Business Idea: রাজ্যে হু হু করে বাড়ছে ‘এই’ ব্যবসা! বাঁকুড়ার ব্যবসায়ীর দেখানো পথ অঢেল লক্ষ্মী লাভ দিতে পারে আপনাকেও

Business Idea: রাজ্যে হু হু করে বাড়ছে ‘এই’ ব্যবসা! বাঁকুড়ার ব্যবসায়ীর দেখানো পথ অঢেল লক্ষ্মী লাভ দিতে পারে আপনাকেও

Last Updated:

প্রায় ২১ বছর ধরে এই ব্যবসা চালাচ্ছেন শিবু জানা। তিনি জানান, এখন এই ব্যবসার চাহিদা রাজ্যে বাড়ছে হু হু করে। যে ব্যবসা আপনাকেও রোজগারের দিশা দেখাতে পারে।

+

সেমি শেড চারা

বাঁকুড়া, নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়: রয়েছে রকমারি টব, কোনওটা পেঁচার মতো দেখতে, আবার কোনওটা হাতির মতো। এছাড়াও আসন্ন শীতে যদি গাছ লাগাতে চান কিংবা ছাদ বাগান তৈরি করতে চান তাহলে বাঁকুড়া শহরের এই নার্সারি সম্ভবত আপনার সবচেয়ে কাজে আসবে। একটু অন্য ধরনের সবকিছু, গতানুগতিক মাটির টব ছাড়াও আছে প্লাস্টিকের এবং চিনা মাটির টব। পাওয়া যাচ্ছে রংবেরঙের চারা। ফুলের এবং ফলের আউটডোর চারা ,ঘর সাজানোর ইনডোর চারা। আপনি যদি গাছ লাগাতে ভালবাসেন তাহলে বাঁকুড়া শহরের সতীঘাটে একবার আসুন। নার্সারিতে তৈরি করা হয়েছে রকমারি আউটডোর এবং ইনডোর চারা। এখানে পাওয়া যায় খুবই স্বল্পমূল্যে চারা থেকে সবরকম দামের চারা। পাওয়া যায় টব, যার মূল্য ১০ টাকা থেকে শুরু এবং চারা ৫ টাকা প্রতি পিস।

প্রায় ২১ বছর ধরে এই ব্যবসা চালাচ্ছেন শিবু জানা। তিনি জানান, সাম্প্রতিক চারা গাছের ব্যবসা বেড়েছে হু হু করে। ঘরবাড়ির সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি মানুষ এখন ছোট করে বাগান কিংবা ছাদ বাগান বানাচ্ছেন। আর ফ্ল্যাট বাড়ি হলে আলো ছায়ায় বেড়ে উঠতে পারে এমন গাছ লাগাচ্ছেন। ফলেই নার্সারিগুলিতে আবার লক্ষ্মী লাভ হচ্ছে। এছাড়াও ব্যবসায়ী বলেন যে চারা গাছ মানেই যে শুধু চারা গাছ সেটাই নয়, সঙ্গে বিক্রি হয় গাছের সার, মাটি, টব ইত্যাদি। ভাল ফুল পেলে মানুষ আবারও ফিরে আসছেন এবং কিনে নিয়ে যাচ্ছেন অন্যান্য চারা।

বর্তমানে রকমারি চারা গাছের চাহিদা বেড়েছে বাঁকুড়ায়। অনেকেই উপহার হিসেবে ব্যবহার করছেন চারা গাছগুলিকে। আবার শখ করে কেউ কেউ লাগাচ্ছেন নির্দিষ্ট কোনও ফুল বা ফলের চারা। তার সঙ্গে কৃষকরা বাঁকুড়ার সূর্যের প্রখর রোদের হাত থেকে চারা গাছগুলিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য ছাউনি করে নার্সারিতে তৈরি করছেন বিভিন্ন ধরনের গাছের চারা এবং সেই চারা বিক্রি করা হচ্ছে বাঁকুড়ার নার্সারিগুলিতে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

শীতকালে প্রতিবছর পুষ্প প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করেন তিনি। এর যেমন একটি ব্যবসায়িক দিক রয়েছে সেরকমই রয়েছে পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতা। পৃথিবীতে দিনের পর দিন কমে যাচ্ছে গাছের সংখ্যা, তৈরি হচ্ছে কংক্রিটের জঙ্গল। তাই শখের চারা গাছ কিনে সেই গাছ লাগালে কল্যাণ হবে প্রকৃতির। বাঁকুড়া শহরের মানুষ ধীরে ধীরে প্রকৃতিমুখি হচ্ছেন।

Post Comment

You May Have Missed