Tradition & Heritage: ৩৫০ বছরের প্রাচীন প্রথা মেনে শান্তিপুরের বড় গোস্বামী বাড়িতে হবে কাত্যায়নীর আরাধনা

Tradition & Heritage: ৩৫০ বছরের প্রাচীন প্রথা মেনে শান্তিপুরের বড় গোস্বামী বাড়িতে হবে কাত্যায়নীর আরাধনা

Last Updated:

Tradition & Heritage: অন্যান্য মূর্তির তুলনায় দেবী কাত্যয়িনীর মূর্তিতে রয়েছে আরও বিশেষ বৈশিষ্ট্য, কার্তিক, গণেশ থাকে বিপরীতে। ষষ্ঠী থেকে শুরু হয় বোধন পুজো

+

দেবী ক্যাত্যায়নী 

শান্তিপুর, নদিয়া, মৈনাক দেবনাথ: ৩৫০ বছরের চিরাচরিত নিয়ম মেনে পূজিত হয়ে আসছে নদিয়ার শাস্তিপুরের বনেদি বাড়ির বড় গোস্বামী বাড়ির দেবী কাত্যায়নী। কথিত রয়েছে এই বড় গোস্বামী বাড়ির কুলদেবতা শ্রীশ্রী রাধারমণ জিউ পূর্বে দোলগোবিন্দ রূপে পূজিত হতেন। মানসিংহ যখন আক্রমণ করেন, তখন যশোরের বারো ভূুঁইয়া পুরী থেকে বিগ্রহ উদ্ধার করেন। তখন তিনি পুরী থেকে একটি শৈব মূর্তি, একটি শ্রীকৃষ্ণের একক বিগ্রহ দোলগোবিন্দকে পান। সেই বিগ্রহ নিয়ে যশোরের তার রাজপ্রাসাদের স্থাপন করেন তিনি। পুনরায় যখন শত্রুপক্ষ আক্রমণ করে তখন সেই বিগ্রহের মানহানি হওয়ার আশঙ্কায় রাজ পরিবারের বসন্ত রায় তার গুরুদেব মধুরেশ গোস্বামীর হাতে এই বিগ্রহ তুলে দেন। তখন সুদুর যশোর থেকে সেই বিগ্রহ শাস্তিপুরের গোস্বামী বাড়িতে নিয়ে আসেন মথুরেশ গোস্বামী, স্থাপন করেন একক বিগ্রহকে।

কিছুদিনের মধ্যেই সেই বিগ্রহ অন্তর্হিত হন অর্থাৎ চুরি যায়, এরপর গোস্বামী বাড়ির সকলেই ভেঙে পড়েন। গোস্বামী বাড়িতে শুরু হয় দেবী কাত্যায়নীর ব্রত। দেবী স্বপ্নাদেশ দেন নদিয়ার দিগনগরে রয়েছে সেই বিগ্রহ। তৎকালীন নদিয়ারাজের সহযোগিতায় সেই দোলগোবিন্দ বিগ্রহ উদ্ধার হয়, সেই থেকেই দেবী কাত্যায়নীর ব্রত এবং পুজো চলে আসছে চিরাচরিত রীতি মেনে। জানা যায় প্রথমে দেবীর কোনও রূপ ছিল না। পরবর্তীতে স্থাপন করা হয় দেবী মূর্তি।

Previous post

EPS-95 Minimum Pension Likely To Rise: দীপাবলিতে বিরাট প্রাপ্তি! ন্যূনতম পেনশন ২,৫০০? উৎসবের মরশুমে বিশাল সিদ্ধান্তের পথে কেন্দ্র

Next post

বেরোল ২০২৩ সালের টেট পরীক্ষার ফল, পাশের হার মাত্র ২.৪ শতাংশ, এমন করুণ অবস্থা কেন?

Post Comment

You May Have Missed