Mamata Banerjee: ‘২৮ তারিখ ভোটার তালিকা বেরনোর পর যাদের নাম থাকবে না, তাঁরা…’ ভবানীপুর থেকে বিস্ফোরক মমতা!
Last Updated:
এদিন নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভবানীপুর বিধানসভার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডে জৈন ধর্মাবলম্বীদের এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী।
কলকাতা: বাংলার বিধানসভা নির্বাচন আসন্ন। সূত্রের খবর, আগামী মাসের গোড়াতেই ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হতে পারে। জোরকদমে লড়ছেন বিধায়কেরা। বুধবার নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভবানীপুর বিধানসভার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডে জৈন ধর্মাবলম্বীদের এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বেশ কিছু সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধনও করবেন মুখ্যমন্ত্রী।এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভবানীপুর হল মিনি ইন্ডিয়া। বহু ভাষাভাষী মানুষ দেশের এখানে থাকেন। আমার সঙ্গে এখানে কোনও ঝগড়া হয় না। আমি একাধিক লোকের বাড়িও চলে যাই। কোনও দুর্ঘটনা ঘটলেও যাই।আমি এখানে আজ অনুষ্ঠান করলাম। কারণ আমি চাই সমাজ সেবা করতে। মানস স্তম্ভ করলাম কারণ অহংকার ছেড়ে আমি এসেছি। আজ সবাই খুশি থাকুক। কয়েকজনের কাজ আমি তাই আমার থেকে দিলাম।’
তাঁর কথায়, ‘এসআইআর চলছে বলে অনেকের নাম বাদ গিয়েছে। গান্ধিজীর অহিংসার কথা মনে রাখুন। সত্যের জয় হোক। আমি না ধরলে এক কোটি ২০ লাখ নাম বাদ যেত। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিলেও এরা চুপিচুপি ছুপা রুস্তমের মতো কাজ করছে। এরা নাম বাদ দিতে চাইছে। আমার দেখার দরকার নেই কে কোন রাজনৈতিক দলের। আমার দেখার গণতন্ত্র যেন রক্ষা পায়। আদালতের নির্দেশের পরেও কাজ করেনি। আমি জানিনা ২৮ তারিখ ভোটের তালিকা বেরনোর পরে যাদের নাম থাকবে না তাঁরা কী বলবে। আমি তাই আজ মানস স্তম্ভের সামনে প্রার্থনা করলাম।আমি আবার আসব মানুষের অধিকার সুরক্ষিত হলে।’
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘জৈন ধর্মের পবিত্র প্রার্থনা স্তম্ভ এখানে আজ উদ্বোধন হল। চার ভাষায় এই মন্ত্র লেখা রয়েছে। জৈন ধর্মের সঙ্গে আমাদের রাজ্যের সম্পর্ক আছে। বর্ধমান ও পুরুলিয়া জেলায় অনেক মন্দির আছে। আমি পরেশনাথ মন্দিরে পর্যন্ত গিয়েছি। গুজরাতি, মাড়োয়ারি জানি। এর একাধিক শব্দ আমাদের বাংলা শব্দের সঙ্গে সংযুক্ত। এই মানস স্তম্ভ হল অহংকার না থাকা। আমরা সমাজের জন্য কাজ করি। সমাজের শান্তির জন্য কাজ করি।’
তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলায় সব ধর্মের সম্মান করি। স্কুলে ছোট থেকে সব ধর্মের বিষয়ে পড়াশোনা করানো হয়। আজ সন্ত গুরুদ্বার গেট করে দিয়েছি। কাল রাসবিহারী গুরুদ্বারা থেকে পটনা সাহিব পর্যন্ত বাস যাত্রা হয়েছে। এঁরা আমাকে ভালোবাসেন। আমাকে হালুয়া পাঠান। আমাকে খান্ডভি পাঠান। রমজান মাস চলছে। সবাই শান্তিতে থাকুন। হোলি ও দোল আসছে। এবারে হোলি-দোলের বড় উৎসব করছি। আমি সেখানে ডান্ডিয়া খেলব।’
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal




Post Comment