Clay Pot: গরম পড়লেই বাঙালিদের দই মাস্ট! আর এই দইয়ের পাত্রের সঙ্গে জড়িয়ে এই গ্রাম, না জানলে মিস

Clay Pot: গরম পড়লেই বাঙালিদের দই মাস্ট! আর এই দইয়ের পাত্রের সঙ্গে জড়িয়ে এই গ্রাম, না জানলে মিস

Last Updated:

এই গ্রামের মাটির দইয়ের পাত্র বিখ্যাত

X

রোদে শুকোচ্ছে মাটির তৈরি দইয়ের পাত্র

পাঁশকুড়া: দই তৈরির জন্য প্রয়োজন হয় মাটির পাত্রের। তবে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এই গ্রামের মাটির দইয়ের পাত্র বিখ্যাত। গ্রামের ঘর ঘর তৈরি হয় মাটির দইয়ের পাত্র। জেলার পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় পাড়ি দেয় এখান থেকেই মাটির দইয়ের পাত্র। দই বাঙালির অন্যতম প্রিয়। এই দই বসানোর জন্য প্রয়োজন হয় মাটির তৈরি পাত্রের। বিভিন্ন সাইজের মাটির পাত্র তৈরি হয় দইয়ের বসানোর জন্য। মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়া ব্লকের কানাচি বৃন্দাবনচকের মাটির দই-এর পাত্র জেলার পাশাপাশি ভিন জেলার দই ব্যবসায়ী বা মিষ্টি বিক্রেতাদের কাছে বিখ্যাত।

পাঁশকুড়ার কানাচি বৃন্দাবনচক গ্রাম। এই গ্রামে মূলত কুম্ভকার সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস। যাদের প্রধান জীবিকা উপার্জন হয় মাটির তৈরি জিনিসপত্র থেকে। তবে এই গ্রামের কুম্ভকারেরা আর পাঁচটা কুম্ভকারের থেকে আলাদা জিনিস তৈরি করে। যেখানে দেখা যায় কুম্ভকারেরা মাটির তৈরি টব থেকে হাঁড়ি কলসি বানান। সেখানে এই গ্রামের কুম্ভকারদের প্রতিদিনের ব্যস্ততা চোখে পড়ে দুই বসানোর কাজে ব্যবহৃত মাটির তৈরি পাত্র তৈরি করতে। এটাই তাদের মূল জীবিকা। এই গ্রামের কুম্ভকারদের মাটির তৈরি দইয়ের পাত্র পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাশাপাশি পশ্চিম মেদিনীপুর হাওড়া হুগলি সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় পাড়ি দেয়।

এ বিষয়ে এই গ্রামের এক কুম্ভকার জানান, ‘এখানকার তৈরি মাটির দই-এর পাত্রের চাহিদা রয়েছে। সারা বছরই মাটির দইয়ের পাত্র তৈরির কাজ চলে। ছোট থেকে বড় নানা সাইজের দইয়ের পাত্র বানানো হয়। এই গ্রামের কুম্ভকারদের রুটি রোজকারের পথ এটাই। হাওড়া, হুগলি থেকে পাইকারেরা এসে মাটির দই-এর পাত্র নিয়ে যায়। শুধুমাত্র বর্ষাকালে এলেই দইয়ের পাত্র বানানোর কাজ কম হয়। বছরের অন্যান্য সময় মাটির দইয়ের পাত্র বানানোর ব্যস্ততা দেখা যায় এই গ্রামের কুম্ভকারদের বাড়িতে বাড়িতে।’

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

বর্তমানে কানাচি বৃন্দাবনচক গ্রাম ঢুকলেই দেখা যায় সারিবদ্ধভাবে মাটির তৈরি দইয়ের পাত্র কাঁচা অবস্থায় রোদে শুকাতে দেওয়া রয়েছে। রোদে ঠিকঠাক শুকিয়ে নেওয়ার পর ভাটিতে ফেলে পোড়ানোর কাজ হয়। এই গ্রামের কুম্ভকারেরা সারা বছর মাটির দইয়ের পাত্র বানালেও বেশ কিছু কুম্ভকার দইয়ের পাত্র বানানোর পাশাপাশি, পুজো অর্চনায় প্রয়োজনীয় মাটির জিনিসপত্র বানায়।

সৈকত শী

Previous post

১০ লাখ কর্মী কাজ হারাতে পারেন ! বিপুল কর্মী ছাঁটাইয়ের সম্ভাবনা এই সেক্টরে; আতঙ্ক চরমে

Next post

City-killer Asteroids: ধাক্কা লাগলেই সাক্ষাৎ মৃত্যু! পৃথিবীর কানের কাছে ঘুরঘুর করছে ভয়ংকর ধ্বংসশক্তিময় ২০ গ্রহাণু!

Post Comment

You May Have Missed