West Bardhaman News: ভয়ে ছোটোরা বন্ধ করে দিয়েছে স্কুলে যাওয়া, দিনের আলোয় যখন তখন হানা দিচ্ছে হায়না! খনির কাজ বন্ধ করে প্রতিবাদ স্থানীয়দের
Last Updated:
West Bardhaman News: হিংস্র হায়নার ভয়ে কার্যত গোটা গ্রামের জনজীবন স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে। ভয়ে বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয় অনেক ছোট পড়ুয়া। এমনকি বড়রাও ঘর থেকে বেরোতে ভয় পাচ্ছেন। তাদের অভিযোগ, খনির কাজের কারণে এলাকায় ছোট ছোট ঢিবি তৈরি হয়েছে। সেগুলি হয়ে উঠেছে হিংস্র বন্যপ্রাণী আস্তানা। ফলে এলাকায় যখন তখন আক্রমণ করছে হায়না।
জামুড়িয়া, পশ্চিম বর্ধমান: ভয়ে বন্ধ হয়ে গিয়েছে এলাকার ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের বিদ্যালয়ে অথবা টিউশনে যাওয়া। কারণ এলাকায় বেড়েছে হায়েনার আতঙ্ক। অভিযোগ যখন তখন সোজা লোকালয়ে হানা দিচ্ছে হিংস্র হায়না। শনিবার সকালে এমনই আতঙ্কে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে জামুড়িয়া এলাকায়।
বন্যপ্রাণীর উপদ্রব কমানোর দাবিতে রীতিমত প্রতিবাদে কাজ বন্ধ করে দিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তীব্র রোদ গরমের মধ্যেই জামুড়িয়া থানার চুরুলিয়া পঞ্চায়েতের লোদা গ্রামে বন্ধ হয়ে যায় বেসরকারি খোলা মুখ খনির কাজ। অবিলম্বে রাস্তা তৈরি এবং বন্যপ্রাণীর উপদ্রব কমানোর দাবিতে খনি চত্বরেই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় গ্রামবাসীরা।
স্থানীয় বাসিন্দা ইন্দ্রজিৎ পাশওয়ানের অভিযোগ, এলাকার বাসিন্দাদের বিন্দুমাত্র না জানিয়েই খনি কর্তৃপক্ষ চেনা রাস্তাঘাট খুঁড়ে রেখে দিয়েছে। তার ওপর খনির মাটি যত্রতত্র ফেলে তৈরি করা হয়েছে উঁচু পাহাড়ের মতো ঢিবি। আর এই কৃত্রিম মাটির পাহাড়ই এখন হয়ে উঠেছে হায়নাদের গোপন আস্তানা। আগে মূলত রাতের অন্ধকারে এদের দেখা মিলত। কিন্তু এখন দিনের আলোতেও গ্রামের রাস্তায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে হায়নার দল।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এই সমস্যার কারণে চরম আতঙ্কে দিন কাটছে গোটা গ্রামের। রাস্তা ভাঙা এবং বন্য প্রাণীর ভয়ে শিশুরা গৃহবন্দি হয়ে পড়েছে। তাদের স্কুল বা টিউশনে পাঠানোও বন্ধ রেখেছেন অভিভাবকরা। একদিকে বেহাল রাস্তা অন্যদিকে বন্যপ্রাণী আক্রমণ মিলিয়ে কার্যত স্তব্ধ গ্রামের জনজীবন। তাই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে প্রতিবাদ করেছেন তাঁরা।
Asansol,Barddhaman,West Bengal
West Bardhaman News: ভয়ে ছোটোরা বন্ধ করে দিয়েছে স্কুলে যাওয়া, দিনের আলোয় যখন তখন হানা দিচ্ছে হায়না! খনির কাজ বন্ধ করে প্রতিবাদ স্থানীয়দের




Post Comment