৪ তারিখ নির্বাচনের ফলপ্রকাশ। কিন্তু তার আগে, কি হতে পারে তা নিয়ে সমীক্ষা করেছে একাধিক সংস্থা। তবে এক একটি সংস্থার সমীক্ষায় উঠে এসেছে একের পর এক তথ্য। গতকালই একাধিক Exit Poll তাদের তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে। কোনও কোনও Exit Poll বিজেপি-কে এগিয়ে রেখেছে আবার কোনও কোনও Exit Poll এগিয়ে রেখেছে তৃণমূলকে। নজর রাখা যাক, কী বলছে, টুডেজ় চাণক্য-র Exit Poll?

কী হিসেব দিচ্ছে টুডেজ় চাণক্য-র Exit Poll?

তথ্য হিসেবে, টুডেজ় চাণক্য-র Exit Poll বলছে, ১৯২টি আসন পাবে বিজেপি। অর্থাৎ একেবারে ‘ল্যান্ডস্লাইড ভিক্ট্রি’ যাকে বলে, সেটাই। এ রাজ্যে ম্যাজিক ফিগার ১৪৮। টুডেজ় চাণক্য-র Exit Poll-এর হিসেব বলছে, সেই আসনসংখ্যা অনায়াসেই পেয়ে যাবে বিজেপি। অন্যদিকে তৃণমূল পাবে ১০০টি আসন। অন্যান্যরা পেতে পারে, ২টি আসন। অর্থাৎ আজকের টুডেজ় চাণক্য-র Exit Poll বলছে, পশ্চিমবঙ্গে এবার বদলে যাবে সরকার! বিজেপি সরকার বসবে মসনদে, প্রতিপক্ষ হবে তৃণমূল, তবে সরকার গঠন করতে পারবে না।

আরও পড়ুন: Weather Update: ভোটের পরেরদিন থেকেই আবহাওয়ার বড় বদল! ভীষণ ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস, আর কী জানাচ্ছে ওয়েদার দফতর?

Disclaimer: রাজ্যে দু’দফায় বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গেল। জনতা জনার্দন কী রায় দিয়েছে? পরিবর্তন নাকি প্রত্যাবর্তন, কী ভাবছেন ভোটাররা? সেই সব উত্তর আর প্রার্থীদের ভাগ্য এখন EVM বন্দি। তবে, তা নিয়ে বুথ ফেরত সমীক্ষা করেছে দেশের বিভিন্ন মিডিয়া। সেই দুহাজার পাঁচ সাল থেকে এবিপি আনন্দে প্রতিটি নির্বাচনে ওপিনিয়ন পোল বা এক্সিট পোল আপনাদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। তার মধ্যে কিছু মিলেছে, আবার কিছু মেলেনি। মেনে নিতে এতটুকুও দ্বিধা নেই যে, এইসব সমীক্ষার accuracy কিন্তু ক্রমশ কমছে। এর কারণ, শুধুমাত্র সমীক্ষার Sample Size ছোট হওয়া নয়, ইদানিং এর বড় কারণ চ্যাটবট বা বিভিন্ন AI সফটওয়্যারের ব্যবহার। Field-Survey যত কমবে, মোবাইল বা AI সফটওয়্যারের ব্যবহার যত বাড়বে, বাস্তবের সঙ্গে সমীক্ষার ফারাক তত বাড়বে। তবুও, প্রতিষ্ঠিত সমীক্ষক সংস্থাগুলো বাংলার ভোট নিয়ে যে-সব সমীক্ষা করবে, তাদের সবার সমীক্ষাই আমরা তুলে ধরব। কিন্তু এই সমীক্ষার সঙ্গে আমাদের জার্নালিস্টিক জাজমেন্ট বা এডিটোরিয়াল পলিসির কোনও সম্পর্ক নেই। সমীক্ষক সংস্থার দেওয়া সংখ্যাগুলো হুবহু আপনাদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে মাত্র। আরও স্পষ্ট করে জানানো হচ্ছে, এবিপি আনন্দ নিজস্ব কোনও সমীক্ষা করেনি। রাজ্যের মসনদে কে, তা জানা যাবে একমাত্র ৪ মে-ই।

Post Comment

You May Have Missed