SBI থেকে ১২৬৬৮০০০০০০০ টাকার ঋণ নিয়ে মেটাননি, ভিডিওকন কর্তাকে দেউলিয়া ঘোষণা করা হল
নয়াদিল্লি: ভিডিওকন কর্তা বেণুগোপাল ধূতকে দেউলিয়া ঘোষণা করল ন্যাশনাল কোম্পানি ল ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালের মুম্বই বেঞ্চ তাঁকে দেউলিয়া ঘোষণা করল। ১২ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকার ঋণ পরিশোধ করেননি বেণুগোপাল। সেই নিয়ে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার পিটিশন গ্রহণ করেছে ট্রাইব্যুনাল। বকেয়া ঋণ মেটানো তো দূর, ঋণ মেটানোর কোনও পরিকল্পনাও তিনি জমা দেননি বলে জানা গিয়েছে। (Videocon Loan Default)
বেণুগোপালের বিরুদ্ধে দেউলিয়া প্রক্রিয়া তত্ত্বাবধান করবে ব্যাঙ্করাপসি ট্রাস্টি। ৯০ দিনের মধ্যে কমিটি অফ ক্রেডিটর্সকে রিপোর্ট দেবে তারা। জানা গিয়েছে, ব্যক্তিগত গ্যারান্টিতে স্টেট ব্যাঙ্ক এবং তাদের সহযোগী ব্যাঙ্কের (যেগুলি পরে স্টেট ব্যাঙ্কের সঙ্গে মিশে যায়) কাছ থেকে ভিডিওকন ইন্ডাস্ট্রিজের জন্য ঋণ নিয়েছিলেন বেণুগোপাল। (Venugopal Dhoot Declared Bankrupt)
NCLT declares Videocon promoter Venugopal Dhoot bankrupt over ₹12,668 crore default report by @thyagarajan_law https://t.co/TXML0316Jl
— Bar and Bench (@barandbench) November 6, 2026
আরও পড়ুন: ২০২৯ নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী অভিজিৎ দীপকের, বললেন, ‘প্রস্তুত থাকুন’, এবার কী ভাবছে ককরোচ জনতা পার্টি?
ভিডিওকন ইন্ডাস্ট্রিজের জন্য স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার পাশাপাশি, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ হায়দরাবাদ, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ মহীশূর, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ত্রিবাঙ্কর, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ বিকানের অ্যান্ড জয়পুর, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ পটিয়ালা থেকে ঋণ নেন বেণুগোপাল। ঋণগ্রহণের ক্ষেত্রে কো-অবলিগর ছিল ভিডিওকন টেলিকমিউনিকেশন্স।
স্টেট ব্যাঙ্কের পিটিশনে বলা হয়েছে, ঋণের টাকা শোধ করতে পারেননি বেণুগোপাল। ২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সুদ এবং জরিমানা মিলিয়ে ঋণের অঙ্ক পৌঁছে গিয়েছে ১২ হাজার ৬৬৮.০৬ কোটি টাকায়। এর মধ্যে ৯ হাজার ৩২২.১০ কোটি টাকা রুপি টার্ম ঋণ ছিল।
আরও পড়ুন: ইজ়রায়েলে জোর ধাক্কা নেতানিয়াহুর, সরকার গড়তে প্রথম সুযোগ আইজ়েনকোটকে, পরিবর্তনের পথে ইহুদি-দেশ?
২০১৮ সালে দেউলিয়া ঘোষণার জন্য় আবেদন জমা করে ভিডিওকন। ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে বেণুগোপালের বিরুদ্ধে পৃথক প্রক্রিয়া শুরু করে স্টেট ব্যাঙ্ক। তারা জানায়, বকেয় ঋণ মেটানোর কোনও পরিকল্পনাই জমা দেননি বেণুগোপাল। এর পর শিলিগুড়িতে একটি প্রকল্পের পরিকল্পনা জমা দেন তিনি। জানান, ওই প্রকল্প থেকে তিন বছরে ৬০০ কোটি টাকা মেটাতে পারবেন। কিন্তু প্রকল্প যেখানে অনুমোদনই পায়নি, সেক্ষেত্রে ওই টাকা আদৌ পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়। ফলে সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়।
Post Comment